Opening the text

Sukta 10.99
Indra (implied through vajra and Vṛtra-slaying mythic frame)
এই সূক্তে ইন্দ্রের প্রশস্তি গঠিত হয়েছে ক্লাসিক বৃত্র-বধের কাঠামোয়—বজ্রের নির্মাণ ও নিক্ষেপ, বাধাদানকারী শক্তির ভেদন, এবং উপাসকের জন্য সমৃদ্ধির দ্বার উন্মোচন। বীর-পুরাণের সঙ্গে নৈতিক ও সামাজিক সুর মিশেছে—ইন্দ্র সত্যবাদীদের রক্ষা করেন, শত্রুদের দুর্গ চূর্ণ করেন, এবং ইষা (প্রেরণাময় উদ্যম), ঊর্জ (জীবনীশক্তি) ও সুক্ষিতি (নিরাপদ বাসস্থান) দান করেন। শেষের ‘পিঁপড়ে’ ইন্দ্রের দিকে অগ্রসর হওয়ার চিত্রটি বোঝায়—বিনয়ী, অবিচল ভক্তিই দैব বৃদ্ধি ও সর্বজনীন দীপ্তির পথ।
Mantra 1
कं नश्चित्रमिषण्यसि चिकित्वान्पृथुग्मानं वाश्रं वावृधध्यै । कत्तस्य दातु शवसो व्युष्टौ तक्षद्वज्रं वृत्रतुरमपिन्वत् ॥
হে চিকিত্বান্ (জ্ঞাতা)! আমাদের জন্য তুমি কোন দীপ্ত, বিচিত্র আশ্চর্য প্রেরণা দাও, যাতে প্রশস্ত-গামী (পৃথুগ্মান্) ও প্রবল (বাশ্র) শক্তি বৃদ্ধি পায়? উষার ব্যুষ্টি-মুহূর্তে সেই বল (শবস্)-এর দাতা কে ছিল, যে বজ্রকে গড়ে তাকে বৃত্র-তুর (বৃত্র-বিনাশক) করে আচ্ছাদক (বৃত্র)-কে চূর্ণ করতে চালিত করল?
Mantra 2
स हि द्युता विद्युता वेति साम पृथुं योनिमसुरत्वा ससाद । स सनीळेभिः प्रसहानो अस्य भ्रातुर्न ऋते सप्तथस्य मायाः ॥
তিনি দীপ্তি ও বিদ্যুৎ-ঝলকে চলেন; সাম-গানের সঙ্গে তিনি আসেন। অসুরত্ব (ঈশ্বরীয় প্রভুত্ব) দ্বারা তিনি প্রশস্ত যোনিতে আসন গ্রহণ করেছেন। এক নীড়ের সহচরদের সঙ্গে তিনি প্রবল হন; সপ্তথ (সপ্তম-জন্মা) ভ্রাতার মায়া-কর্ম ব্যতীত নয়।
Mantra 3
स वाजं यातापदुष्पदा यन्त्स्वर्षाता परि षदत्सनिष्यन् । अनर्वा यच्छतदुरस्य वेदो घ्नञ्छिश्नदेवाँ अभि वर्पसा भूत् ॥
তিনি বাজ (বিজয়-শক্তি) অভিমুখে যান, দুর্গম পদক্ষেপ অতিক্রম করে; স্বঃ-লোক (সূর্য-লোক) জয় করে লাভের অন্বেষণে তিনি পরি-ষদৎ (আসন গ্রহণ) করেন। যখন শত-দুর (শতদ্বার) দুর্গের অচ্যুত বেদ (অটল জ্ঞাতা) মিথ্যা-দেবদের নিধন করেন, তখন তিনি প্রবল বর্চস্/বর্ভস্ (অধিভাবী রূপ) নিয়ে প্রকাশিত হন।
Mantra 4
स यह्व्योऽवनीर्गोष्वर्वा जुहोति प्रधन्यासु सस्रिः । अपादो यत्र युज्यासोऽरथा द्रोण्यश्वास ईरते घृतं वाः ॥
সে—যহ্ব্য (উদ্দাম/বেগবান)—গাভীদের মধ্যে চলমান ধারাসমূহ ঢেলে দেয়; আর যুদ্ধে সে অগ্রে ধাবিত হয়। যেখানে পাদহীন, যোজ্য রথ আছে, এবং দ्रोণীতে অশ্ব (যোজিত) আছে—সেখানেই ঘৃতসমৃদ্ধ প্রবাহগুলি সঞ্চালিত হয়।
Mantra 5
स रुद्रेभिरशस्तवार ऋभ्वा हित्वी गयमारेअवद्य आगात् । वम्रस्य मन्ये मिथुना विवव्री अन्नमभीत्यारोदयन्मुषायन् ॥
সে রুদ্রদের সঙ্গে এল—নিন্দনীয় নয় এমনটিই বেছে নিয়ে—ঋভ্ব (দক্ষ) গয়কে পিছনে রেখে উপস্থিত হল। আমার মনে হয়, সে ভম্র (পিঁপড়ার ঢিবি)-এর মধ্যে থাকা সেই যুগলকে পৃথক করে খুলে দিল; অন্নের কাছে গিয়ে তাকে কাঁদিয়ে তুলল, আর তা চুরি করে নিল।
Mantra 6
स इद्दासं तुवीरवं पतिर्दन्षळक्षं त्रिशीर्षाणं दमन्यत् । अस्य त्रितो न्वोजसा वृधानो विपा वराहमयोअग्रया हन् ॥
সে-ই দাস—প্রবল গর্জনকারী—কে বশ করল; সে ছিল ষড়ক্ষ (ছয়-নয়ন)-এর অধিপতি, ত্রিশীর্ষ (তিন-মস্তক)। তারপর ত্রিত, বলবৃদ্ধি লাভ করে, লৌহ-অগ্রযুক্ত অস্ত্রে সেই বরাহকে আঘাতে নিপাত করল।
Mantra 7
स द्रुह्वणे मनुष ऊर्ध्वसान आ साविषदर्शसानाय शरुम् । स नृतमो नहुषोऽस्मत्सुजातः पुरोऽभिनदर्हन्दस्युहत्ये ॥
তিনি ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্বাসঘাতক মানুষটির উপর, আক্রমণকারীর উপর, শর নিক্ষেপ করেন। তিনি—অতিশয় পুরুষোচিত নহুষ, আমাদের মধ্য থেকে সুজাত—দস্যু-হত্যায় যোগ্য হয়ে দুর্গসমূহ ভেঙে উন্মুক্ত করেন।
Mantra 8
सो अभ्रियो न यवस उदन्यन्क्षयाय गातुं विदन्नो अस्मे । उप यत्सीददिन्दुं शरीरैः श्येनोऽयोपाष्टिर्हन्ति दस्यून् ॥
চারণভূমির জন্য তৃষ্ণার্ত মেঘের মতো তিনি আমাদের জন্য বাসস্থানের পথে গতি খুঁজে দেন। যখন তিনি দেহধারী শক্তিসহ সোমের নিকটে এসে বসেন, তখন লৌহ-নখর শ্যেনের মতো দস্যুদের আঘাতে নিপাত করেন।
Mantra 9
स व्राधतः शवसानेभिरस्य कुत्साय शुष्णं कृपणे परादात् । अयं कविमनयच्छस्यमानमत्कं यो अस्य सनितोत नृणाम् ॥
এই উচ্ছ্বসিত শক্তিসমূহে বলবর্ধিত হয়ে তিনি কুত্সের জন্য শুষ্ণকে দারিদ্র্যে নিক্ষেপ করেন। এই প্রভু প্রশংসিত হতে হতে কবিকে অগ্রসর করলেন—অত্ককে—যে তার জন্যও এবং মানুষের জন্যও বিজয়-লাভকারী।
Mantra 10
अयं दशस्यन्नर्येभिरस्य दस्मो देवेभिर्वरुणो न मायी । अयं कनीन ऋतुपा अवेद्यमिमीताररुं यश्चतुष्पात् ॥
এই (দেব) পুরুষোচিত শক্তিসমূহের দ্বারা সেবাভাগ অর্জনকারী, দেবদের মধ্যে আশ্চর্য—বরুণের ন্যায়, মায়াবী (কার্য-প্রভাবের অধিপতি)। এই কনীন ঋতুপা (ঋতুর পালক) উপলব্ধি করেছে; সে চার পায়ে স্থিত দৃঢ় আধারকে মেপে নির্ধারণ করেছে।
Mantra 11
अस्य स्तोमेभिरौशिज ऋजिश्वा व्रजं दरयद्वृषभेण पिप्रोः । सुत्वा यद्यजतो दीदयद्गीः पुर इयानो अभि वर्पसा भूत् ॥
এই তার স্তোত্রসমূহ দ্বারা ঔশিজ ঋজিশ্বান বৃষভ-শক্তিতে পিপ্রুর জন্য ব্ৰজ (ঘেরা/আবরণ) ভেঙে দিল। যজ্ঞ্য (পূজ্য) যখন সোম নিংড়াল, তখন সে প্রেরিত বাণীকে দীপ্ত করল; দুর্গসমূহের অগ্রে অগ্রে গিয়ে, সে নিজের দীপ্ত রূপে উজ্জ্বল হল।
Mantra 12
एवा महो असुर वक्षथाय वम्रकः पड्भिरुप सर्पदिन्द्रम् । स इयानः करति स्वस्तिमस्मा इषमूर्जं सुक्षितिं विश्वमाभाः ॥
এভাবে, হে মহাশক্তিমান অসুর, তোমার ধারণ ও বৃদ্ধি-সাধনের জন্য, বম্রক (পিঁপড়ে) তার পায়ে ভর করে ইন্দ্রের দিকে হামাগুড়ি দিয়ে ওঠে। তিনি (ইন্দ্র) অগ্রসর হয়ে তার জন্য স্বস্তি করেন—ইষ (প্রেরণা), ঊর্জ (শক্তি-সমৃদ্ধি), সুক্ষিতি (সুখ-বাস), এবং সর্ব প্রভা প্রদান করেন।
It praises Indra’s power to break obstruction (Vṛtra) with the vajra, defeat hostile forces, and restore flow—strength, prosperity, and well-being for the worshipper.
They are symbolic of Indra’s decisive victory over what ‘covers’ or blocks life: the thunderbolt represents focused force, and Vṛtra represents obstruction that must be shattered for waters/light to emerge.
It teaches that even small, steady effort and humble devotion can approach divine power; Indra then grants svasti (well-being), energy, good dwelling, and radiance.
Answers come straight from the texts, with the shlokas they draw on. Ask in your own words.
A free sign-in with Google or Apple keeps your chat saved across web and the app.
Read Rig Veda in the Vedapath app
Scan the QR code to open this directly in the app, with word-by-word meanings, Sanskrit recitation where available, and more.