
Rishi: Atharvanic tradition (maṇi-hymn stratum; specific r̥ṣi varies by anukramaṇī).
Devata: Maṇi (amulet as personified protective power); implicit ojas.
Chandas: Anuṣṭubh (compact, performative)
অথর্ববেদ ১০.৬ একটি মণি-সূক্ত, যেখানে রক্ষাকারী রত্ন/তাবিজ বাঁধার (ধারণ করানোর) সংস্কারকে অভিষিক্ত করা হয়। এখানে মণিকে জীবন্ত শক্তি হিসেবে ধরা হয়েছে, যা ধারকের ওজস্ (জীবনীশক্তি) ও বর্চস্ (দীপ্ত মর্যাদা/প্রতাপ) রক্ষা করে। সমৃদ্ধি এবং ইন্দ্রিয়বল (শ্রবণ, দৃষ্টি) বৃদ্ধির পাশাপাশি এতে অভিচারিক প্রান্তও আছে: মন্ত্রশক্তি আচারগতভাবে প্রতিদ্বন্দ্বীর শত্রুভাবাপন্ন ‘শীর্ষত্ব’/কর্তৃত্বকে কেটে ফেলে এবং ঘৃণা/বিদ্বেষকে ফিরিয়ে দেয়। সূক্তের পরিণতিতে মণি-শক্তিকে গৃহ্য অগ্নিহোত্র/আহুতির সঙ্গে যুক্ত করা হয়, যাতে অগ্নির গ্রহণের দ্বারা রক্ষা ও বৃদ্ধি সিলমোহর পায়।
Mantra 1
मणिबन्धनम्। अ॒रा॒ती॒योर्भ्रातृ॑व्यस्य दु॒र्हार्दो॑ द्विष॒तः शिरः॑ । अपि॑ वृश्चा॒म्योज॑सा
মণির বন্ধন। শত্রুভাবাপন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী, দ্বেষীর সেই মস্তক—যা ধরা দুষ্কর, দুর্ধর—আমি আমার ওজস্ (বল) দিয়ে কেটে ফেলি।
Mantra 2
वर्म॒ मह्य॑म॒यं म॒णिः फाला॑ज्जा॒तः क॑रिष्यति । पू॒र्णो म॒न्थेन॒ माग॑म॒द् रसे॑न स॒ह वर्च॑सा
লাঙলের ফলা থেকে জন্ম নেওয়া এই মণি আমার জন্য কবচ হোক। মথনে পরিপূর্ণ হয়ে, রস ও তেজ (বর্চস্) সহ এটি যেন আমার থেকে দূরে না যায়।
Mantra 3
यत् त्वा॑ शि॒क्वः प॒राव॑धी॒त् तक्षा॒ हस्ते॑न॒ वास्या॑ । आप॑स्त्वा॒ तस्म॑ज्जीव॒लाः पु॒नन्तु॒ शुच॑यः॒ शुचि॑म्
কারিগর যে আঘাত তোমাকে দিয়েছে, ছুতোর যে হাত ও বাস্যা (কুঠার/অ্যাড্জ) দিয়ে আঘাত করেছে—সেখান থেকে জীবনদায়িনী আপঃ (জল) তোমাকে শুদ্ধ করুক; শুচি (পবিত্র) জল তোমাকে পবিত্রতায় শুদ্ধ করুক।
Mantra 4
हिर॑ण्यस्रग॒यं म॒णिः श्र॒द्धां य॒ज्ञं महो॒ दध॑त्। गृ॒हे व॑सतु॒ नोऽति॑थिः
স্বর্ণমালায় ভূষিত এই মণি শ্রদ্ধা, যজ্ঞ ও মহত্ত্ব দান করে। এটি আমাদের গৃহে মান্য অতিথি হয়ে বাস করুক।
Mantra 5
तस्मै॑ घृ॒तं सुरां॒ मध्वन्न॑मन्नं क्षदामहे । स नः॑ पि॒तेव॑ पु॒त्रेभ्यः॒ श्रेयः॑श्रेयश्चिकित्सतु॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्वो॑ दे॒वेभ्यो॒ म॒णिरेत्य॑
তাঁর জন্য আমরা ঘৃত, সুরা, মধু ও অন্ন—হ্যাঁ, প্রচুর অন্ন—অর্পণ করি। তিনি পিতার মতো আমাদের পুত্রদের জন্য কল্যাণকে ক্রমে ক্রমে আরও উত্তম করে জানুন ও সাধন করুন; বারবার, দিন-দিন। দেবগণ থেকে এই মণি (তাবিজ) অগ্রসর হয়।
Mantra 6
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्म॒णिं फालं॑ घृत॒श्चुत॑मु॒ग्रं ख॑दि॒रमोज॑से । तम॒ग्निः प्रत्य॑मुञ्चत॒ सो अ॑स्मै दुह॒ आज्यं॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণিটি বৃহস্পতির দ্বারা বাঁধা হয়েছিল—লাঙলের ফাল, ঘৃত-ঝরা, উগ্র, খদির-কাঠের, বলের জন্য—তাকে অগ্নি পাল্টা করে ফিরিয়ে দিলেন; আর তা তার জন্য ঘৃত দোহন করে, বারবার, দিন-দিন। সেই দিয়েই তুমি বিদ্বেষীদের আঘাত করে নাশ করো।
Mantra 7
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्म॒णिं फालं॑ घृत॒श्चुत॑मु॒ग्रं ख॑दि॒रमोज॑से । तमिन्द्रः॒ प्रत्य॑मुञ्च॒तौज॑से वी॒र्याऽय॒ कम्। सो अ॑स्मै॒ बल॒मिद् दु॑हे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি বृहস্পতি বেঁধেছিলেন—এক ফাল (পট্টিকা), ঘৃত-ঝরা, উগ্র, খদির-কাষ্ঠের—ওজস্ (প্রাণবল) লাভের জন্য; সেই মণিটিই ইন্দ্র প্রত্যুত্তরে খুলে দিলেন—ওজসের জন্য, বীর্য (পরাক্রম) লাভের জন্য, তার জন্য। তা তাকে বল সত্যই দোহন করে, বারংবার, দিন-দিন। সেই দিয়েই তুমি দ্বেষীদের আঘাত করো/বধ করো।
Mantra 8
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्म॒णिं फालं॑ घृत॒श्चुत॑मु॒ग्रं ख॑दि॒रमोज॑से । तं सोमः॒ प्रत्य॑मुञ्चत म॒हे श्रोत्रा॑य॒ चक्ष॑से । सो अ॑स्मै॒ वर्च॒ इद् दु॑हे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি বृहস্পতি বেঁধেছিলেন—এক ফাল (পট্টিকা), ঘৃত-ঝরা, উগ্র, খদির-কাষ্ঠের—ওজস্ (প্রাণবল) লাভের জন্য; সেই মণিটিই সোম প্রত্যুত্তরে খুলে দিলেন—মহৎ শ্রোত্র (শ্রবণশক্তি) এবং চক্ষু (দৃষ্টি) লাভের জন্য। তা তাকে বর্চস্ (তেজ) সত্যই দোহন করে, বারংবার, দিন-দিন। সেই দিয়েই তুমি দ্বেষীদের আঘাত করো/বধ করো।
Mantra 9
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्म॒णिं फालं॑ घृत॒श्चुत॑मु॒ग्रं ख॑दि॒रमोज॑से । तं सूर्यः॒ प्रत्य॑मुञ्चत॒ तेने॒मा अ॑जय॒द् दिशः॑ । सो अ॑स्मै॒ भूति॒मिद् दु॑हे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি-তাবিজটি বৃহস্পতিঃ বলের জন্য বেঁধেছিলেন—ফলক-রূপ, ঘৃত-ঝরা, উগ্র, খদির-কাষ্ঠের—তাই সূর্য প্রতিদানে খুলে দিলেন; সেই দ্বারা তিনি এই দিকসমূহ জয় করলেন। তা তাকে নিশ্চয়ই ভূতি/সমৃদ্ধি দোহন করে—বারংবার, দিন-দিন; সেই দিয়েই তুমি দ্বেষীদের সংহার করো।
Mantra 10
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्म॒णिं फालं॑ घृत॒श्चुत॑मु॒ग्रं ख॑दि॒रमोज॑से । तं बिभ्र॑च्च॒न्द्रमा॑ म॒णिमसु॑राणां॒ पुरो॑ऽजयद् दान॒वानां॑ हिर॒ण्ययीः॑ । सो अ॑स्मै॒ श्रिय॒मिद् दु॑हे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वः॒श्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি-তাবিজটি বৃহস্পতিঃ বলের জন্য বেঁধেছিলেন—ফলক-রূপ, ঘৃত-ঝরা, উগ্র, খদির-কাষ্ঠের—সেই মণি ধারণ করে চন্দ্রमा অসুরদের দুর্গসমূহ, আর দানবদের স্বর্ণময় (দুর্গসমূহ) জয় করলেন। তা তাকে নিশ্চয়ই শ্রী (লক্ষ্মী/ঐশ্বর্য) দোহন করে—বারংবার, দিন-দিন; সেই দিয়েই তুমি দ্বেষীদের সংহার করো।
Mantra 11
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॒र्वाता॑य म॒णिमा॒शवे॑ । सो अ॑स्मै वा॒जिन॑ दुहे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি-তাবিজটি বৃহস্পতিঃ বায়ু (বাত)-এর জন্য—যিনি দ্রুতগামী—বেঁধেছিলেন, তা তাকে বিজয়ী শক্তি দোহন করে—বারংবার, দিন-দিন; সেই দিয়েই তুমি দ্বেষীদের সংহার করো।
Mantra 12
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॒र्वाता॑य म॒णिमा॒शवे॑ । तेने॒मां म॒णिना॑ कृ॒षिम॒श्विना॑व॒भि र॑क्षतः । स भि॒षग्भ्यां॒ महो॑ दुहे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি বৃহস্পতী বায়ু (দ্রুতগামী) জন্য বেঁধে দিয়েছিলেন—সেই মণি দিয়ে অশ্বিনদ্বয় এই কর্ষণ (চাষ) রক্ষা করেছিলেন। সেই মণি দুই ভিষক (চিকিৎসক) দেবতার দ্বারা মহালাভ বারবার, দিন-দিন দোহন করে; সেই মণি দিয়ে তুমি বিদ্বেষীদের আঘাত করো।
Mantra 13
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॒र्वाता॑य म॒णिमा॒शवे॑ । तं बिभ्र॑त् सवि॒ता म॒णिं तेने॒दम॑जय॒त् स्वः । सो अ॑स्मै सू॒नृतां॑ दुहे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি বৃহস্পতিঃ দ্রুতগামী বাত (বায়ু)-এর জন্য বেঁধে দিয়েছিলেন—সেই মণি ধারণ করে সবিতা এই সব, এমনকি স্বঃ (স্বর্গলোক) পর্যন্ত, জয় করেছিলেন। সে মণি তাকে দিন-দিন, বারংবার, সুনৃতা—মধুর ও সত্যময় বাক্য—দোহন করে দেয়; সেই মণি দিয়েই তুমি দ্বেষীদের বিনাশ কর।
Mantra 14
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॒र्वाता॑य म॒णिमा॒शवे॑ । तमापो॒ बिभ्र॑तीर्म॒णिं सदा॑ धाव॒न्त्यक्षि॑ताः । स आ॑भ्यो॒ऽमृत॒मिद् दु॑हे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি বৃহস্পতিঃ দ্রুতগামী বাত (বায়ু)-এর জন্য বেঁধে দিয়েছিলেন—সেই মণি ধারণ করে আপঃ (জলদেবতাগণ) অক্ষয় হয়ে সদা প্রবাহিত হয়। সে মণি তাদের থেকেই তাকে অমৃতত্বই দোহন করে দেয়, দিন-দিন, বারংবার; সেই মণি দিয়েই তুমি দ্বেষীদের বিনাশ কর।
Mantra 15
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॒र्वाता॑य म॒णिमा॒शवे॑ ।तं राजा॒ वरु॑णो म॒णिं प्रत्य॑मुञ्चत शं॒भुव॑म्। सो अ॑स्मै स॒त्यमिद् दु॑हे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি বৃহস্পতিঃ দ্রুতগামী বাত (বায়ু)-এর জন্য বেঁধে দিয়েছিলেন—সেই কল্যাণকর মণি রাজা বরুণ যথাবিধি স্থাপন করেছিলেন। সে মণি তাকে দিন-দিন, বারংবার, সত্যই দোহন করে দেয়; সেই মণি দিয়েই তুমি দ্বেষীদের বিনাশ কর।
Mantra 16
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॒र्वाता॑य म॒णिमा॒शवे॑ । तं दे॒वा बिभ्र॑तो म॒णिं सर्वां॑ल्लो॒कान् यु॒धाज॑यन्। स ए॑भ्यो॒ जिति॒मिद् दु॑हे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যে মণি বৃহস্পতিঃ দ্রুতগামী বাতের জন্য বেঁধে দিয়েছিলেন—সেই মণি ধারণ করে দেবগণ যুদ্ধের দ্বারা সকল লোক জয় করেছিলেন। সেই মণি তাদের জন্য বিজয়কে বারংবার, প্রতিদিন দোহন করে দেয়; সেই মণি দিয়েই তুমি দ্বেষীদের সংহার কর।
Mantra 17
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॒र्वाता॑य म॒णिमा॒शवे॑ । तमि॒मं दे॒वता॑ म॒णिं प्रत्य॑मुञ्चन्त शं॒भुव॑म्। स आ॑भ्यो॒ विश्व॒मिद् दु॑हे॒ भूयो॑भूयः॒ श्वःश्व॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
যাকে বৃহস্পতী বায়ুর জন্য বেঁধে দিয়েছিলেন—সে দ্রুত-কার্যকর মণি (তাবিজ)। সেই কল্যাণকারী মণিটিকেই দেবতারা প্রত্যামুঞ্চন (প্রতিবন্ধ/প্রতিসংযোজন) করে বেঁধে দিয়েছেন। সে এদের থেকেই নিশ্চয়ই সমস্ত মঙ্গল দোহন করে—বারংবার, দিন-দিন; সেই দিয়েই তুমি বিদ্বেষীদের আঘাতে নিপাত করো।
Mantra 18
ऋ॒तव॒स्तम॑बध्नतार्त॒वास्तम॑बध्नत । सं॒व॒त्स॒रस्तं ब॒द्ध्वा सर्वं॑ भू॒तं वि र॑क्षति
ঋতুগণ তাকে বেঁধে দেয়; ঋতুশক্তিগণ তাকে বেঁধে দেয়। সংবৎসর (বর্ষ) তাকে দৃঢ়ভাবে বেঁধে সমস্ত জীবকে পৃথকভাবে ও সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করে।
Mantra 19
अ॒न्त॒र्दे॒शा अ॑बध्नत प्र॒दिश॒स्तम॑बध्नत । प्र॒जाप॑तिसृष्टो म॒णिर्द्वि॑ष॒तो मेऽध॑राँ अकः
অন্তর্দেশ (মধ্য-অঞ্চল) তাকে বেঁধে দেয়; দিকসমূহ সেই মণি-তাবিজকে বেঁধে দেয়। প্রজাপতি-সৃষ্ট মণি আমার দ্বেষীদের নিচে, অধঃ করে দিয়েছে।
Mantra 20
अथ॑र्वाणो अबध्नताथर्व॒णा अ॑बध्नत । तौर्मे॒दिनो॒ अङ्गि॑रसो॒ दस्यू॑नां बिभिदुः॒ पुर॒स्तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
অথর্বণগণ তাকে বেঁধে দিলেন; অথর্বণের দ্বারাই তা বাঁধা হল। তৌর্মেদিন অঙ্গিরসগণ দস্যুদের দুর্গ ভেঙে দিলেন; সেই শক্তিতেই তুমি দ্বেষীদের আঘাত করো, তাদের পতিত করো।
Mantra 21
तं धा॒ता प्रत्य॑मुञ्चत॒ स भू॒तं व्यऽकल्पयत्। तेन॒ त्वं द्वि॑ष॒तो ज॑हि
ধাতা (বিধাতা) সেই তাবিজটিকে প্রতিকূল দিকে বেঁধে দিলেন; আর তিনি ভুত-জগতকে সুসংবদ্ধ করে স্থাপন করলেন। সেই শক্তিতেই তুমি বিদ্বেষীদের নিপাত করো।
Mantra 22
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्दे॒वेभ्यो॒ असु॑रक्षितिम्। स मा॒यं म॒णिराग॑म॒द् रसे॑न स॒ह वर्च॑सा
যাকে বৃহস্পতি দেবগণের জন্য বেঁধেছিলেন—অসুরের দুর্গ-রক্ষা (দৃঢ় দুর্গ) জয় করার জন্য—সেই মণি এখানে এসে পৌঁছেছে; রসসহ, এবং তেজ/বর্চসসহ, তার আশ্চর্য শক্তি নিয়ে।
Mantra 23
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्दे॒वेभ्यो॒ असु॑रक्षितिम्। स मा॒यं म॒णिराग॑मत् स॒ह गोभि॑रजा॒विभि॒रन्ने॑न प्र॒जया॑ स॒ह
যাকে বৃহস্পতি দেবগণের জন্য (অসুরের) দুর্গ-রক্ষা/দৃঢ় ঘাঁটি জয়ের উদ্দেশ্যে বেঁধেছিলেন—সেই এই মণি তার মায়াশক্তি সহ এখানে এসে উপস্থিত হয়েছে; গাভীর সঙ্গে, ছাগল ও ভেড়ার সঙ্গে, অন্নের সঙ্গে, এবং প্রজা (সন্তান)-সহ।
Mantra 24
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्दे॒वेभ्यो॒ असु॑रक्षितिम्। स मा॒यं म॒णिराग॑मत् स॒ह व्री॑हिय॒वाभ्यां॒ मह॑सा॒ भूत्या॑ स॒ह
যাকে বৃহস্পতি দেবগণের জন্য (অসুরের) দুর্গ-রক্ষা/দৃঢ় ঘাঁটি জয়ের উদ্দেশ্যে বেঁধেছিলেন—সেই এই মণি তার মায়াশক্তি সহ এখানে এসেছে; ধান (ব্রীহি) ও যব (যব)-সহ, মহিমা-সহ, এবং সমৃদ্ধি-কল্যাণ (ভূতি)-সহ।
Mantra 25
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्दे॒वेभ्यो॒ असु॑रक्षितिम्। स मा॒यं म॒णिराग॑म॒न्मधो॑र्घृ॒तस्य॒ धार॑या की॒लाले॑न म॒णिः स॒ह
যাকে বৃহস্পতি দেবগণের জন্য (অসুরের) দুর্গ-রক্ষা/দৃঢ় ঘাঁটি জয়ের উদ্দেশ্যে বেঁধেছিলেন—সেই এই মণি তার মায়াশক্তি সহ এখানে এসেছে; মধু-সহ, ঘৃতের ধারার সঙ্গে, এবং কীলাল (kīlāla)-সহ—মণি নিজেই সহচর হয়ে আছে।
Mantra 26
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्दे॒वेभ्यो॑ असु॑रक्षितिम्। स मा॒यं म॒णिराग॑मदू॒र्जया॒ पय॑सा स॒ह द्रवि॑णेन श्रि॒या स॒ह
যে অসুর-রক্ষিত দুর্গ (দৃঢ় আশ্রয়) জয়ের জন্য বৃহস্পতি দেবগণের পক্ষে বেঁধেছিলেন—সেই মণি তার মায়াশক্তি নিয়ে এখানে এসেছে; ঊর্জা-সহ, পয়স্ (দুধ/রস)-সহ, দ্রবিণ (ধন)-সহ, এবং শ্রী (সমৃদ্ধি-লক্ষ্মী)-সহ।
Mantra 27
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्दे॒वेभ्यो॑ असु॑रक्षितिम्। स मा॒यं म॒णिराग॑म॒त् तेज॑सा॒ त्विष्या॑ स॒ह यश॑सा की॒र्त्याऽ स॒ह
যাকে বৃহস্পতি দেবগণের জন্য দৃঢ়ভাবে বেঁধেছিলেন—অসুরের সুরক্ষিত/দুর্গম অধিকারভূমি—সেখান থেকেই এই মণি, এই মায়া, এসে পৌঁছাল; অগ্নিময় তেজসহ, দীপ্তি-ঝলকসহ, যশসহ, কীর্তিসহ যুক্ত।
Mantra 28
यमब॑ध्ना॒द् बृह॒स्पति॑र्दे॒वेभ्यो॒ असु॑रक्षितिम्। स मा॒यं म॒णिराग॑मत् सर्वा॑भि॒र्भूति॑भिः स॒ह
যে অসুরের দুর্গ-রক্ষাকে বৃহস্পতি দেবগণের জন্য বেঁধে দিলেন—সেখান থেকেই এই মণি, এই মায়া, উদ্ভূত হল; সে সকল ভূতি/সমৃদ্ধি সহিত একত্রে এল।
Mantra 29
तमि॒मं दे॒वता॑ म॒णिं मह्यं॑ ददतु॒ पुष्ट॑ये । अ॒भि॒भुं क्ष॑त्र॒वर्ध॑नं सपत्न॒दम्भ॑नं म॒णिम्
দেবতাগণ আমাকে এই সেই মণিটি পুষ্টির জন্য দান করুন—অভিভাবক/পরাভবকারী, ক্ষত্র (বল/রাজশক্তি) বর্ধনকারী, শত্রু-সপত্ন দমনকারী—এই মণি।
Mantra 30
ब्रह्म॑णा॒ तेज॑सा स॒ह प्रति॑ मुञ्चामि मे शि॒वम्। अ॒स॒प॒त्नः स॑पत्न॒हा स॒पत्ना॒न् मेऽध॑रां अकः
ব্রহ্মের সঙ্গে, তেজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে, আমি নিজের জন্য শিব-কল্যাণ স্থাপন করি। আমি অসপত্ন থাকি, সপত্ন-হন্তা হই; আমার সপত্নদের তুমি অধঃপাতে নামিয়ে দাও।
Mantra 31
उत्त॑रं द्विष॒तो माम॒यं म॒णिः कृ॑णोतु देव॒जाः । यस्य॑ लो॒का इ॒मे त्रयः॒ पयो॑ दु॒ग्धमु॒पास॑ते । स मा॒यमधि॑ रोहतु म॒णिः श्रैष्ठ्या॑य मूर्ध॒तः
এই দেবজ (দেব-জাত) মণি আমাকে বিদ্বেষীর ঊর্ধ্বে স্থাপন করুক। যার অধিকার এই তিন লোক, যাকে দুধ ও সু-দোহিত পানীয় দ্বারা উপাসনা করা হয়—সেই মণি আমার উপর, মায়ার উপর, শ্রেষ্ঠত্বের জন্য, আমার মস্তকে আরূঢ় হোক।
Mantra 32
यं दे॒वाः पि॒तरो॑ मनु॒ष्याऽ उप॒जीव॑न्ति सर्व॒दा। स मा॒यमधि॑ रोहतु म॒णिः श्रैष्ठ्या॑य मूर्ध॒तः
যাঁর উপর দেবগণ, পিতৃগণ ও মানুষ সর্বদা নির্ভর করে—সেই মণি তার মায়াশক্তিসহ আমার উপর, মস্তক থেকে, সর্বোচ্চ উৎকর্ষের জন্য আরোহন করুক।
Mantra 33
यथा॒ बीज॑मु॒र्वरा॑यां कृ॒ष्टे फाले॑न॒ रोह॑ति । ए॒वा मयि॑ प्र॒जा प॒शवोऽन्न॑मन्नं॒ वि रो॑हतु
যেমন উর্বর ক্ষেতে লাঙলের ফাল দিয়ে চিরলে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে ওঠে—তেমনই আমার মধ্যে প্রজা, পশু ও অন্ন—হ্যাঁ, অন্নের উপর অন্ন—প্রাচুর্যে বৃদ্ধি পাক।
Mantra 34
यस्मै॑ त्वा यज्ञवर्धन॒ मणे॑ प्र॒त्यमु॑चं शि॒वम्। तं त्वं श॑तदक्षिण॒ मणे॒ श्रैष्ठ्या॑य जिन्वतात्
যাঁর জন্য, হে যজ্ঞবর্ধক, শিব (কল্যাণকর) মণি, আমি তোমাকে বেঁধেছি—তাঁকেই, হে শত-দক্ষিণা মণি, তুমি সর্বোচ্চ শ্রেষ্ঠত্বের জন্য উদ্দীপিত ও পুষ্ট করো।
Mantra 35
ए॒तमि॒ध्मं स॒माहि॑तं जुषा॒णो अग्ने॒ प्रति॑ हर्य॒ होमैः॑ । तस्मि॑न् विदेम सुम॒तिं स्व॒स्ति प्र॒जां चक्षुः॑ प॒शून्त्समि॑द्धे जा॒तवे॑दसि॒ ब्रह्म॑णा
হে অগ্নি, এই সুসংবদ্ধ ইধ্ম (সমিধা) প্রসন্নচিত্তে গ্রহণ করে আমাদের হোম-আহুতির প্রত্যুত্তরে গ্রহণ করো। হে জাতবেদস, ব্রহ্ম (পবিত্র মন্ত্র-প্রার্থনা) দ্বারা যখন তুমি প্রজ্বলিত হও, তখন আমরা তোমার মধ্যে সুমতি ও স্বস্তি—সন্তান, দৃষ্টি ও পশু—লাভ করি।
It is a jewel/amulet treated as a personified protective power. The hymn consecrates its binding so it actively guards the wearer and generates vitality (ojas) and radiance (varcas).
Its main orientation is paustika-protective (strength, prestige, welfare), but it has an abhicārika edge: several lines aim to suppress or "cut down" the hostile rival’s potency and authority.
Bṛhaspati provides a divine precedent for binding the maṇi, Soma is linked with releasing its boons (notably hearing and sight), and Agni Jātavedas seals the rite through oblations that stabilize welfare such as progeny and cattle.
Answers come straight from the texts, with the shlokas they draw on. Ask in your own words.
A free sign-in with Google or Apple keeps your chat saved across web and the app.