
Sukta 10.18
RV 10.18 is the well-known funeral hymn sequence; r̥ṣi attribution varies by Anukramaṇī but belongs to the late ritual corpus.
Mṛtyu (Death) addressed/apotropaically; protective intent for the living community.
Triṣṭubh.
ঋগ্বেদ ১০.১৮ একটি পরবর্তী ঋগ্বৈদিক অন্ত্যেষ্টি-সূক্তমালা, যা মৃত ও জীবিতের মধ্যবর্তী সীমারেখাকে আচারগতভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। এতে সম্প্রদায় থেকে মৃত্যুকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান আছে, দেহ ও কবর/সমাধির যথাযথ বিধি-অনুষ্ঠানের নির্দেশ আছে, এবং যারা বেঁচে থাকে—বিশেষত গৃহস্থ পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম—তাদের জন্য সামাজিক ও প্রাণশক্তির ধারাবাহিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়।
Mantra 1
परं मृत्यो अनु परेहि पन्थां यस्ते स्व इतरो देवयानात् । चक्षुष्मते शृण्वते ते ब्रवीमि मा नः प्रजां रीरिषो मोत वीरान् ॥
হে মৃত্যু, বহুদূরে চলে যাও; সেই পথে অগ্রসর হও যা তোমার নিজস্ব—দেবযান (দেবদের দিকে যাত্রাপথ) থেকে ভিন্ন। যে দেখে ও শোনে, তাকে আমি বলি: আমাদের প্রজা—সন্ততি/উদ্ভব—কে রীরিষঃ, আঘাত কোরো না; আর আমাদের বীরান্—বীরশক্তি—কে স্পর্শ কোরো না।
Mantra 2
मृत्योः पदं योपयन्तो यदैत द्राघीय आयुः प्रतरं दधानाः । आप्यायमानाः प्रजया धनेन शुद्धाः पूता भवत यज्ञियासः ॥
মৃত্যুর পদচিহ্ন গোপন করে, যখন তোমরা তাকে অতিক্রম করো, তখন দীর্ঘায়ু ও অধিক অগ্রগামী গতি ধারণ করো। প্রজা ও ধনে—আত্মসমৃদ্ধিতে—পরিপুষ্ট হও। হে যজ্ঞিয়জন, শুদ্ধ ও পূত হয়ে আরও নির্মল হও।
Mantra 3
इमे जीवा वि मृतैराववृत्रन्नभूद्भद्रा देवहूतिर्नो अद्य । प्राञ्चो अगाम नृतये हसाय द्राघीय आयुः प्रतरं दधानाः ॥
এই জীবিতেরা মৃতদের থেকে সরে গেছে; আজ আমাদের দেবহূতি (দেবতাদের আহ্বান) শুভ হয়েছে। আমরা অগ্রসর হই—নৃত্য ও আনন্দের দিকে—দীর্ঘায়ু ও অধিক অগ্রগামী গতি ধারণ করে।
Mantra 4
इमं जीवेभ्यः परिधिं दधामि मैषां नु गादपरो अर्थमेतम् । शतं जीवन्तु शरदः पुरूचीरन्तर्मृत्युं दधतां पर्वतेन ॥
আমি জীবিতদের জন্য এই পরিধি-সীমা স্থাপন করি; এখন এদের কেউ এই সীমা অতিক্রম করে সেই পরের লক্ষ্য (মৃতলোক)-এর দিকে না যাক। তারা শত শরৎ, বহু ও পূর্ণ, বাঁচুক; এবং মৃত্যুকে ভেতরেই স্থাপন করুক—যেন পর্বত দিয়ে আবদ্ধ।
Mantra 5
यथाहान्यनुपूर्वं भवन्ति यथ ऋतव ऋतुभिर्यन्ति साधु । यथा न पूर्वमपरो जहात्येवा धातरायूंषि कल्पयैषाम् ॥
যেমন দিনগুলি যথাযথ ক্রমে পরপর আসে, যেমন ঋতুগুলি ঋতুর সঙ্গে সুশৃঙ্খলভাবে অগ্রসর হয়, যেমন পরবর্তীটি পূর্ববর্তীটিকে ত্যাগ করে না—তেমনি, হে ধাতা (বিধাতা), এদের আয়ুষ্য-পথগুলি সুশৃঙ্খল ধারাবাহিকতায় স্থাপন কর।
Mantra 6
आ रोहतायुर्जरसं वृणाना अनुपूर्वं यतमाना यति ष्ठ । इह त्वष्टा सुजनिमा सजोषा दीर्घमायुः करति जीवसे वः ॥
উঠে দাঁড়াও—আয়ু ও পরিপক্ব জরা বেছে নিয়ে; যথাক্রমে সাধনা করতে করতে অগ্রসর হও এবং স্থির হয়ে অবস্থান কর। এখানে ত্বষ্টা, সুজনন-শক্তিসহ, একসঙ্গে সম্মত হয়ে, তোমাদের জীবনের জন্য দীর্ঘ আয়ু দান করুন।
Mantra 7
इमा नारीरविधवाः सुपत्नीराञ्जनेन सर्पिषा सं विशन्तु । अनश्रवोऽनमीवाः सुरत्ना आ रोहन्तु जनयो योनिमग्रे ॥
এই নারীরা অবিধবা, সুপত্নী—অঞ্জন ও সर्पিষ্ (ঘৃত) দ্বারা অভিষিক্ত হয়ে—একসঙ্গে প্রবেশ করুক। অপবাদহীন, রোগহীন, সত্য রত্নসমৃদ্ধ—এই জননীরা অগ্রে যোনি (সৃজন-আসন) আরোহন করুক, জীবনের প্রবাহে প্রত্যাবর্তন করুক।
Mantra 8
उदीर्ष्व नार्यभि जीवलोकं गतासुमेतमुप शेष एहि । हस्तग्राभस्य दिधिषोस्तवेदं पत्युर्जनित्वमभि सं बभूथ ॥
হে নারী, ওঠো; জীবিতলোকের দিকে এসো। যার প্রাণ চলে গেছে, যে তোমার পাশে শুয়ে আছে—তাকে রেখে এখানে এসো। এ তোমার জন্যই: হস্তগ্রহণের দ্বারা, গৃহ-স্থাপনের অভিপ্রায়ে, তুমি আবার সম্পূর্ণভাবে পত্নীত্ব-অবস্থায় প্রবেশ করেছ।
Mantra 9
धनुर्हस्तादाददानो मृतस्यास्मे क्षत्राय वर्चसे बलाय । अत्रैव त्वमिह वयं सुवीरा विश्वाः स्पृधो अभिमातीर्जयेम ॥
মৃতের হাত থেকে ধনু গ্রহণ করে—আমাদের ক্ষত্রত্বের জন্য, দীপ্তির জন্য, বলের জন্য—তুমি এখানেই স্থির থাকো। এখানেই আমরা, সু-বীর (বীর-সন্ততি/বীর-শক্তি) সমৃদ্ধ হয়ে, সকল স্পৃধা ও সকল অভিমাতি (আক্রমণকারী বৈরশক্তি) জয় করি।
Mantra 10
उप सर्प मातरं भूमिमेतामुरुव्यचसं पृथिवीं सुशेवाम् । ऊर्णम्रदा युवतिर्दक्षिणावत एषा त्वा पातु निॠतेरुपस्थात् ॥
এই মাতৃভূমির নিকটে সরে যাও—বিস্তৃত-ব্যাপিনী, প্রশস্ত পৃথিবী, সু-শেবা (কল্যাণকারিণী, কৃপাময়ী)। উলের মতো কোমল এই যুবতী, দক্ষিণাবত্ (দক্ষিণা-সমৃদ্ধ, শুভ-দানশক্তিযুক্ত); সে তোমাকে নিরৃতির উপস্থান থেকে, বিনাশের লোক থেকে রক্ষা করুক।
Mantra 11
उच्छ्वञ्चस्व पृथिवि मा नि बाधथाः सूपायनास्मै भव सूपवञ्चना । माता पुत्रं यथा सिचाभ्येनं भूम ऊर्णुहि ॥
হে পৃথিবী, তুমি ঊর্ধ্বে উঠো; তাকে নিচে চেপে ধরো না। তার জন্য সহজ-প্রাপ্য হও, কোমলভাবে স্থান দাও। যেমন মা নিজের বস্ত্রের আঁচল দিয়ে পুত্রকে ঢেকে রাখে, তেমনি, হে ভূমি, তাকে আবৃত করো।
Mantra 12
उच्छ्वञ्चमाना पृथिवी सु तिष्ठतु सहस्रं मित उप हि श्रयन्ताम् । ते गृहासो घृतश्चुतो भवन्तु विश्वाहास्मै शरणाः सन्त्वत्र ॥
ঊর্ধ্বে উঠতে উঠতে পৃথিবী সুদৃঢ়ভাবে, সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে স্থির থাকুক। সহস্র মাপা-সমর্থন তার নিকটে এসে তাকে আশ্রয় দিয়ে ভর দিক। এই গৃহগুলি ঘৃতধারায় স্রবিত—পোষক ও দীপ্তিময়—হোক; এবং এখানে সর্বক্ষণ তার জন্য আশ্রয় হোক।
Mantra 13
उत्ते स्तभ्नामि पृथिवीं त्वत्परीमं लोगं निदधन्मो अहं रिषम् । एतां स्थूणां पितरो धारयन्तु तेऽत्रा यमः सादना ते मिनोतु ॥
আমি তোমার চারদিকে পৃথিবীকে ঊর্ধ্বে ঠেকিয়ে দৃঢ় করি, এই লোক-ব্যবস্থাকে স্থাপন করতে করতে—যেন আমার ক্ষতি না হয়। পিতৃগণ এই স্তম্ভ ধারণ করুন; আর এখানেই যম তোমার জন্য আসন, স্থিত বাসস্থান নির্মাণ করুন।
Mantra 14
प्रतीचीने मामहनीष्वाः पर्णमिवा दधुः । प्रतीचीं जग्रभा वाचमश्वं रशनया यथा ॥
ফিরে-আসা দিনগুলিতে তারা আমাকে আবার পিছনে স্থাপন করল, যেমন কেউ একটি পাতা বিছিয়ে দেয়। আমি আবার বাণীকে ধরে নিলাম—যেমন লাগাম ধরে ঘোড়াকে ধরা হয়।
It is primarily a funerary and protective hymn sequence: it ritually sends Death away from the household and helps the living regain stability, strength, and continuity after a death.
Because the hymn treats Death as a power that can be addressed and redirected. The goal is not to deny death, but to prevent its harmful ‘reach’ from extending into the lives of those who must continue.
Yes. A famous verse instructs the woman to rise toward the world of the living (jīvaloka), leaving the breathless body behind—signaling social and psychological reintegration for the survivors.
Answers come straight from the texts, with the shlokas they draw on. Ask in your own words.
A free sign-in with Google or Apple keeps your chat saved across web and the app.