Sita
shakta_vaishnavaAtharva37 Verses

Sita

shakta_vaishnavaAtharva

সীতা উপনিষদ (অথর্ববেদ-সংযুক্ত, শাক্ত উপনিষদ-পরম্পরায়) রামায়ণের সীতাকে কেবল আদর্শ পতিব্রতা নন, বরং পরাশক্তি ও ব্রহ্মস্বরূপা হিসেবে উপস্থাপন করে। স্তোত্রধর্মী ভাষার মধ্য দিয়ে এটি উপনিষদীয় তত্ত্বচিন্তা—আত্মা, ব্রহ্ম, মুক্তি—কে দেবী-কেন্দ্রিকভাবে ব্যাখ্যা করে। ঐতিহাসিকভাবে গ্রন্থটি সেই প্রবণতার অংশ, যেখানে পুরাণ-ইতিহাসের দেবতাদের বেদান্তীয় শ্রেণিতে পুনর্ব্যাখ্যা করা হয়। এখানে শাক্ত–বৈষ্ণব সমন্বয় স্পষ্ট: সীতা রামের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য, তবু তিনিই জগতের সৃজন-স্থিতি-লয়ের শক্তি। দর্শনগতভাবে সীতাকে সর্বব্যাপী সাক্ষী-চৈতন্য ও অন্তরাত্মা হিসেবে দেখা হয়। সীতা-ব্রহ্ম জ্ঞান ভয়-শোক-বন্ধন নাশ করে; ভক্তি (স্মরণ, স্তব) ক্রমে জ্ঞানরূপে পরিণত হয়ে মোক্ষের পথ হয়। ফলে সীতা উপনিষদ নারীত্ব-দৈবত্বকে উপনিষদীয় মর্যাদা দেয় এবং দেখায় যে ভক্তি ও জ্ঞান একত্রে অদ্বৈত উপলব্ধিতে পৌঁছাতে পারে।

Start Reading

Key Teachings

- Sītā as Devī: identification of Sītā with the supreme Goddess (Īśvarī/Śakti) and with Brahman

- Śākta–Vaiṣṇava synthesis: Sītā’s inseparability from Rāma

yet her status as the cosmic power underlying all forms

- Ātman–Brahman recognition: the inner self is not other than the Goddess; liberation arises from direct knowledge (jñāna)

- Śakti as cosmological principle: creation

maintenance

and dissolution occur through the Goddess’s power

- Bhakti as contemplative discipline: devotion

praise

and remembrance mature into non-dual realization

- Immanence and transcendence: the Goddess pervades the world while remaining beyond limiting attributes

- Mokṣa as freedom from fear and sorrow: knowledge of Sītā-Brahman removes bondage and grants abiding peace

Verses of the Sita

37 verses with Sanskrit text, transliteration, and translation.

Verse 1

देवा ह वै प्रजापतिम् अब्रुवन्—का सीता, किं रूपम् इति । स होवाच प्रजापतिः—सा सीतेति । मूलप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिः स्मृता । प्रणवप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिर् उच्यते । सीता इति त्रिवर्णात्...

দেবগণ প্রজাপতিকে বললেন—“সীতা কে, তাঁর রূপ কী?” প্রজাপতি উত্তর দিলেন—“তিনি-ই সীতা।” মূল-প্রকৃতির স্বরূপ হওয়ায় তিনি ‘প্রকৃতি’ নামে স্মৃত; আবার প্রণব (ওঁ)-এর প্রকৃতি-রূপ হওয়ায়ও তাঁকে প্রকৃতি বলা হয়। ‘সীতা’ তিন বর্ণের আত্মা এবং প্রত্যক্ষ মায়াময়ী। বিষ্ণু জগত্-প্রপঞ্চের বীজ; মায়াকে ‘ঈ’কার বলা হয়েছে। ‘স’কার সত্য, অমৃত, প্রাপ্তি ও সোম; ‘ত’কার তারালক্ষ্মী এবং বৈরাজ-বিস্তারেরূপে স্মৃত। ঈকার-রূপিণী মহামায়া, দিব্য মালা-মুক্তা প্রভৃতি অলংকারে ভূষিতা হয়ে, অব্যক্ত থেকেও ব্যক্ত হন। প্রথমা—শব্দব্রহ্মময়ী, স্বাধ্যায়কালে প্রসন্ন, উদ্ভাবনকারিণী ও সাত্ত্বিকী; দ্বিতীয়া—ভূমিতে হালের অগ্রভাগে উৎপন্ন; তৃতীয়া—ঈকার-রূপিণী, অব্যক্ত-স্বরূপা—এইভাবে ‘সীতা’ নামে তাঁকে ব্যাখ্যা করা হয়।

Māyā/Prakṛti as the manifesting power (Śakti) associated with Praṇava and cosmic creation

Verse 2

देवा ह वै प्रजापतिम् अब्रुवन्—का सीता, किं रूपम् इति । स होवाच प्रजापतिः—सा सीतेति । मूलप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिः स्मृता । प्रणवप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिर् उच्यते । सीता इति त्रिवर्णात्...

দেবগণ প্রজাপতিকে জিজ্ঞাসা করলেন—“সীতা কে, তাঁর রূপ কী?” প্রজাপতি বললেন—“তিনি-ই সীতা।” মূল-প্রকৃতির রূপ হওয়ায় তিনি ‘প্রকৃতি’ নামে স্মৃত; প্রণব (ওঁ)-এর প্রকৃতি-রূপ হওয়ায়ও তাঁকে প্রকৃতি বলা হয়। ‘সীতা’ তিন বর্ণের আত্মা এবং সाक्षাৎ মায়াময়ী। বিষ্ণু জগতের বীজ; মায়াকে ‘ঈ’কার বলা হয়েছে। ‘স’কার সত্য, অমৃত, প্রাপ্তি ও সোম; ‘ত’কার তারালক্ষ্মী এবং বৈরাজ-বিস্তারেরূপে স্মৃত। ঈকার-রূপিণী মহামায়া, দিব্য মালা-মুক্তা প্রভৃতি অলংকারে ভূষিতা হয়ে, অব্যক্ত থেকেও ব্যক্ত হন। প্রথমা—শব্দব্রহ্মময়ী, স্বাধ্যায়কালে প্রসন্ন, উদ্ভাবনকারিণী ও সাত্ত্বিকী; দ্বিতীয়া—ভূমিতে হালের অগ্রভাগে উৎপন্ন; তৃতীয়া—ঈকার-রূপিণী, অব্যক্ত-স্বরূপা—এইভাবেই ‘সীতা’ বলা হয়।

Śakti as Māyā/Prakṛti; phonemic theology (śabda-tattva) linked to Praṇava

Verse 3

देवा ह वै प्रजापतिम् अब्रुवन्—का सीता, किं रूपम् इति । स होवाच प्रजापतिः—सा सीतेति । मूलप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिः स्मृता । प्रणवप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिर् उच्यते । सीता इति त्रिवर्णात्...

দেবগণ প্রজাপতিকে বললেন—“সীতা কে, তাঁর রূপ কী?” প্রজাপতি উত্তর দিলেন—“তিনি-ই সীতা।” মূল-প্রকৃতির স্বরূপ হওয়ায় তিনি ‘প্রকৃতি’ নামে স্মৃত; প্রণব (ওঁ)-এর প্রকৃতি-রূপ হওয়ায়ও তাঁকে প্রকৃতি বলা হয়। ‘সীতা’ তিন বর্ণের আত্মা এবং সाक्षাৎ মায়াময়ী। বিষ্ণু প্রপঞ্চের বীজ; মায়াকে ‘ঈ’কার বলা হয়েছে। ‘স’কার সত্য, অমৃত, প্রাপ্তি ও সোম; ‘ত’কার তারালক্ষ্মী এবং বৈরাজ-বিস্তারেরূপে স্মৃত। ঈকার-রূপিণী মহামায়া, দিব্য মালা-মুক্তা প্রভৃতি অলংকারে ভূষিতা হয়ে, অব্যক্ত থেকেও ব্যক্ত হন। প্রথমা—শব্দব্রহ্মময়ী, স্বাধ্যায়/বেদপাঠকালে প্রসন্ন, উদ্ভাবনকারিণী ও সাত্ত্বিকী; দ্বিতীয়া—ভূমিতে হালের অগ্রভাগে উৎপন্ন; তৃতীয়া—ঈকার-রূপিণী, অব্যক্ত-স্বরূপা—এইভাবেই ‘সীতা’ নামে তাঁকে বর্ণনা করা হয়।

Māyā-Śakti (Prakṛti) and Śabda-Brahman; manifestation from avyakta to vyakta

Verse 4

देवा ह वै प्रजापतिमब्रुवन्—का सीता किं रूपमिति । स होवाच प्रजापतिः—सा सीतेति । मूलप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिः स्मृता । प्रणवप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिरुच्यते । सीता इति त्रिवर्णात्मा साक्ष...

দেবগণ প্রজাপতিকে বললেন—“সীতা কে, তাঁর রূপ কী?” প্রজাপতি উত্তর দিলেন—“তিনি সীতা।” মূল-প্রকৃতির স্বরূপ হওয়ায় তিনি ‘প্রকৃতি’ নামে স্মৃত; আর প্রণব (ওঁ)-প্রকৃতির স্বরূপ হওয়ায়ও তাঁকে প্রকৃতি বলা হয়। ‘সীতা’ তিন বর্ণের আত্মা এবং প্রত্যক্ষ মায়াময়ী। বিষ্ণু জগত্-প্রপঞ্চের বীজ; মায়াকে ‘ঈ’কার বলা হয়। ‘স’কার সত্য, অমৃত, প্রাপ্তি এবং সোমরূপে কীর্তিত। ‘ত’কার তারালক্ষ্মী ও বৈরাজ বিস্তার/স্তররূপে স্মৃত। ‘ঈ’কার-রূপিণী মহামায়া, অব্যক্ত হয়েও, সোমামৃতের অঙ্গসমূহে গঠিত, দিব্য অলংকার, মালা, মুক্তা প্রভৃতি দ্বারা ভূষিতা হয়ে ব্যক্তরূপে প্রকাশিত হন। তাঁর প্রথম রূপ শব্দব্রহ্মময়—স্বাধ্যায়কালে প্রসন্ন, উদ্ভাবনকারী ও সাত্ত্বিক; দ্বিতীয় রূপ ভূমিতে হালের অগ্রভাগে উৎপন্ন; তৃতীয় রূপ ‘ঈ’কার-স্বভাব, অব্যক্ত-স্বরূপ—এইজন্য তাঁকে ‘সীতা’ বলা হয়।

Māyā–Prakṛti (Śakti) as the manifesting power associated with Praṇava and cosmic creation

Verse 5

देवा ह वै प्रजापतिमब्रुवन्—का सीता किं रूपमिति । स होवाच प्रजापतिः—सा सीतेति । मूलप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिः स्मृता । प्रणवप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिरुच्यते । सीता इति त्रिवर्णात्मा साक्ष...

দেবগণ প্রজাপতিকে বললেন—“সীতা কে, তাঁর রূপ কী?” প্রজাপতি উত্তর দিলেন—“তিনি সীতা।” মূল-প্রকৃতির স্বরূপ হওয়ায় তিনি ‘প্রকৃতি’ নামে স্মৃত; প্রণব (ওঁ)-প্রকৃতির স্বরূপ হওয়ায়ও তাঁকে প্রকৃতি বলা হয়। ‘সীতা’ তিন বর্ণের আত্মা এবং প্রত্যক্ষ মায়াময়ী। বিষ্ণু জগত্-প্রপঞ্চের বীজ; মায়াকে ‘ঈ’কার বলা হয়। ‘স’কার সত্য, অমৃত, প্রাপ্তি এবং সোমরূপে কীর্তিত। ‘ত’কার তারা-লক্ষ্মী ও বৈরাজ বিস্তার/স্তররূপে স্মৃত। ‘ঈ’কার-রূপিণী মহামায়া, অব্যক্ত হয়েও, সোমামৃতের অঙ্গসমূহে গঠিত, দিব্য অলংকার, মালা, মুক্তা প্রভৃতি দ্বারা ভূষিতা হয়ে ব্যক্তরূপে প্রকাশিত হন। তাঁর প্রথম রূপ শব্দব্রহ্মময়—স্বাধ্যায়কালে প্রসন্ন, উদ্ভাবনকারী ও সাত্ত্বিক; দ্বিতীয় রূপ ভূমিতে হালের অগ্রভাগে উৎপন্ন; তৃতীয় রূপ ‘ঈ’কার-স্বভাব, অব্যক্ত-স্বরূপ—এইজন্য তাঁকে ‘সীতা’ বলা হয়।

Māyā–Prakṛti (Śakti) and mantra-ontology (sound as cosmogenic principle)

Verse 6

देवा ह वै प्रजापतिमब्रुवन्—का सीता किं रूपमिति । स होवाच प्रजापतिः—सा सीतेति । मूलप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिः स्मृता । प्रणवप्रकृतिरूपत्वात् सा सीता प्रकृतिरुच्यते । सीता इति त्रिवर्णात्मा साक्ष...

দেবগণ প্রজাপতিকে বললেন—“সীতা কে, তাঁর রূপ কী?” প্রজাপতি উত্তর দিলেন—“তিনি সীতা।” মূল-প্রকৃতির স্বরূপ হওয়ায় তিনি ‘প্রকৃতি’ নামে স্মৃত; প্রণব (ওঁ)-প্রকৃতির স্বরূপ হওয়ায়ও তাঁকে প্রকৃতি বলা হয়। ‘সীতা’ তিন বর্ণের আত্মা এবং প্রত্যক্ষ মায়াময়ী। বিষ্ণু জগত্-প্রপঞ্চের বীজ; মায়াকে ‘ঈ’কার বলা হয়। ‘স’কার সত্য, অমৃত, প্রাপ্তি এবং সোমরূপে কীর্তিত। ‘ত’কার তারা-লক্ষ্মী ও বৈরাজ বিস্তার/স্তররূপে স্মৃত। ‘ঈ’কার-রূপিণী মহামায়া, অব্যক্ত হয়েও, সোমামৃতের অঙ্গসমূহে গঠিত, দিব্য অলংকার, মালা, মুক্তা প্রভৃতি দ্বারা ভূষিতা হয়ে ব্যক্তরূপে প্রকাশিত হন। তাঁর প্রথম রূপ শব্দব্রহ্মময়—স্বাধ্যায়কালে প্রসন্ন, উদ্ভাবনকারী ও সাত্ত্বিক; দ্বিতীয় রূপ ভূমিতে হালের অগ্রভাগে উৎপন্ন; তৃতীয় রূপ ‘ঈ’কার-স্বভাব, অব্যক্ত-স্বরূপ—এইজন্য তাঁকে ‘সীতা’ বলা হয়।

Śakti as Māyā (unmanifest-to-manifest), linked to praṇava and cosmogenesis

Verse 7

श्रीरामसान्निध्यवशाज्जगदानन्दकारिणी । उत्पत्तिस्थितिसंहारकारिणी सर्वदेहिनाम् । सीता भगवती ज्ञेया मूलप्रकृतिसंज्ञिता । प्रणवत्वात्प्रकृतिरिति वदन्ति ब्रह्मवादिन इति । अथातो ब्रह्मजिज्ञासेति च ॥७॥

শ্রীरामের সান্নিধ্য-শক্তিতে তিনি জগতের আনন্দের কারণ। সকল দেহধারীর সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের কর্তা তিনি। সীতাকে ভগবতী রূপে জানতে হবে; তিনি মূল-প্রকৃতি নামে অভিহিতা। প্রণব (ওঁ) স্বরূপ হওয়ায় ব্রহ্মবাদীরা বলেন—“তিনি প্রকৃতি।” এবং (অতএব) “এখন, অতঃ ব্রহ্মজিজ্ঞাসা”॥৭॥

Māyā/Prakṛti (Śakti) as the cosmic power associated with Brahman; Brahma-jijñāsā

Verse 8

श्रीरामसान्निध्यवशाज्जगदानन्दकारिणी । उत्पत्तिस्थितिसंहारकारिणी सर्वदेहिनाम् । सीता भगवती ज्ञेया मूलप्रकृतिसंज्ञिता । प्रणवत्वात्प्रकृतिरिति वदन्ति ब्रह्मवादिन इति । अथातो ब्रह्मजिज्ञासेति च ॥८॥

শ্রীरामের সান্নিধ্য-শক্তিতে তিনি জগতের আনন্দের কারণ। সকল দেহধারীর সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের কর্তা তিনি। সীতাকে ভগবতী রূপে জানতে হবে; তিনি মূল-প্রকৃতি নামে অভিহিতা। প্রণব (ওঁ) স্বরূপ হওয়ায় ব্রহ্মবাদীরা বলেন—“তিনি প্রকৃতি।” এবং (অতএব) “এখন, অতঃ ব্রহ্মজিজ্ঞাসা”॥৮॥

Śakti (Prakṛti/Māyā) and Brahman-inquiry

Verse 9

श्रीरामसान्निध्यवशाज्जगदानन्दकारिणी । उत्पत्तिस्थितिसंहारकारिणी सर्वदेहिनाम् । सीता भगवती ज्ञेया मूलप्रकृतिसंज्ञिता । प्रणवत्वात्प्रकृतिरिति वदन्ति ब्रह्मवादिन इति । अथातो ब्रह्मजिज्ञासेति च ॥९॥

শ্রীरामের সান্নিধ্য-শক্তিতে তিনি জগতের আনন্দের কারণ। সকল দেহধারীর সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের কর্তা তিনি। সীতাকে ভগবতী রূপে জানতে হবে; তিনি মূল-প্রকৃতি নামে অভিহিতা। প্রণব (ওঁ) স্বরূপ হওয়ায় ব্রহ্মবাদীরা বলেন—“তিনি প্রকৃতি।” এবং (অতএব) “এখন, অতঃ ব্রহ্মজিজ্ঞাসা”॥৯॥

Brahman–Śakti inseparability; Māyā/Prakṛti as dependent power; initiation of Brahma-jijñāsā

Verse 10

सा सर्ववेदमयी सर्वदेवमयी सर्वलोकमयी सर्वकीर्तिमयी सर्वधर्ममयी सर्वाधारकार्यकारणमयी महालक्ष्मीर्देवेशस्य भिन्नाभिन्नरूपा चेतनाचेतनात्मिका ब्रह्मस्थावरात्मा तद्गुणकर्मविभागभेदाच्छरीरूपा देवर्षिमनुष्यगन्...

তিনি সর্ববেদময়ী, সর্বদেবময়ী, সর্বলোকময়ী, সর্বকীর্তিময়ী ও সর্বধর্মময়ী; তিনিই সর্বাধার, এবং কার্য-কারণরূপেও তিনিই। মহালক্ষ্মী রূপে তিনি দেবেশ্বরের ভিন্ন ও অভিন্ন—উভয় রূপধারিণী; চেতন-অচেতন উভয়ই তাঁর স্বভাব; ব্রহ্ম ও স্থাবর জগৎ তাঁর আত্মারূপ। গুণ ও কর্মের বিভাগভেদে তিনি দেব, ঋষি, মানুষ, গন্ধর্ব প্রভৃতি রূপে, এবং অসুর, রাক্ষস, ভূত, প্রেত, পিশাচাদি জীবের দেহরূপে প্রকাশিত হন; আবার ভূততত্ত্ব, ইন্দ্রিয়, মন ও প্রাণরূপেও তিনি পরিচিত॥

Brahman–Śakti as the immanent and transcendent ground (non-duality with apparent plurality)

Verse 11

सा देवी त्रिविधा भवति शक्त्यासना—इच्छाशक्तिः क्रियाशक्तिः साक्षाच्छक्तिरिति। इच्छाशक्तिस्त्रिविधा भवति—श्रीभूमिनीलात्मिका भद्ररूपिणी प्रभावरूपिणी सोमसूर्याग्निरूपा भवति। सोमात्मिका ओषधीनां प्रभवति कल्...

সেই দেবী শক্তিকে আসনরূপে ধারণ করে ত্রিবিধ হন—ইচ্ছাশক্তি, ক্রিয়াশক্তি এবং সाक्षাৎ (প্রত্যক্ষ) শক্তি। ইচ্ছাশক্তিও ত্রিবিধ—শ্রী, ভূমি ও নীলা-স্বভাবিনী; কল্যাণরূপিণী; প্রভাব-তেজোরূপিণী; এবং তিনি সোম, সূর্য ও অগ্নিরূপে প্রকাশিত হন। সোমস্বভাবিনী হয়ে তিনি ঔষধি-উদ্ভিদসমূহ উৎপন্ন করেন—কল্পবৃক্ষের পুষ্প-ফল, লতা ও গুল্মরূপে; ঔষধ-ভেষজরূপে; অমৃতরূপে; দেবতাদের মহাসোমযাগের ফল প্রদানকারী; অমৃত দ্বারা দেবতাদের, অন্ন দ্বারা পশুদের, এবং তৃণ দ্বারা প্রত্যেক জীবের তৃপ্তি উৎপন্নকারী॥

Śakti-traya (icchā–kriyā–sākṣāt) and cosmic nourishment as the Divine’s immanent power

Verse 12

सा देवी त्रिविधा भवति शक्त्यासना—इच्छाशक्तिः क्रियाशक्तिः साक्षाच्छक्तिरिति। इच्छाशक्तिस्त्रिविधा भवति—श्रीभूमिनीलात्मिका भद्ररूपिणी प्रभावरूपिणी सोमसूर्याग्निरूपा भवति। सोमात्मिका ओषधीनां प्रभवति कल्...

এখানেও পূর্বোক্ত একই ভাব—দেবী শক্তিকে আসনরূপে ধারণ করে ত্রিবিধ: ইচ্ছাশক্তি, ক্রিয়াশক্তি ও সाक्षাৎ শক্তি। ইচ্ছাশক্তি ত্রিবিধ—শ্রী-ভূমি-নীলা স্বভাবিনী, মঙ্গল ও প্রভাব-তেজোরূপিণী; এবং তিনি সোম-সূর্য-অগ্নিরূপে প্রকাশিত। সোমরূপে তিনিই ঔষধি ও ভেষজ উৎপন্ন করেন; অমৃতরূপ হয়ে দেবতা, পশু ও সকল জীবকে যথাযথ পুষ্টি ও তৃপ্তি দান করেন॥

Śakti as the operative principle of manifestation and sustenance

Verse 13

सा देवी त्रिविधा भवति—शक्त्यासना, इच्छाशक्तिः, क्रियाशक्तिः, साक्षाच्छक्तिरिति। इच्छाशक्तिस्त्रिविधा भवति—श्रीभूमिनीलात्मिका, भद्ररूपिणी, प्रभावरूपिणी; सोमसूर्याग्निरूपा भवति। सोमात्मिका ओषधीनां प्रभव...

সেই দেবী ত্রিবিধা—আসনশক্তি (সর্বাধার-শক্তি), ইচ্ছাশক্তি, ক্রিয়াশক্তি এবং সाक्षাৎ (প্রত্যক্ষ) শক্তি। ইচ্ছাশক্তিও ত্রিবিধা—শ্রী-ভূমি-নীলা-স্বভাবা; ভদ্র তথা মঙ্গলময় রূপিণী; এবং প্রভা তথা দীপ্তিরূপিণী। তিনি সোম, সূর্য ও অগ্নিরূপে প্রকাশিত হন। সোমাত্মিকা হয়ে তিনি উদ্ভিদসমূহের উৎপত্তি ঘটান—কল্পবৃক্ষের পুষ্প-ফল-লতা-গুল্মরূপে; ঔষধ ও ভেষজরূপে; অমৃতরূপে। তিনি দেবতাদের মহাসোমযাগের ফল প্রদান করেন এবং অমৃত দ্বারা তৃপ্তি জাগান—দেবতাদের অন্নে, পশুদের তৃণে, আর প্রত্যেক জীবকে তার উপযুক্ত আহারে পোষণ করেন।

Śakti (Māyā/Prakṛti as Brahman’s power; cosmic nourishment and manifestation)

Verse 14

सूर्यादिसकलभुवनप्रकाशिनी दिवा च रात्रिः कालकलानिमेषमारभ्य घटिकाष्टयामदिवसवाररात्रिभेदेन पक्षमासर्त्वयनसंवत्सरभेदेन मनुष्याणां शतायुःकल्पनया प्रकाशमाना चिरक्षिप्रव्यपदेशेन निमेषमारभ्य परार्धपर्यन्तं का...

যিনি সূর্যাদি থেকে আরম্ভ করে সকল ভুবনকে আলোকিত করেন, তিনিই দিবা ও রাত্রিরূপে প্রকাশিত হন। নিমেষ থেকে শুরু করে তার বিভাগসমূহ—ঘটিকা, যাম, দিন, বার, রাত্রি—এবং পক্ষ, মাস, ঋতু, অয়ন, সংবৎসর—এই ভেদে; আবার মানুষের শতায়ু-ধারণার দ্বারাও তিনি প্রকাশমান। ‘দীর্ঘ’ ও ‘ক্ষিপ্র’ (দীর্ঘ-স্বল্প) সময়রূপে, নিমেষ থেকে পরার্ধ পর্যন্ত, তিনি কালচক্র ও জগচ্চক্ররূপে চক্রের ন্যায় পরিভ্রমণ করেন। এ সকলই সেই এক কালসত্তার বিশেষ বিভাগ—আলোক-স্বভাব এবং কাল-স্বভাব উভয়ই।

Kāla (time) as a manifestation of Śakti/Brahman; cosmic order (ṛta)

Verse 15

अग्निरूपा अन्नपानादिप्राणिनां क्षुत्तृष्णात्मिका देवानां मुखरूपा वनौषधीनां शीतोष्णरूपा काष्ठेष्वन्तर्बहिश्च नित्यानित्यरूपा भवति॥१५॥

অগ্নিরূপা সেই দেবী অন্ন-পানাদি-নির্ভর প্রাণীদের মধ্যে ক্ষুধা ও তৃষ্ণারূপে বিরাজ করেন; দেবতাদের মধ্যে মুখরূপে; বনৌষধি ও উদ্ভিদে শীত-উষ্ণরূপে; এবং কাঠের মধ্যে অন্তরে ও বাহিরে নিত্য ও অনিত্য—উভয় রূপে প্রকাশিত হন।

Agni/Tejas as Śakti; prāṇa and yajña as cosmic exchange; māyā’s mutable forms grounded in an underlying power

Verse 16

श्रीदेवी त्रिविधं रूपं कृत्वा भगवत्सङ्कल्पानुगुण्येन लोकरक्षणार्थं रूपं धारयति। श्रीरिति लक्ष्मीरिति लक्ष्यमाणा भवतीति विज्ञायते॥१६॥

শ্রীদেবী ভগবানের সংকল্পের অনুগত হয়ে লোকরক্ষার্থে ত্রিবিধ রূপ ধারণ করেন। তিনি ‘শ্রী’, ‘লক্ষ্মী’ এবং ‘লক্ষ্যমাণা’—অর্থাৎ লক্ষ্যরূপে চিহ্নিতা—এই নামে পরিচিতা॥১৬॥

Māyā/Śakti as Brahman’s power (īśvara-saṅkalpa) manifesting for loka-saṃgraha; auspiciousness (śrī) as a soteriological principle

Verse 17

भूदेवी ससागराम्भःसप्तद्वीपा वसुन्धरा भूरादिचतुर्दशभुवनानामाधाराधेया प्रणवात्मिका भवति॥१७॥

ভূদেবী—সাগরজলসহ সপ্তদ্বীপ ধারণকারী—বসুন্ধরা। তিনি ভূ-আদি চতুর্দশ ভুবনের আধারও, আধেয়ও; এবং তিনি প্রণব (ওঁ) স্বরূপা হন॥১৭॥

Brahman as cosmic support (ādhāra) and immanence; Praṇava (Oṃ) as the essence of all worlds; Devī as the embodied cosmos

Verse 18

नीला च मुखविद्युन्मालिनी सर्वौषधीनां सर्वप्राणिनां पोषणार्थं सर्वरूपा भवति॥१८॥

আর তিনি নীলা—মুখে বিদ্যুৎমালায় বিভূষিতা। সকল ঔষধি ও সকল প্রাণীর পোষণের জন্য তিনি সর্বরূপা হন॥১৮॥

Jagat-kāraṇa and jagat-poṣaṇa (cosmic causality and sustenance); Devī as all-forms (sarvarūpā) indicating non-dual immanence

Verse 19

समस्तभुवनस्याधोभागे जलाकारात्मिका मण्डूकमयीति भुवनाधारेति विज्ञायते॥१९॥

সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নিম্নভাগে যিনি জল-আকার-আত্মিকা, তিনি ‘মণ্ডূকময়ী’ এবং ‘ভুবনাধার’—জগতের ভিত্তি—রূপে জ্ঞাত হন॥১৯॥

Śakti as cosmic support (Ādhāra), Māyā/Prakṛti symbolism

Verse 20

क्रियाशक्तिस्वरूपं हरेर्मुखान्नादः । तन्नादाद्बिन्दुः । बिन्दोरोङ्कारः । ओङ्कारात्परतो राम वैखानसपर्वतः । तत्पर्वते कर्मज्ञानमयीभिर्बहुशाखा भवन्ति॥२०॥

হরির মুখ থেকে ক্রিয়াশক্তি-স্বরূপ নাদ উদ্ভূত হয়। সেই নাদ থেকে বিন্দু, বিন্দু থেকে ওঙ্কার। ওঙ্কারের পর, হে রাম, বৈখানস পর্বত; সেই পর্বতে কর্ম ও জ্ঞানময় বহু শাখা প্রস্ফুটিত হয়॥২০॥

Nāda–Bindu–Oṃ genesis; Śabda as creative principle; Karma–Jñāna synthesis

Verse 21

तत्र त्रयीमयं शास्त्रमाद्यं सर्वार्थदर्शनम् । ऋग्यजुःसामरूपत्वात्त्रयीति परिकीर्तिता । कार्यसिद्धेन चतुर्धा परिकीर्तिता । ऋचो यजूंषि सामानि अथर्वाङ्गिरसस्तथा । चातुर्होत्रप्रधानत्वाल्लिङ्गादित्रितयं त...

সেখানে ত্রয়ীময় আদ্য শাস্ত্র আছে, যা সকল পুরুষার্থের দর্শন করায়। ঋগ্, যজুঃ ও সাম—এই রূপ ধারণ করায় তা ‘ত্রয়ী’ নামে কীর্তিত। কার্যসিদ্ধির কারণে তা চতুর্বিধও বলা হয়—ঋক্, যজুঁষি, সামানি এবং অথর্বাঙ্গিরস। চাতুর্হোত্র প্রধান হওয়ায় লিঙ্গাদি ত্রিতয়কেও ‘ত্রয়ী’ বলা হয়। অথর্বাঙ্গিরসের রূপ সাম-ঋগ্-যজুঃ-আত্মক॥২১-২৩॥

Śruti as pramāṇa; unity of Veda (trayī/caturdhā) and integrative revelation

Verse 22

तत्र त्रयीमयं शास्त्रमाद्यं सर्वार्थदर्शनम् । ऋग्यजुःसामरूपत्वात् त्रयीति परिकीर्तिता । कार्यसिद्धेन चतुर्धा परिकीर्तिता । ऋचो यजूंषि सामानि अथर्वाङ्गिरसस्तथा । चातुर्होत्रप्रधानत्वाल्लिङ्गादित्रितयं ...

সেখানে আদ্য ‘ত্রয়ীময়’ শাস্ত্র সর্বার্থ ও সর্বপ্রয়োজনে দৃষ্টিদানকারী। ঋগ্, যজুঃ ও সাম—এই তিন রূপে থাকায় তাকে ‘ত্রয়ী’ বলা হয়। তবে কর্মসিদ্ধির জন্য একে চতুর্বিধও বলা হয়—ঋচ্, যজুঃ-মন্ত্র, সাম-গান এবং অথর্বাঙ্গিরস। চতুর্হোত্রের প্রাধান্যে লিঙ্গাদি ত্রয়ের দ্বারা ত্রয়ী অনুমেয়; আর অথর্বাঙ্গিরসও সাম-ঋগ্-যজুঃ-স্বভাবই।

Śruti-prāmāṇya and Veda-trayī/caturveda classification (authority and structure of revelation)

Verse 23

तत्र त्रयीमयं शास्त्रमाद्यं सर्वार्थदर्शनम् । ऋग्यजुःसामरूपत्वात् त्रयीति परिकीर्तिता । कार्यसिद्धेन चतुर्धा परिकीर्तिता । ऋचो यजूंषि सामानि अथर्वाङ्गिरसस्तथा । चातुर्होत्रप्रधानत्वाल्लिङ्गादित्रितयं ...

সেখানে আদ্য ত্রয়ীময় শাস্ত্র সর্বার্থদর্শী; ঋগ্-যজুঃ-সাম রূপে থাকায় তাকে ‘ত্রয়ী’ বলা হয়। কর্মসিদ্ধির জন্য একে চার রূপেও বলা হয়—ঋচ্, যজুঃ-মন্ত্র, সাম-গান এবং অথর্বাঙ্গিরস। চতুর্হোত্রের প্রাধান্যে লিঙ্গাদি ত্রয়ের দ্বারা ত্রয়ী প্রতিপন্ন হয়; এবং অথর্বাঙ্গিরসও সাম-ঋগ্-যজুঃ-রূপই।

Śruti taxonomy; unity of Vedic revelation across apparent divisions

Verse 24

तथा दिशन्त्याभिचारसामान्येन पृथक्पृथक् । एकविंशतिशाखायामृग्वेदः परिकीर्तितः । शतं च नवशाखासु यजुषामेव जन्मनाम् । साम्नः सहस्रशाखाः स्युः पञ्चशाखा अथर्वणः । वैखानसमतस्तस्मिन्नादौ प्रत्यक्षदर्शनम् । स्म...

এভাবেই অভিচার প্রভৃতি কর্মের সাধারণ শ্রেণি অনুসারে তারা পৃথক পৃথকভাবে বিভক্ত। ঋগ্বেদের একুশটি শাখা বলা হয়; যজুর্বেদের একশো নয়টি শাখা; সামবেদের সহস্র শাখা; আর অথর্ববেদের পাঁচটি শাখা। সেই পরম্পরায় বৈখানস মত আদিতে প্রত্যক্ষদর্শনের ন্যায়; মুনিগণ নিত্য স্মরণ করেন—বৈখানস মতই পরম। কল্প, ব্যাকরণ, শিক্ষা, নিরুক্ত, জ্যোতিষ ও ছন্দ—এই ছয়টি বেদাঙ্গ; এবং উপাঙ্গরূপে অয়ন, মীমাংসা ও বিস্তৃত ন্যায়ও গণ্য। ধর্মজ্ঞদের উদ্দেশ্যসাধক গ্রন্থ, ‘বেদের বেদ’ নামে অতিরিক্ত শাস্ত্র, নিবন্ধ, সকল শাখা ও সময়াচার-সংগতি আছে। মহর্ষিদের অন্তঃকরণসম্ভূত ধর্মশাস্ত্রও আছে। ইতিহাস-পুরাণ নামক উপাঙ্গও ঘোষিত। বাস্তুবেদ, ধনুর্বেদ, গান্ধর্ব ও আয়ুর্বেদ—এই পাঁচ উপবেদ প্রসিদ্ধ। দণ্ড, নীতি, বার্তা, বিদ্যা ও পরম বায়ুজয়—একে একুশভেদ স্বপ্রকাশ জ্ঞানসমষ্টি বলা হয়েছে।

Śāstra-saṅgraha (encyclopedic mapping of śruti, vedāṅgas, upāṅgas, upavedas) and dharma as a supporting framework for spiritual life

Verse 25

तथा दिशन्त्याभिचारसामान्येन पृथक्पृथक् । एकविंशतिशाखायामृग्वेदः परिकीर्तितः । शतं च नवशाखासु यजुषामेव जन्मनाम् । साम्नः सहस्रशाखाः स्युः पञ्चशाखा अथर्वणः । वैखानसमतस्तस्मिन्नादौ प्रत्यक्षदर्शनम् । स्म...

এইভাবে পৃথক পৃথক প্রয়োগ অনুসারে সাধারণভাবে তাদের উপদেশ দেওয়া হয়। ঋগ্বেদের একুশটি শাখা, যজুর্বেদের একশো নয়টি শাখা, সামবেদের সহস্র শাখা এবং অথর্ববেদের পাঁচটি শাখা বলা হয়েছে। সেই পরম্পরায় বৈখানস-মত আদিতে প্রত্যক্ষ-দর্শনরূপ, এবং মুনিগণ নিত্যই তাকে পরম বলে স্মরণ করেন। কল্প, ব্যাকরণ, শিক্ষা, নিরুক্ত, জ্যোতিষ ও ছন্দ—এই ছয়টি বেদাঙ্গ; আর উপাঙ্গরূপে মীমাংসা ও ন্যায়শাস্ত্রের বিস্তারও আছে। ধর্মজ্ঞদের অভীষ্ট সাধনের জন্য ‘বেদ-অফ-দ্য-বেদ’ (পরিপূরক গ্রন্থ), নিবন্ধ, সকল শাখা এবং সময়-আচারের সামঞ্জস্যও উল্লিখিত। মহর্ষিদের ধর্মশাস্ত্র অন্তঃকরণে সঞ্চিত বলে মানা হয়। ইতিহাস-পুরাণ নামক উপাঙ্গও ঘোষিত। হে মুনি, বাস্তুবেদ, ধনুর্বেদ, গান্ধর্ব ও আয়ুর্বেদ—এই পাঁচটি উপবেদ বলে কীর্তিত। দণ্ড, নীতি, বার্তা, বিদ্যা এবং পরম বায়ুজয়—এই একুশ প্রকার বিভাগ স্বপ্রকাশ বলে ঘোষিত।

Śāstra-pramāṇa (the authority and structure of Vedic revelation and its auxiliaries)

Verse 26

तथा दिशन्त्याभिचारसामान्येन पृथक्पृथक् । एकविंशतिशाखायामृग्वेदः परिकीर्तितः । शतं च नवशाखासु यजुषामेव जन्मनाम् । साम्नः सहस्रशाखाः स्युः पञ्चशाखा अथर्वणः । वैखानसमतस्तस्मिन्नादौ प्रत्यक्षदर्शनम् । स्म...

এইভাবে পৃথক পৃথক প্রয়োগ অনুসারে সাধারণভাবে তাদের উপদেশ দেওয়া হয়। ঋগ্বেদের একুশটি শাখা, যজুর্বেদের একশো নয়টি শাখা, সামবেদের সহস্র শাখা এবং অথর্ববেদের পাঁচটি শাখা বলা হয়েছে। সেই পরম্পরায় বৈখানস-মত আদিতে প্রত্যক্ষ-দর্শনরূপ, এবং মুনিগণ নিত্যই তাকে পরম বলে স্মরণ করেন। কল্প, ব্যাকরণ, শিক্ষা, নিরুক্ত, জ্যোতিষ ও ছন্দ—এই ছয়টি বেদাঙ্গ; আর উপাঙ্গরূপে মীমাংসা ও ন্যায়শাস্ত্রের বিস্তারও আছে। ধর্মজ্ঞদের অভীষ্ট সাধনের জন্য ‘বেদ-অফ-দ্য-বেদ’ (পরিপূরক গ্রন্থ), নিবন্ধ, সকল শাখা এবং সময়-আচারের সামঞ্জস্যও উল্লিখিত। মহর্ষিদের ধর্মশাস্ত্র অন্তঃকরণে সঞ্চিত বলে মানা হয়। ইতিহাস-পুরাণ নামক উপাঙ্গও ঘোষিত। হে মুনি, বাস্তুবেদ, ধনুর্বেদ, গান্ধর্ব ও আয়ুর্বেদ—এই পাঁচটি উপবেদ বলে কীর্তিত। দণ্ড, নীতি, বার্তা, বিদ্যা এবং পরম বায়ুজয়—এই একুশ প্রকার বিভাগ স্বপ্রকাশ বলে ঘোষিত।

Śāstra-pramāṇa and saṃgraha (systematization of Vedic and auxiliary knowledge)

Verse 27

तथा दिशन्त्याभिचारसामान्येन पृथक्पृथक् । एकविंशतिशाखायामृग्वेदः परिकीर्तितः । शतं च नवशाखासु यजुषामेव जन्मनाम् । साम्नः सहस्रशाखाः स्युः पञ्चशाखा अथर्वणः । वैखानसमतस्तस्मिन्नादौ प्रत्यक्षदर्शनम् । स्म...

এইভাবে পৃথক পৃথক প্রয়োগ অনুসারে সাধারণভাবে তাদের উপদেশ দেওয়া হয়। ঋগ্বেদের একুশটি শাখা, যজুর্বেদের একশো নয়টি শাখা, সামবেদের সহস্র শাখা এবং অথর্ববেদের পাঁচটি শাখা বলা হয়েছে। সেই পরম্পরায় বৈখানস-মত আদিতে প্রত্যক্ষ-দর্শনরূপ, এবং মুনিগণ নিত্যই তাকে পরম বলে স্মরণ করেন। কল্প, ব্যাকরণ, শিক্ষা, নিরুক্ত, জ্যোতিষ ও ছন্দ—এই ছয়টি বেদাঙ্গ; আর উপাঙ্গরূপে মীমাংসা ও ন্যায়শাস্ত্রের বিস্তারও আছে। ধর্মজ্ঞদের অভীষ্ট সাধনের জন্য ‘বেদ-অফ-দ্য-বেদ’ (পরিপূরক গ্রন্থ), নিবন্ধ, সকল শাখা এবং সময়-আচারের সামঞ্জস্যও উল্লিখিত। মহর্ষিদের ধর্মশাস্ত্র অন্তঃকরণে সঞ্চিত বলে মানা হয়। ইতিহাস-পুরাণ নামক উপাঙ্গও ঘোষিত। হে মুনি, বাস্তুবেদ, ধনুর্বেদ, গান্ধর্ব ও আয়ুর্বেদ—এই পাঁচটি উপবেদ বলে কীর্তিত। দণ্ড, নীতি, বার্তা, বিদ্যা এবং পরম বায়ুজয়—এই একুশ প্রকার বিভাগ স্বপ্রকাশ বলে ঘোষিত।

Veda-saṃgraha (comprehensive mapping of revealed and auxiliary knowledge)

Verse 28

तथा दिशन्त्याभिचारसामान्येन पृथक्पृथक् । एकविंशतिशाखायामृग्वेदः परिकीर्तितः । शतं च नवशाखासु यजुषामेव जन्मनाम् । साम्नः सहस्रशाखाः स्युः पञ्चशाखा अथर्वणः । वैखानसमतस्तस्मिन्नादौ प्रत्यक्षदर्शनम् । स्म...

এইভাবে অভিচার-কর্মের সাধারণ শ্রেণিবিভাগ অনুসারে পৃথক পৃথকভাবে উপদেশ দেওয়া হয়। ঋগ্বেদের একুশটি শাখা বলা হয়েছে; যজুর্বেদের একশো নয়টি শাখা; সামবেদের সহস্র শাখা; এবং অথর্ববেদের পাঁচটি শাখা। সেই পরম্পরায় আদিতে বৈখানস-মতকে প্রত্যক্ষদর্শনরূপ বলা হয়, এবং মুনিগণ নিত্য বৈখানস-মতকে পরম বলে স্মরণ করেন। কল্প, ব্যাকরণ, শিক্ষা, নিরুক্ত, জ্যোতিষ ও ছন্দ—এই ছয়টি বেদাঙ্গ। উপাঙ্গরূপে মীমাংসা ও ন্যায়ের বিস্তার, ধর্মজ্ঞদের উদ্দেশ্যসাধক গ্রন্থ, ‘বেদের বেদ’ (বেদার্থ-প্রকাশক), নিবন্ধ, সকল শাখার সংকলন এবং সময়-আচারসম্মত সংগতিও বলা হয়েছে। মহর্ষিদের ধর্মশাস্ত্র অন্তঃকরণে সঞ্চিত বলে ঘোষিত। ইতিহাস ও পুরাণ নামক উপাঙ্গও প্রখ্যাত। বাস্তুবেদ, ধনুর্বেদ, গান্ধর্ববেদ ও আয়ুর্বেদ—এই পাঁচটি উপবেদ। দণ্ড, নীতি, বার্তা, বিদ্যা এবং পরম বায়ুজয়—একে একুশবিধ স্বপ্রকাশ শ্রেণি বলা হয়েছে॥

Śruti–smṛti framework; śāstra-pramāṇa; dharma as preparatory discipline toward mokṣa

Verse 29

तथा दिशन्त्याभिचारसामान्येन पृथक्पृथक् । एकविंशतिशाखायामृग्वेदः परिकीर्तितः । शतं च नवशाखासु यजुषामेव जन्मनाम् । साम्नः सहस्रशाखाः स्युः पञ्चशाखा अथर्वणः । वैखानसमतस्तस्मिन्नादौ प्रत्यक्षदर्शनम् । स्म...

এটিও সেই একই পরম্পরাগত তালিকা। অভিচার-কর্মের সাধারণ শ্রেণিবিভাগ অনুসারে পৃথকভাবে বলা হয়েছে—ঋগ্বেদের একুশ শাখা, যজুর্বেদের একশো নয় শাখা, সামবেদের সহস্র শাখা এবং অথর্ববেদের পাঁচ শাখা। আদিতে বৈখানস-মতকে প্রত্যক্ষদর্শনরূপ বলা হয় এবং মুনিগণ তাকে পরম বলে স্মরণ করেন। কল্প, ব্যাকরণ, শিক্ষা, নিরুক্ত, জ্যোতিষ, ছন্দ—এই ছয় বেদাঙ্গ। উপাঙ্গ হিসেবে মীমাংসা-ন্যায়ের বিস্তার, ধর্মজ্ঞদের উদ্দেশ্যসাধক গ্রন্থ, ‘বেদের বেদ’, নিবন্ধ, সকল শাখার সংগ্রহ এবং সময়-আচারসঙ্গতি উল্লেখিত। মহর্ষিদের ধর্মশাস্ত্র অন্তঃকরণে সঞ্চিত বলে বলা হয়েছে। ইতিহাস-পুুরাণ উপাঙ্গও ঘোষিত। বাস্তুবেদ, ধনুর্বেদ, গান্ধর্ববেদ, আয়ুর্বেদ—এই পাঁচ উপবেদ। দণ্ড, নীতি, বার্তা, বিদ্যা ও পরম বায়ুজয়—একে একুশবিধ স্বপ্রকাশ বিধান বলা হয়েছে॥

Śruti–smṛti framework; śāstra-pramāṇa; dharma as preparatory discipline toward mokṣa

Verse 30

तथा दिशन्त्याभिचारसामान्येन पृथक्पृथक् । एकविंशतिशाखायामृग्वेदः परिकीर्तितः । शतं च नवशाखासु यजुषामेव जन्मनाम् । साम्नः सहस्रशाखाः स्युः पञ्चशाखा अथर्वणः । वैखानसमतस्तस्मिन्नादौ प्रत्यक्षदर्शनम् । स्म...

এখানে চার বেদের শাখাসংখ্যা, ছয় বেদাঙ্গ, উপাঙ্গের বিস্তার, এবং ধর্মশাস্ত্র, ইতিহাস-পুরাণ ও উপবেদের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। ঋগ্বেদের একুশ, যজুর্বেদের একশো নয়, সামবেদের সহস্র এবং অথর্ববেদের পাঁচ শাখা বলা হয়েছে। বৈখানস-মতকে আদিতে প্রত্যক্ষদর্শনরূপ ও পরম বলে মানা হয়েছে। কল্পাদি ছয় বেদাঙ্গ; মীমাংসা-ন্যায়াদি উপাঙ্গ; মহর্ষিদের ধর্মশাস্ত্র অন্তঃকরণে সঞ্চিত; ইতিহাস-পুরাণ উপাঙ্গ। বাস্তু, ধনু, গান্ধর্ব ও আয়ুর্বেদ—এই পাঁচ উপবেদ। দণ্ড, নীতি, বার্তা, বিদ্যা ও পরম বায়ুজয়—একে একুশবিধ স্বপ্রকাশ বিধান বলা হয়েছে॥

Śruti–smṛti framework; śāstra-pramāṇa; dharma as preparatory discipline toward mokṣa

Verse 31

तथा दिशन्त्याभिचारसामान्येन पृथक्पृथक् । एकविंशतिशाखायामृग्वेदः परिकीर्तितः । शतं च नवशाखासु यजुषामेव जन्मनाम् । साम्नः सहस्रशाखाः स्युः पञ्चशाखा अथर्वणः । वैखानसमतः तस्मिन्नादौ प्रत्यक्षदर्शनम् । स्म...

অভিচার-কর্মের সাধারণ নীতি অনুসারে এগুলি পৃথক পৃথকভাবে উপদেশিত হয়। ঋগ্বেদের একুশটি শাখা বলা হয়েছে; যজুর্বেদের একশো নয়টি; সামবেদের এক সহস্র; এবং অথর্ববেদের পাঁচটি শাখা। সেই পরম্পরায় বৈখানস-মতকে আদিতে প্রত্যক্ষ-দর্শনরূপ বলা হয়; মুনিগণ নিত্য স্মরণ করে একে পরম বৈখানস-মত রূপে মান্য করেন। কল্প, ব্যাকরণ, শিক্ষা, নিরুক্ত, জ্যোতিষ ও ছন্দ—এই ছয়টি বেদাঙ্গ; আর উপাঙ্গরূপে মীমাংসা ও বিস্তৃত ন্যায় গণ্য। ধর্মজ্ঞদের সাধনার উদ্দেশ্যে ‘বেদের বেদ’ (ব্যাখ্যা-শাস্ত্র), নিবন্ধ, সকল শাখার সংকলন এবং সময়-আচারসম্মততা কথিত। মহর্ষিদের ধর্মশাস্ত্র অন্তঃকরণে ধারণীয় পথপ্রদর্শক। ইতিহাস ও পুরাণও উপাঙ্গ বলে ঘোষিত। হে মুনি, বাস্তুবেদ, ধনুর্বেদ, গান্ধর্ব ও আয়ুর্বেদ—এই পাঁচটি উপবেদ। দণ্ড, নীতি, বার্তা, বিদ্যা ও পরম বায়ুজয়—এ একুশ প্রকার স্বপ্রকাশ বিভাগ বলে কীর্তিত।

Śruti-smṛti-śāstra-saṅgraha (the integrated body of Vedic revelation, auxiliaries, and dharma); pramāṇa (scriptural authority) and sādhana (discipline)

Verse 32

वैखानसऋषेः पूर्वं विष्णोर्वाणी समुद्भवेत् । त्रयीरूपेण सङ्कल्प्य वैखानसऋषेः पुरा । उदितो यादृशः पूर्वं तादृशं शृणु मेऽखिलम् । शश्वद्ब्रह्ममयं रूपं क्रियाशक्तिरुदाहृता । साक्षाच्छक्तिर्भगवतः स्मरणमात्र...

বৈখানস ঋষির পূর্বেই বিষ্ণুর বাণী উদ্ভূত হয়। তা ত্রয়ী-বেদের রূপে সংকল্পিত হয়ে, বৈখানস ঋষিরও আগে, আদিতে যেমনভাবে প্রকাশিত হয়েছিল—সে সমস্তই আমার কাছ থেকে শোন। তার রূপ চির ব্রহ্মময়; তাকে ক্রিয়া-শক্তি বলা হয়েছে। সেই বাণীই ভগবানের সাক্ষাৎ শক্তি বলে গীত—স্মরণমাত্ররূপা, আবির্ভাব-প্রাদুর্ভাবস্বভাবা, নিগ্রহ ও অনুগ্রহরূপা, ভগবৎসহচারিণী, অনপায়িনী, অনবরত সহাশ্রয়িণী, উদিত ও অনুদিত উভয় আকারধারিণী; আর নিমেষ-উন্মেষের ন্যায় ক্ষণে সৃষ্টিস্থিতিসংহার, তিরোধান ও অনুগ্রহ প্রভৃতি সর্বশক্তির সামর্থ্য থাকায় তাকে সাক্ষাৎ শক্তি বলা হয়।

Śakti (kriyā-śakti) as Brahman’s operative power; īśvara-śakti and manifestation (āvirbhāva)

Verse 33

वैखानसऋषेः पूर्वं विष्णोर्वाणी समुद्भवेत् । त्रयीरूपेण सङ्कल्प्य वैखानसऋषेः पुरा । उदितो यादृशः पूर्वं तादृशं शृणु मेऽखिलम् । शश्वद्ब्रह्ममयं रूपं क्रियाशक्तिरुदाहृता । साक्षाच्छक्तिर्भगवतः स्मरणमात्र...

বৈখানস ঋষির পূর্বেই বিষ্ণুর বাণী উদ্ভূত হয়। তা ত্রয়ী-বেদের রূপে সংকল্পিত হয়ে, বৈখানস ঋষিরও আগে, আদিতে যেমনভাবে প্রকাশিত হয়েছিল—সে সমস্তই আমার কাছ থেকে শোন। তার রূপ চির ব্রহ্মময়; তাকে ক্রিয়া-শক্তি বলা হয়েছে। সেই বাণীই ভগবানের সাক্ষাৎ শক্তি বলে গীত—স্মরণমাত্ররূপা, আবির্ভাব-প্রাদুর্ভাবস্বভাবা, নিগ্রহ ও অনুগ্রহরূপা, ভগবৎসহচারিণী, অনপায়িনী, অনবরত সহাশ্রয়িণী, উদিত ও অনুদিত উভয় আকারধারিণী; আর নিমেষ-উন্মেষের ন্যায় ক্ষণে সৃষ্টিস্থিতিসংহার, তিরোধান ও অনুগ্রহ প্রভৃতি সর্বশক্তির সামর্থ্য থাকায় তাকে সাক্ষাৎ শক্তি বলা হয়।

Śakti (kriyā-śakti) as Brahman’s operative power; īśvara-śakti and manifestation

Verse 34

वैखानसऋषेः पूर्वं विष्णोर्वाणी समुद्भवेत् । त्रयीरूपेण सङ्कल्प्य वैखानसऋषेः पुरा । उदितो यादृशः पूर्वं तादृशं शृणु मेऽखिलम् । शश्वद्ब्रह्ममयं रूपं क्रियाशक्तिरुदाहृता । साक्षाच्छक्तिर्भगवतः स्मरणमात्र...

প্রাচীন কালে বৈখানস ঋষির জন্য বিষ্ণুর বাণী সর্বপ্রথম উদ্ভূত হয়েছিল। তাকে ত্রয়ী—তিন বেদের—রূপে সংকল্প করে, পুরাকালে যেমনভাবে তা উদিত হয়েছিল, তেমনই সমগ্র বিষয়টি আমার কাছ থেকে শোনো। তার রূপ চিরকাল ব্রহ্মময়; তাকে ক্রিয়া-শক্তি বলা হয়। তিনি ভগবানের প্রত্যক্ষ শক্তি—স্মরণমাত্র-রূপে প্রকাশ ও অপ্রকাশ স্বভাবিনী; নিগ্রহ ও অনুগ্রহ-রূপা; ভগবানের সহচরী, কখনও বিচ্যুত না হওয়া, নিরন্তর সহ-আশ্রয়িণী; উদিত-অনুদিত আকারধারিণী। ভগবানের নিমেষ-উন্মেষে সৃষ্টিস্থিতিসংহার, তিরোধান ও অনুগ্রহ প্রভৃতি সর্বশক্তির সামর্থ্য থাকায় তাকে ‘সাক্ষাৎ শক্তি’ বলে গীত করা হয়।

Śakti (kriyā-śakti) as Brahman’s operative power; divine grace (anugraha) and concealment (tirodhāna)

Verse 35

इच्छाशक्तिस्त्रिविधा प्रलयावस्थायां विश्रमणार्थं भगवतो दक्षिणवक्षःस्थले श्रीवत्साकृतिर्भूत्वा विश्राम्यतीति सा योगशक्तिः ॥३५॥

ইচ্ছা-শক্তি ত্রিবিধ। প্রলয়াবস্থায় বিশ্রামের জন্য সে ভগবানের দক্ষিণ বক্ষঃস্থলে শ্রীবৎস-চিহ্নের আকৃতি ধারণ করে বিশ্রাম করে; তাই তাকে যোগ-শক্তি বলা হয়।

Icchā-śakti (divine will) and pralaya (cosmic dissolution)

Verse 36

भोगशक्तिर्भोगरूपा कल्पवृक्षकामधेनुचिन्तामणिशङ्खपद्मनिध्यादिनवनिधिसमाश्रिता । भगवदुपासकानां कामनया अकामनया वा भक्तियुक्ता नरं नित्यनैमित्तिककर्मभिरग्निहोत्रादिभिर्वा यमनियमासनप्राणायामप्रत्याहारध्यानधा...

ভোগ-শক্তি ভোগরূপা; সে কল্পবৃক্ষ, কামধেনু, চিন্তামণি, শঙ্খ, পদ্ম, নানা নিধি প্রভৃতি—নবনিধির—আশ্রয়ে প্রতিষ্ঠিত। ভগবানের উপাসকেরা কামনাসহ বা নিষ্কামভাবে, ভক্তিযুক্ত হয়ে, যা কিছুই করেন তা সবই ভগবানের প্রীতির জন্য—অগ্নিহোত্র প্রভৃতি নিত্য-নৈমিত্তিক কর্মে; অথবা যম, নিয়ম, আসন, প্রাণায়াম, প্রত্যাহার, ধ্যান, ধারণা ও সমাধিতে; কিংবা অলংকরণসহ গোপুর, প্রাকার, বিমানাদি নির্মাণে; বিগ্রহ-অর্চার উপকরণসহ পূজা-অর্চনায়; স্নান, উৎসব-অনুষ্ঠানাদিতে; পিতৃ-পূজা প্রভৃতিতে; এবং অন্ন-পানীয় প্রভৃতিতেও।

Bhoga (enjoyment) as a śakti under divine lordship; karma-yoga/bhakti as consecration of action

Verse 37

अथातो वीरशक्तिश्चतुर्भुजाऽभयवरदपद्मधरा किरीटाभरणयुता सर्वदेवैः परिवृता कल्पतरुमूले चतुर्भिर्गजै रत्नघटैरमृतजलैरभिषिच्यमाना सर्वदैवतैर्ब्रह्मादिभिर्वन्द्यमाना अणिमाद्यष्टैश्वर्ययुता संमुखे कामधेनुना स्...

অতঃপর বীরশক্তি—চতুর্ভুজা, অভয় ও বরদানের মুদ্রাযুক্ত, পদ্মধারিণী, মুকুট ও অলংকারে বিভূষিতা, সর্বদেবতায় পরিবৃতা—কল্পতরুর মূলে অবস্থান করেন। চারটি গজ রত্নঘটে ভরা অমৃতজল দিয়ে তাঁকে অভিষেক করে; ব্রহ্মা প্রভৃতি সকল দেবতা তাঁকে বন্দনা করেন। তিনি অণিমা প্রভৃতি অষ্টঐশ্বর্যে সমৃদ্ধ; সম্মুখে কামধেনু তাঁর স্তব করে; বেদ-শাস্ত্রাদি তাঁকে প্রশংসা করে; জয়া প্রভৃতি অপ্সরাগণ তাঁর পরিচর্যা করে। সূর্য ও চন্দ্র প্রদীপস্বরূপে তাঁকে আলোকিত করে; তুম্বুরু, নারদ প্রভৃতি তাঁর গীত গায়। রাকা ও সিনীবালী ছত্র দিয়ে তাঁকে ছায়া দেয়; হ্লাদিনী ও মায়ার চামর, এবং স্বাহা ও স্বধার ব্যজন তাঁকে পাখা করে; ভৃগু, পুণ্য প্রভৃতি তাঁর অর্চনা করে। সেই দেবী দিব্য সিংহাসনে পদ্মাসনে আরূঢ়া, সর্ব কারণ-কার্যের কর্তা লক্ষ্মী—দেবের পৃথক্-ভবন-कल्पনা-রূপে—শোভা বিস্তার করেন। স্থির, প্রসন্ন নয়না, সর্বদেবতায় পূজিতা—তিনি ‘বীরলক্ষ্মী’ নামে জ্ঞাত—ইতি উপনিষৎ॥৩৭॥

Māyā/Śakti as the power of manifestation (pṛthag-bhavana-kalpanā) and Lakṣmī as cosmic sovereignty