Opening the text

Kuntapa & Liturgical Hymns
অথর্ববেদের কাণ্ড ২০ মূলত ঋগ্বেদ-উদ্ভূত সূক্তসমূহের একটি সংকলন, যা সোমযজ্ঞে সরাসরি প্রয়োগের জন্য নির্মিত; এখানে ইন্দ্র-স্তুতিই প্রধান, যেখানে স্তববাণীকে আচারগত শক্তি হিসেবে কার্যকর করা হয়। এর ১৫টি অনুবাকে বারবার সোমে উল্লসিত ইন্দ্রকে (অনেক স্থানে বৃহস্পতির সঙ্গে এবং কোথাও কোথাও অগ্নির সঙ্গে) আহ্বান করা হয়েছে—বিজয় (সাতী), রক্ষা, যজ্ঞকর্মের সুশৃঙ্খল সম্পাদন, এবং বাজ, গো-সম্পদ ও শ্রবস্/যশ লাভ নিশ্চিত করার জন্য। এই স্তোত্রগুলি সোম-নিষ্পেষণ ও আহুতি-প্রসঙ্গে ব্যবহৃত এক লিটুর্জিক ‘অস্ত্রাগার’, যা যথাযথ ক্রম, সফল সমাপ্তি, এবং সম্প্রদায়ের স্থিতির জন্য দেব-উপস্থিতি ও স্তোত্রবাণীর কার্যক্ষমতাকে প্রতিষ্ঠা করে।
15 anuvakas (sections) to explore.
প্রধান বিষয়: সোম-যজ্ঞে দেবতাদের তাঁদের “স্থান”-এ আহ্বান এবং ইন্দ্রকেন্দ্রিক স্তোত্রের মাধ্যমে ঋতু-সম্মত (সঠিক ক্রমে) যজ্ঞসিদ্ধি, বিজয় ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। উপ-বিষয়: (১) শ্রৌত সোম-লিটার্জি—দেবতাদের নির্দিষ্ট “আসন/স্থান”-এ ডেকে ঋতু (যথাযথ ক্রম) অনুযায়ী পান করানো। (২) সোমের দ্বারা ইন্দ্রের আপ্যায়ন/আবাহন এবং স্তোম-রূপ স্তবকে যজ্ঞশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা। (৩) সূর্যোদয় ও মঙ্গলময় পুনর্বিন্যাসের দ্বারা অঘ (অমঙ্গল/ক্ষতি)-এর অপসারণ। (৪) বৃত্র/দস্যু-ধর্মী প্রতিবন্ধককে পরাস্ত করে যজ্ঞের নির্দোষ সমাপ্তি সাধন।
ইন্দ্র-কেন্দ্রিক বিজয় ও রক্ষার স্তোত্র-লিতুর্জি, যা বৃহস্পতির পুরোহিতীয় অভিভাবকত্বে আরও দৃঢ় হয়—জয়লাভ, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে। উপবিষয়: (১) যুদ্ধজয়ী শক্তি (বাজ) এবং প্রতিদ্বন্দ্বী/দুর্গ অতিক্রম, (২) অপদেবতা-নিবারক সুরক্ষা—সতর্কতা, প্রতিরোধ ও যজমানের জন্য “নিরাপদ পরিসর” স্থাপন, (৩) সোম-পেষণকে ক্ষমতাবর্ধক প্রযুক্তি হিসেবে—ইন্দ্রের মদ (উল্লাসিত বল) জাগানো, (৪) পৌরাণিক দৃষ্টান্তকে আচারগত লিভারেজ হিসেবে—বল-ভেদ ও স্মৃত বিজয়ের আহ্বান, (৫) যজমান–দেবতার পারস্পরিক চুক্তি: স্তব/যজ্ঞের বিনিময়ে অনুগ্রহ, রক্ষা ও ঐশ্বর্য।
প্রধান বিষয়: সোম-যজ্ঞে ইন্দ্রের আহ্বান—বিজয়, ধন ও যজ্ঞসিদ্ধির জন্য (ঋগ্বেদ-উদ্ভূত ইন্দ্র-স্তোত্র)। উপবিষয়: (১) আবাহন—ইন্দ্রকে যজ্ঞ ও সোমাসনে ফিরিয়ে/আনিয়ে প্রতিষ্ঠা করা, (২) সোম-উল্লাসকে ইন্দ্রের দানপ্রদানের চালিকাশক্তি হিসেবে ধরা, (৩) রাজকীয়/ক্ষাত্র বিজয় ও প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাভব, (৪) পৌষ্টিক প্রাচুর্য—গো, অশ্ব, ধনরত্ন ও অনুচর/অনুসারী, (৫) হরি (খয়েরি/পীতবর্ণ অশ্ব) দ্বারা দ্রুত আগমন ও বজ্রশক্তি, (৬) যথাযথ লিটুর্জিকাল ক্রমে প্রাতঃসোম-সেবাকে স্থিত ও সফল করা।
প্রধান বিষয়: বিজয়, রক্ষা এবং সোম-শক্তিতে উদ্দীপ্ত বীরবল জাগাতে ইন্দ্র-আহ্বান। উপ-বিষয়: (১) সোম-অর্ঘ্য ইন্দ্রের পুষ্টি ও শক্তিবর্ধন। (২) বাধা-ভেদন ও আবরণ-বিদারণ (বৃত্র/নমুচি/দস্যু-প্রসঙ্গ)। (৩) পক্ষপাতী রক্ষা: যজমান/পৃষ্ঠপোষকের পক্ষে ইন্দ্রের সহায়তা টেনে আনা এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে দূরে সরানো। (৪) সমবেত স্তোত্রে যুদ্ধভয়-নাশ ও রণসাফল্য। (৫) ইন্দ্রের অগ্রযাত্রায় দ্যৌ-পৃথিবী মহাজাগতিক সাক্ষী/সহায়। (৬) পিতৃগণের সঙ্গে যজ্ঞীয় ধারাবাহিকতা।
প্রধান বিষয়: ইন্দ্রীয় স্তোত্রে বিজয়—মন্ত্রকে কার্যকর শক্তি হিসেবে ধরে তা প্রতিপক্ষকে ভেঙে দেয় এবং দেবশক্তিকে ‘বাজ’ (জয়শক্তি), গবাদি-সম্পদ ও জনসমক্ষে খ্যাতিতে রূপান্তরিত করে। উপবিষয়: (১) শত্রুভঙ্গ ও বাধা-নিবারণ (বৃত্র/বিদ্বেষীদের দমন) (২) ধন পুনরুদ্ধার ও ধন আকর্ষণ (লুণ্ঠিত দ্রব্য, মূল্যবান বস্তু, গবাদি-ধন) (৩) রাজসার্বভৌমত্ব ও সামাজিক উত্থান (সম্রাটত্ব, শ্রবস্, বার্চস্) (৪) বিপদের মধ্য দিয়ে নিরাপদ অতিক্রম; প্রতিযোগিতায় রক্ষা (৫) সূর্যের দ্বারা অন্ধকারের প্রত্যাবর্তন ও আলো/শৃঙ্খলার পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
প্রধান বিষয়: সমৃদ্ধি ও সুরক্ষার স্তোত্র-লিতুর্গি হিসেবে ইন্দ্র-স্তুতি—সোমে উল্লসিত ইন্দ্রকে অপ্রতিরোধ্য বিজয়ী রূপে আহ্বান করা হয়; তিনি আহ্বানকারী গোষ্ঠীকে বাজ (প্রতিযোগিতায় পুরস্কার-জয়), ধন ও নিরাপত্তা দান করেন। উপ-বিষয়: (১) সোম—দৈব শক্তি ও যজ্ঞীয় কার্যকারিতার উদ্দীপক। (২) রণে/সমর্যে বাজ ও বিজয়—ধর্মীয় লক্ষ্য। (৩) রাজসার্বভৌমত্ব এবং দুর্গভেদী ‘পুরন্দর’ শক্তি—রক্ষার প্রতিমা। (৪) স্তোম/উক্থ/গীর—‘নিক্ষিপ্ত’ শক্তি, যা দেবতাকে অনুগ্রহে প্রবৃত্ত করে।
প্রধান ভাব: সোম-সমর্থিত স্তবের মাধ্যমে বিজয় (সাতি), রক্ষা ও সমৃদ্ধির জন্য ইন্দ্র-সূক্তচক্র। উপ-ভাব: (১) পৃথিবী–অন্তরীক্ষ–স্বর্গ—সব অঞ্চল/দিক থেকে ইন্দ্রকে আহ্বান করে সাফল্য নিশ্চিত করা। (২) পৌরাণিক দৃষ্টান্তকে বর্তমান রক্ষায় রূপ দিয়ে শত্রুদের কাঁপিয়ে তোলা। (৩) সোম-নিষ্পেষণ ও সমবেত স্তোত্রের আচার-কার্যকারিতাকে লাভ/বৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে স্থাপন। (৪) ঐশ্বর্য-প্রতীক: গবাদি পশু, অশ্ব, গৃহ-নিরাপত্তা, এবং বণ্টনযোগ্য দান/সমৃদ্ধি (গয়)। (৫) প্রতিযোগিতা/যুদ্ধে শত্রুভাষণ, নিন্দুক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রতিকার।
ইন্দ্র-কেন্দ্রিক বিজয়, খ্যাতি/প্রতিষ্ঠা (শ্রবস) ও সমৃদ্ধি—সোম-যুগীয় স্তোত্র-প্রশংসার দ্বারা নিশ্চিত। উপবিষয়: (১) বাধা অপসারণ এবং আটকে থাকা ধন মুক্ত হওয়া (গবাদি পশু, ঘোড়া, জল ইত্যাদি)। (২) বাক্-খ্যাতি ও সামাজিক দীপ্তি: ‘সুপ্রশংসিত/সুপরিচিত’ হওয়া। (৩) ক্রতু (প্রেরিত সংকল্প) ও সঠিকভাবে পরিচালিত শক্তি। (৪) ইন্দ্রের মহাজাগতিক অতুলনীয়তা—সাফল্যের ধর্মতাত্ত্বিক ভিত্তি। (৫) যথাযথ মাত্রা (মাত্রা), কার্যকর স্তোত্র (গিরঃ) ও সোম—ফলপ্রাপ্তির অনুঘটক। (৬) নৈতিক-যজ্ঞীয় স্থিতি: গ…
প্রধান ভাব: ইন্দ্র–বৃহস্পতির রক্ষা‑ও‑সমৃদ্ধির লিতুর্জি—ব্রহ্ম/মন্ত্রশক্তিতে সোমযাগ, সমাজ ও ধনের সুরক্ষা; বাধা‑বিপত্তি জয় করে কল্যাণ। উপভাব: (১) পেষিত সোমের কাছে ইন্দ্রকে আহ্বান (আ‑যাহি) এবং স্তোত্রশক্তিতে দ্রুত আগমন। (২) বৃত্র/বল‑ধাঁচের প্রতিবন্ধক ভেঙে দ্রব্য, গবাদি‑ধন ও ‘বরিবস্’ (প্রশস্ত অবকাশ/সুবিধা) মুক্ত করা। (৩) মানব/দৈত্য শত্রু শক্তির বিরুদ্ধে স্তরে‑স্তরে আশ্রয় ও সর্বদিক রক্ষা। (৪) বৃহস্পতি যাজ্ঞিক অভিভাবক: ঋত, গর্জন এবং শিলাসদৃশ দৃঢ় প্রতিরক্ষা।
প্রধান বিষয়: সোম-নিষ্পেষণের সময় ইন্দ্রের আহ্বান—রক্ষা, বিজয় ও কল্যাণের জন্য; এবং অগ্নিকে যজ্ঞের দীপ্তিমান দূত/বার্তাবাহক হিসেবে প্রতিষ্ঠা। উপ-বিষয়: (১) সোমশক্তিতে ইন্দ্রের যুদ্ধ-পরাক্রম বৃদ্ধি (বজ্র, বিজয়-প্রতীক)। (২) স্তোম (কুশলী স্তব) দ্বারা দেবতাকে জাগানো ও “নিকটে আনা”। (৩) শত্রুভাবাপন্ন, বাধাদানকারী এবং সামাজিকভাবে চিহ্নিত শত্রুদের (যেমন ব্রহ্মদ্বিষ্) বিরুদ্ধে সুরক্ষা। (৪) শ্রৌত-ধারার পাঠের ধারাবাহিকতা ও শুদ্ধতা (অথর্ববেদ ২০-এ ঋগ্বেদের পুনরাবৃত্তি)। (৫) অগ্নি দूत/হোতৃ এবং দীপ্ত অগ্রদূতরূপে কার্যকর।
ইন্দ্রকেন্দ্রিক বিজয়-লিতুর্জি: সোম ও স্তবের মাধ্যমে সার্বভৌম শক্তি (ইন্দ্রিয়, শুষ্ম, ক্রতু, মন্যু) আহ্বান করে বাধা ভেঙে জয় নিশ্চিত করা। উপবিষয়: (১) অগ্নি—রক্ষাকারী, সমৃদ্ধিদাতা, যজ্ঞের সূচনাকারী; (২) মন্যু (ক্রোধ)—প্রতিপক্ষ দমনে অভিষিক্ত শক্তি; (৩) বৃত্রবধ ও প্রতিবন্ধকতা (বৃত্র/রোধস) অপসারণ; (৪) যজমান/পৃষ্ঠপোষকের কাছে ওজস, নৃম্ণ ও সুবীর্য সঞ্চার; (৫) সোমোন্মাদ এবং ত্রিকদ্রুক/বিষূবৎ-প্রসারণ (প্রেসিং) প্রসঙ্গ।
প্রধান বিষয়: ইন্দ্র-আহ্বান—তাঁকে দ্রুত আগমনে প্ররোচিত করা, সোমের দ্বারা শক্তিসঞ্চার, এবং শক্তিশালী স্তোত্র-বাণীর মাধ্যমে বিজয় ও সমৃদ্ধি দান। উপবিষয়: (১) আহ্বান—যজমানের দিকে ইন্দ্রকে ফিরিয়ে দ্রুত আসতে বাধ্য করা। (২) সোমপানে ইন্দ্রের মদ (যুদ্ধোন্মাদনা) জাগ্রত হয়ে বৃত্র-বিধ্বংসী শক্তি প্রকাশ। (৩) পৌষ্টিক লক্ষ্য—গো, অশ্ব, স্বর্ণসদৃশ প্রাচুর্য, পুরস্কার ও অন্ন। (৪) ব্রহ্ম/স্তবের কার্যকর শক্তি—বৃষ্টির মতো কল্যাণের প্রবাহ উন্মুক্ত করা। (৫) বাসস্থানের নিরাপত্তা এবং সম্প্রদায়ের স্থিতি/মঙ্গল।
প্রধান বিষয়: প্রশস্তির মাধ্যমে রাজ-আচার্যের কার্যসিদ্ধি—ইন্দ্র ও সহায় শক্তিসমূহকে আহ্বান করে বিজয়, রক্ষা এবং সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করা। উপ-বিষয়: (১) ইন্দ্র-স্তোত্রের অপোত্রায়িক শক্তি—চার দিক থেকে শত্রুতা/বিরোধ তাড়িয়ে দেওয়া। (২) পৌষ্টিক সমৃদ্ধি—পোষণ, বৃদ্ধি এবং যজমান/পৃষ্ঠপোষকের সামাজিক উন্নতি। (৩) নারাশংসের মাধ্যমে দান ও খ্যাতির জনসমক্ষে বৈধতা/স্বীকৃতি। (৪) বৃক্ষ/বনস্পতির স্থিতি-চিত্র—রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্য অচলতা ও দৃঢ়তার প্রতীক। (৫) প্রতিসোর্য/প্রতিচার—জাদুটোনা ও শত্রু-প্রয়োগ ছত্রভঙ্গ/নিবারণ।
প্রধান বিষয়: দিক, বাক্শক্তি ও যথাসময়ে প্রাপ্ত দেবীয় সহায়তার নিয়ন্ত্রিত প্রয়োগের মাধ্যমে আচারগত সুরক্ষা এবং দৈনন্দিন কার্যসিদ্ধি। উপ-বিষয়: (১) দিক-শোধন ও সীমানির্ধারণ—চার দিক সাক্ষী/রক্ষক। (২) ধ্বনি-অনুষ্ঠান ও প্রকাশ্য পরিবেশনা—ঢোল, যুগ্ম-পাঠ, ‘স্থির থাকো’ ধরনের সূত্র। (৩) বাধা ভাঙা এবং শত্রু/অশুভ শক্তি তাড়ানো। (৪) ইন্দ্রীয় শক্তি—মন্ত্র বজ্রসম, এবং বৃষ্টির মতো বৃদ্ধি/সমৃদ্ধি। (৫) অশ্বিনীদ্বয়ের চিকিৎসা, উদ্ধার ও যজমান/আশ্রিতের প্রাণশক্তি ও আরোগ্য। (৬) উষা-সম্পর্কিত জাগরণ, নবসূচনা ও শুভ আরম্ভ।
প্রধান বিষয়: অশ্বিনদ্বয়ের আহ্বান—দ্রুত আগমন ও জীবন-পোষক সমৃদ্ধি (পৌষ্টিক স্তুতি)। উপ-বিষয়: (১) যুগল দিব্য চিকিৎসককে যজ্ঞকর্মে আহ্বান, (২) স্বর্ণময়, সুগতি রথের চিত্র—বেগ ও কার্যকারিতার প্রতীক, (৩) যজমানকে দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক সহায়তা, (৪) প্রাণশক্তি, কল্যাণ ও শুভ-সাফল্যের আশীর্বাদ। ব্যবহারিক লক্ষ্য: স্বাস্থ্য ও প্রাণবল বৃদ্ধির জন্য দ্রুত, কার্যকর সাহায্য লাভ এবং যজ্ঞ/উদ্যোগে শুভ গতি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রয়োগ।
Because it functions as a Soma-sacrifice liturgical collection, largely borrowing Rigveda Indra–Soma stutis where Indra is the paradigmatic victor who grants vāja, wealth, and protection when praised and exhilarated by Soma.
Bṛhaspati appears as priestly/brahmanic guardianship: his brahman-power protects the rite and community, helping Indra overcome obstruction and stabilize prosperity and safety.
No. While the Atharvaveda often includes bhaisajya and domestic rites, Kāṇḍa 20 is predominantly ‘other’ in character—Rigveda-derived Soma-sacrificial praise focused on victory, protection, and ritual success, with only a minor paustika accent (notably the Aśvins).
Read Atharva Veda in the Vedapath app
Scan the QR code to open this directly in the app, with word-by-word meanings, Sanskrit recitation where available, and more.