
Sanskrit Grammar
A concise grammar of Sanskrit covering sandhi, samasa, vibhakti, dhatu, pratyaya, and the essential rules of Paninian grammar.
Vyākaraṇa—Pratyāhāra System, Upadeśa Conventions, and Manuscript-Critical Notice (Agni Purana, Chapter 348)
এই অধ্যায়ের শুরুতে পাণ্ডুলিপি-সমালোচনার স্পষ্ট ঘোষণা আছে—আগের বিকৃত অংশকে প্রতিলিপি-দোষজনিত বলে বাতিল করা হয়, শাস্ত্রে শুদ্ধ সংরক্ষণ যে অপরিহার্য তা প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর স্কন্দ সংক্ষেপে ব্যাকরণ ব্যাখ্যা করেন—‘শব্দের প্রতিষ্ঠিত স্বরূপ’—কাত্যায়ন-পরম্পরানুগ এবং নবশিক্ষার্থীদের উপযোগী। ব্যাকরণ-কার্যে ব্যবহৃত সংজ্ঞা তুলে ধরে শিবসূত্র-ক্রম (‘অ ই উ ণ্ …’ থেকে ‘হ ল্’ পর্যন্ত) অবলম্বনে প্রত্যাহার-পদ্ধতি প্রধানভাবে বর্ণিত। উপদেশ-রীতি বলা হয়েছে—ধ্বনিকে ইট্-চিহ্নসহ নির্দেশ করা এবং বিধি-প্রয়োগে অনুনাসিকতা পরিহার করা। শেষে প্রত্যাহার-নির্বাচনের নিয়ম—আদি ধ্বনি ও অন্ত্য সূচক (ইট্) মিলিয়ে মধ্যবর্তী ধ্বনিসমূহের সমষ্টি বোঝায়, প্রত্যেকটি নিজ নিজ পরিসরে গ্রহণীয়। অগ্নিপুরাণের বিশ্বকোষীয় দৃষ্টিতে ব্যাকরণ বেদপাঠের শুদ্ধতা, যজ্ঞ-আচার-নির্ভুলতা ও অর্থব্যাখ্যার নির্ভরযোগ্যতার জন্য পবিত্র উপকরণ, যা ধর্ম ও মোক্ষলক্ষ্যের সঙ্গে যুক্ত।
Sandhi-siddha-rūpa (The Established Forms/Results of Sandhi)
এই অধ্যায়টি পূর্ববর্তী প্রত্যাহার-তালিকার পরেই শুরু হয়ে ধ্বনিগত সংক্ষিপ্ত সংকেত থেকে সরে এসে ‘সন্ধি-সিদ্ধ-রূপ’—অর্থাৎ সন্ধির স্থির/স্বীকৃত ফল—ব্যাখ্যা করে। স্কন্দ স্বর-সন্ধি উদাহরণনির্ভর সংক্ষিপ্ত রূপে (যেমন দণ্ডাগ্রমম্, সাগতাঃ, দধীদম্, নদীহতে, মধূদকম্) দেখিয়ে বলেন যে প্রামাণ্য ফল লক্ষ্য করেই সঠিক উৎপত্তি শেখা উচিত। পরে যজ্ঞীয় উচ্চারণ ও বর্ণ-নির্দেশ (ḹ-এর উল্লেখসহ), সমার্থক/বিকল্প যুগল, এবং নির্দেশক সন্ধি (ত + ইহ → তয়ীহ) আলোচিত হয়। এরপর ব্যঞ্জন-সন্ধি ও বিসর্গজাত পরিবর্তন ‘ভবাঞ্ চেতে/ভবাঞ্ চ শেতে/ভবাঞ্ শেতে’ প্রভৃতি বাক্যশ্রেণি সহ দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে মসৃণতা, সামঞ্জস্য ও কঠোর সংযোগ পরিহারের ভাষাতত্ত্ব তুলে ধরে ব্যাকরণশুদ্ধিকে ধর্মজীবনের সংযত বাক্প্রয়োগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
Forms Established by the suP (Nominal Case-Endings) — सुब्विभक्तसिद्धरूपम्
এই অধ্যায়ে সন্ধিজাত রূপের পর নামপদের বিভক্তির আলোচনা শুরু হয়। স্কন্দ কাত্যায়নকে দুই প্রত্যয়-ব্যবস্থা শেখান—নামপদের জন্য ‘সুপ্’ এবং ক্রিয়ার জন্য ‘তিঙ্’; ‘সুপ্’কেই সাত বিভক্তির ভিত্তি বলা হয়েছে। প্রতিটি বিভক্তির সুপ্-প্রত্যয়সমূহ তালিকাভুক্ত করে তা ‘প্রাতিপদিক’ ধারণায় স্থাপন করা হয়—যে নামমূল ধাতু ও তিঙ্-জাত ক্রিয়াপ্রত্যয়বর্জিত। প্রাতিপদিককে অজন্ত/হলন্ত এবং পুং/স্ত্রী/নপুংসক লিঙ্গভেদে শ্রেণিবদ্ধ করে ‘নায়ক’ প্রভৃতি উদাহরণ-শব্দ, বহু বৈদিক ও অনিয়মিত রূপও উল্লেখিত। কারক-অর্থে বিভক্তির সেতুবন্ধন করা হয়েছে—প্রথমা স্বার্থ ও সম্বোধন, দ্বিতীয়া কর্ম, তৃতীয়া করণ, চতুর্থী সম্প্রদান, পঞ্চমী অপাদান, ষষ্ঠী স্বামিত্ব, সপ্তমী অধিকরণ। শেষভাগে সখা, পতি, পিতা, গৌঃ, রাজা, পন্থা এবং ক/অয়ম্/অসৌ প্রভৃতি সর্বনামের রূপপাঠ, নিয়ম-ব্যতিক্রম ও শিষ্ট-যজ্ঞীয় প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
स्त्रीलिङ्गशब्दसिद्धरूपम् (The Established Forms of Feminine Nouns)
ব্যাকরণধারায় পুংলিঙ্গ রূপসমাপ্তির পর স্কন্দ সংক্ষিপ্ত, আবৃত্তিযোগ্য ভঙ্গিতে স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ-সিদ্ধ রূপগুলি উপস্থাপন করেন। প্রথমে ‘রামা’ (আকারান্ত) ধাঁচে বিভক্তির রূপ, তারপর ‘নদী’ প্রভৃতি ঈকারান্ত, ‘শ্রী’ ও ‘স্ত্রী’ ইত্যাদি সম্মানসূচক/প্রচলিত বিকল্পসহ শব্দ, এবং বাক্, শ্রগ্, দ্যৌঃ, সমিত্, দৃশৎ প্রভৃতি ব্যঞ্জনান্ত বিশেষ শব্দের রূপ দেওয়া হয়েছে। ‘অসৌ/অমূ’ ধারার সর্বনামিক-নির্দেশক রূপও উল্লেখিত, এবং শ্রীয়ৈ/শ্রীয়ে, ভবতী→ভবন্ত্য ইত্যাদি বৈধ বিকল্পের কথাও বলা হয়েছে। স্মরণশৈলীর নির্দিষ্ট তালিকায় শুদ্ধ ব্যবহার, ভাষ্যপাঠ ও আচারভাষার বিশ্বস্ততা রক্ষায় আগ্নেয় বিদ্যার ব্যাকরণ-পুরাণসমন্বয় প্রকাশ পায়।
Chapter 352 — Established Forms of Feminine-Gender Words (Strīliṅga-śabda-siddha-rūpa)
এই অধ্যায়টি ব্যাকরণ-খণ্ডে স্ত্রীলিঙ্গ শব্দের সিদ্ধ (প্রতিষ্ঠিত) রূপগুলির আলোচনা সমাপ্ত করে এবং নপুংসকলিঙ্গের ধারা শুরু হওয়ার আগে একটি সংকলন-পর্ব হিসেবে দাঁড়ায়। আগ্নেয় বিদ্যার পবিত্র উপদেশধারায় এই সমাপ্তি পাঠ, শিক্ষা ও যজ্ঞীয় বাক্যে শুদ্ধ প্রয়োগ স্থির করার জন্য। শিরোনাম অনুযায়ী এখানে তত্ত্বকল্পনা নয়, কর্তৃত্বপূর্ণ ও মুখস্থযোগ্য সিদ্ধ-রূপই মুখ্য। এটি পুরাণের বিশ্বকোষীয় পদ্ধতি নির্দেশ করে, যেখানে ব্যাকরণশুদ্ধিকে অর্থরক্ষাকারী ধর্মীয় নিরাপত্তা হিসেবে মানা হয়েছে।
Chapter 353: कारकं (Kāraka — Syntactic Relations) with Vibhakti-Artha (Case-Meaning Integration)
নপুংসকলিঙ্গ রূপের পর এই অধ্যায়ে সুকন্দ প্রতিশ্রুতি দেন যে বিভক্তির অর্থসহ কারক ব্যাখ্যা করবেন। কর্তা স্বতন্ত্র—এ কথা নিরূপণ করে প্রেরক-कर्तৃত্বের ভেদ দেখানো হয়েছে। কর্তা পাঁচপ্রকার ও কর্ম সাতপ্রকার; উদাহরণে শ্রীসহ বিষ্ণুকে প্রণাম, হরির মঙ্গলার্থে পূজা, এবং বিষ্ণু-নমস্কারে মোক্ষ—এমন বৈষ্ণব-ভাবপূর্ণ দৃষ্টান্ত আছে। এরপর করণ, সম্প্রদান, অপাদান ও অধিকরণ কারককে বিভক্তি-প্রয়োগের সঙ্গে মিলিয়ে বিশেষ নির্মাণও বলা হয়েছে—কর্মপ্রবচনীয়ের সঙ্গে দ্বিতীয়া, ‘নমঃ/স্বাহা’ ইত্যাদির সঙ্গে চতুর্থী, এবং অনভিহিত প্রসঙ্গে তৃতীয়া ও ষষ্ঠী। বৈষয়িক ও সামীপ্যক দোষ, প্রচলিত লোকেটিভ, ষষ্ঠীর ব্যবহার এবং কিছু তদ্ধিত-রূপে ষষ্ঠী নিষেধও উল্লিখিত। সমগ্র ব্যাকরণকে অগ্নেয় বিদ্যা রূপে ধর্ম, বিধিবাক্যের স্পষ্টতা ও ভক্তিনির্ভর অর্থপ্রকাশের সহায়ক বলা হয়েছে।
Kāraka (Case-relations) — Chapter Colophon and Transition
এই অংশে অগ্নিপুরাণের ব্যাকরণ-পর্বে ‘কারক’ বিষয়ের সমাপ্তি-চিহ্ন দেওয়া হয়েছে; কলোফনে কারকাধ্যায় সম্পূর্ণ হওয়ার ঘোষণা আছে। ব্যাকরণকে এমন এক বিধিবদ্ধ বিদ্যা বলা হয়েছে যা যজ্ঞকর্ম, বিচার-ব্যবহার ও শাস্ত্রব্যাখ্যায় অর্থরক্ষা করে ধর্মকে সহায়তা করে। সমাপ্তির পরেই গ্রন্থ ‘সমাস’ অধ্যায়ে অগ্রসর হয়—কারক-সম্পর্ক থেকে সমাসের মাধ্যমে রূপ-অর্থের সংক্ষেপে নিয়মিত অগ্রগতি, অগ্নেয় শিক্ষার ধারায়, নির্দেশিত হয়।
Chapter 355 — Samāsa (Compounds): Colophon and Transition to Taddhita
এই অধ্যায়টি সমাস-প্রকরণের সমাপ্তি-কলফন হিসেবে উপস্থাপিত, যার দ্বারা অগ্নিপুরাণের ব্যাকরণ-অংশে সমাসবিচারের পরিসমাপ্তি নির্দেশিত হয়। সমাসে যেখানে বাক্যসংযোজনে অর্থ সংক্ষিপ্ত হয়, সেখানে পরবর্তী তদ্ধিত-প্রকরণে প্রত্যয়জাত ব্যুৎপত্তির মাধ্যমে অর্থের বিস্তার ঘটে—এটি শাস্ত্রীয় শিক্ষাক্রমের ইঙ্গিত। আগ্নেয় বিদ্যার পরিপ্রেক্ষিতে এই ভাষাগত বিন্যাস কেবল পাণ্ডিত্য নয়; ধর্মগ্রন্থের যথার্থ বোধ এবং যজ্ঞ ও উপদেশে শুদ্ধ উচ্চারণ-শৃঙ্খলা রক্ষা করে। এই সংক্রমণ সমাস-মডিউল বন্ধ করে তদ্ধিতের দ্বার খুলে দেয়, এবং বশিষ্ঠের প্রতি অগ্নিদেবের বিশ্বকোষীয় উপদেশে পাঠ্যক্রমসদৃশ প্রবাহ বজায় রাখে।
Forms Accomplished by Unādi (affixes) — उणादिसिद्धरूपम्
ব্যাকরণের পাঠক্রমে এই অধ্যায়ে তদ্ধিতের পর উণাদি-প্রত্যয়ের আলোচনা আসে—ধাতুর পরে যুক্ত বিশেষ প্রত্যয়, যেগুলি থেকে প্রচলিত শব্দরূপ সিদ্ধ হয়। কুমারের উপদেশধর্মী ভঙ্গিতে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, যেমন উণি-প্রত্যয়ে ‘কারু’ (কারিগর)। এরপর বৈদিক ব্যবহারে ‘বহুল’ভাবে পাওয়া উণাদি-সিদ্ধ বা প্রথাগত শব্দগুলির নৈঘণ্টু-ধাঁচের তালিকা বিস্তৃত হয়। এক স্থানে পাঠভেদের উল্লেখ করে বিভিন্ন পাঠপরম্পরার ভিন্নতা জানানো হয়েছে। পশু, আত্মীয়তা, স্থান, বস্তু ও ভাবগুণাদি শব্দরূপ দিয়ে যজ্ঞ, অধ্যয়ন ও শাসনে শুদ্ধ ভাষার মাধ্যমে ধর্মসাধনে এই জ্ঞান সহায়ক।
Tिङ्विभक्तिसिद्धरूपम् (Established Forms of Tiṅ-Inflections)
এই অধ্যায়ে পুরাণীয় বিশ্বকোষ-ধারার মধ্যে সংক্ষিপ্ত ব্যাকরণ-প্রকরণ হিসেবে তিঙ্-প্রত্যয় (ক্রিয়ার পুরুষ-সংখ্যা-প্রত্যয়) ও তার ভাব, কর্ম ও কর্তৃ-প্রয়োগে ব্যবহার ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পূর্ববর্তী উণাদি প্রসঙ্গে পাঠ-বিচ্ছেদের ইঙ্গিত দিয়ে লকারগুলির অর্থক্ষেত্র ধারাবাহিকভাবে বলা হয়—লট্ বর্তমান, লিঙ্ বিধি/আশীর্বাদ, লোট্ আদেশ/আশীষ, লঙ্ দূর অতীত, লুঙ্ ও লিট্ অতীত (লিট্-এ পরোক্ষ/অদৃষ্ট বিশেষ), এবং লুট্/লৃঙ্ ভবিষ্যৎ। পরস্মৈপদ-আত্মনেপদ ভেদসহ পুরুষ-প্রত্যয়ের তালিকা দিয়ে ভূ ও এধ্ প্রভৃতি ধাতুতে রূপ দেখানো হয়েছে; অন্যান্য ধাতুগুচ্ছ ও বিকরণ-টীকা আছে। শেষে সন্ (ইচ্ছার্থ), ণিচ্ (প্রেরণার্থ), যঙ্ (আবৃত্তি) ও যঙ্-লুক্ রূপগুলি উদাহরণ ও ‘রূপক’ নমুনায় সংযুক্ত করে বোঝানো হয়েছে।
Chapter 358 — कृत्सिद्धरूपम् (The Established Forms of Kṛt: Primary Nominal Derivatives)
ব্যাকরণ-পাঠক্রমে তিঙ্-সিদ্ধরূপের পর এই অধ্যায়ে কৃত্-সিদ্ধরূপ আলোচিত। কুমার দেখান, কৃত্-প্রত্যয়ে ভাব (ক্রিয়া/অবস্থা), কর্ম (বস্তু) ও কর্তা (এজেন্ট)—এই তিন অর্থক্ষেত্রে বিশেষ্য ও কৃদন্ত কীভাবে গঠিত হয়। ল্যুট্/ক্তিন্/ঘঞ্ ভাববাচক; ক্ত-জাতীয় কৃদন্ত প্রধানত কর্তৃবাচক হলেও কখনও ভাব বা কর্মও বোঝায়; শতৃ/শানচ, বুণ্/তৃচ ইত্যাদি অংশগ্রাহী ও কর্তৃবাচক গঠন নির্দেশিত। ক্বিপ্-উৎপন্ন রূপ (যেমন স্বয়ম্ভূ), লিট্-সম্পর্কিত কৃত্-রীতি (ক্বন্সু/কান) এবং ছন্দসে বহুল উণাদি-ব্যুৎপত্তিও বিশেষভাবে উল্লেখিত। ‘প্রত্যয়–অর্থ–উদাহরণ’ বিন্যাসে অধ্যায়টি জানায়, ব্যাকরণশাস্ত্র যথার্থ বোধ ও ধর্মসম্মত ভাষার জন্য প্রকাশিত সহায়।
Kṛt-siddha-rūpa (Completed Derivative Forms) — Conclusion
এই সমাপ্তি-চিহ্ন কৃত্-প্রত্যয়জাত রূপসম্বন্ধীয় পূর্ববর্তী ব্যাকরণ-অংশকে সিলমোহর দেয় এবং ‘সিদ্ধ’ অর্থাৎ প্রতিষ্ঠিত রূপফলের পূর্ণতা নির্দেশ করে। অগ্নি পুরাণের ব্যাকরণ-শিক্ষায় এমন সমাপ্তি পাঠ-সংযোগের কাজ করে—শব্দগঠন-নিয়ম থেকে শিক্ষার্থীকে শব্দকোষীয় প্রয়োগ ও শ্রেণিবিভাগে নিয়ে যায়। অধ্যায়ান্ত কলফন বসিষ্ঠের প্রতি অগ্নির উপদেশের সংলাপগত প্রামাণ্য পুনর্দৃঢ় করে এবং পরবর্তী অধ্যায়ের লিঙ্গ, পর্যায় ও নানার্থসহ শব্দগুচ্ছের নিয়মিত তালিকাভুক্তির জন্য পাঠককে প্রস্তুত করে।