কঠ উপনিষদের প্রথম বল্লী নচিকেতার কাহিনী দিয়ে শুরু। পিতা বাজশ্রবা ক্ষীণ গরু দান করছেন দেখে নচিকেতা প্রশ্ন করেন 'আমাকে কাকে দেবেন?' রাগে পিতা বলেন 'তোমাকে মৃত্যুকে দেব।' মৃত্যুর দেবতা যমের আবাসে তিনদিন অপেক্ষা করে নচিকেতা তিনটি বর লাভ করেন। তৃতীয় বরে তিনি মৃত্যুর পরে আত্মার প্রকৃতি জানতে চান। যম নানা ভোগ দিয়ে নচিকেতাকে নিবৃত্ত করতে চান কিন্তু নচিকেতা সব প্রত্যাখ্যান করেন। যম তখন উপদেশ দেন যে ইন্দ্রিয় বাহিরমুখী কিন্তু জ্ঞানী অন্তর্মুখী হয়ে আত্মাকে দর্শন করেন।
কঠ উপনিষদের দ্বিতীয় বল্লী একাদশ দ্বারবিশিষ্ট শরীর-নগরীতে অবস্থিত অজাত আত্মার কথা বর্ণনা করে। হংস রূপে আত্মা সকল লোকে বিরাজমান, প্রাণ-অপান নিয়ন্ত্রণ করেন, এবং মৃত্যুর অতীত। তিনি অজন্মা, অনন্ত, অপরিবর্তনশীল—পরমাণুর চেয়ে সূক্ষ্ম, অসীমের চেয়ে মহান। জ্ঞানী ব্যক্তি আত্মাকে উপলব্ধি করে সকল শোক অতিক্রম করেন।
কঠ উপনিষদের তৃতীয় বল্লী উল্টো ব্রহ্মাণ্ড বৃক্ষ, ব্রহ্মের ভয়ে চলা সকল শক্তি, এবং মৃত্যুর আগে আত্ম-জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা বর্ণনা করে। বিভিন্ন স্তরে আত্মার প্রতিফলন ভিন্ন, এবং ওঁকার ধ্যান অমরত্ব প্রদান করে।
Answers come straight from the texts, with the shlokas they draw on. Ask in your own words.
A free sign-in with Google or Apple keeps your chat saved across web and the app.