Adhyaya 29
Agneya-vidyaAdhyaya 2950 Verses

Adhyaya 29

The Description of the Sarvatobhadra Maṇḍala (सर्वतोभद्रमण्डलकथनम्)

এই অধ্যায়ে মন্ত্রসাধনার জন্য পবিত্র ক্ষেত্ররূপে সর্বতোভদ্র মণ্ডল নির্মাণ ও প্রতিষ্ঠার কঠোর বিধান বলা হয়েছে। শুদ্ধ ভূমি ও পূর্বপূজা সম্পন্ন করে বর্গাকার জালকে পদ্ম-আবরণ—পীঠ, বীথিকা, দ্বার—ইত্যাদিতে বিন্যস্ত করে দিকদেবতা ও বৈদিক বিভাগ নির্ধারণ করা হয়; তত্ত্ব, ইন্দ্রিয় ও অন্তঃকরণের বহুস্তর বিন্যাসও নির্দেশিত। পরে রঙের নিয়ম, রঞ্জক দ্রব্য, শোধন-চিহ্নাঙ্কন ক্রম, অঙ্গুল-হস্ত-কর মাপ, এবং বীজ/মন্ত্র/বিদ্যা-জপ ও পুরশ্চরণ শৃঙ্খলা বর্ণিত। এরপর মণ্ডলকে যোগদেহরূপে—নাড়ী, হৃদয়-পদ্ম, বীজশক্তির রশ্মি—ব্যাখ্যা করে স্থূল শব্দমূর্তি, সূক্ষ্ম দীপ্ত হৃদয়রূপ ও চিন্তাতীত পরম পদ পর্যন্ত ক্রমিক ধ্যান বলা হয়েছে। শেষে ৯, ২৫, ২৬ প্রভৃতি বিস্তৃত ব্যূহ-বিন্যাস, দ্বার-অলংকার বিধি ও শুভ মর্ত্যেষ্ট্য মণ্ডল উল্লেখ করে দেখানো হয়েছে যে পবিত্র নকশাই উপাসনা ও উপলব্ধিকে শৃঙ্খলিত করে।

Shlokas

Verse 1

इत्य् आदिमहापुराणे आग्नेये आचार्याभिषेको नाम अष्टाविंशो ऽध्यायः अथ ऊनत्रिंशो ऽध्यायः सर्वतोभद्रमण्डलकथनं नारद उवाच साधकः साधयेन्मन्त्रं देवतायतनादिके शुद्धभूमौ गृहे प्रार्च्य मण्डले हरिमीश्वरं आग्नेयेब्जे च प्रकृतिं याम्येब्जे पुरुषं यजेत्

এইভাবে আদিম মহাপুরাণ ‘অগ্নিপুরাণ’-এ ‘আচার্যাভিষেক’ নামক অষ্টাবিংশ অধ্যায় সমাপ্ত। এখন ‘সর্বতোভদ্র মণ্ডল-কথন’ নামক ঊনত্রিংশ অধ্যায় আরম্ভ। নারদ বললেন—সাধক শুদ্ধ ভূমিতে, গৃহে বা দেবালয় প্রভৃতিতে মন্ত্রসাধনা করবে; প্রথমে পূজা করে মণ্ডলে হরিকে ঈশ্বররূপে অর্চনা করবে। আগ্নেয় পদ্মে প্রকৃতি এবং যাম্য পদ্মে পুরুষের পূজা করবে।

Verse 2

चतुरस्त्रीकृते क्षेत्रे मण्डलादीनि वै लिखेत् रसवाणाक्षिकोष्ठेषु सर्वतोभद्रमालिखेत् पुरुषाद्दक्षिणे च वह्निं नैरृते वारुणेनिलं आदित्यमैन्दवे पद्मे ऋग्यजुश् चैशपद्मके

চতুষ্কোণ ক্ষেত্রের মধ্যে মণ্ডলাদি অঙ্কন করবে। রস, বাণ, অক্ষি—এই সংখ্যাচিহ্নিত কোষ্ঠগুলিতে ‘সর্বতোভদ্র’ নকশা অঙ্কন করবে। বাস্তু-পুরুষের দক্ষিণে অগ্নি স্থাপন করবে; নৈঋত্যে বরুণ ও বায়ুকে স্থাপন করবে। ঐন্দব পদ্মে আদিত্য (সূর্য) এবং ঈশ পদ্মে ঋগ্ ও যজুঃ (বৈদিক বিভাগ) বিন্যস্ত করবে।

Verse 3

षट्त्रिंशत्कोष्ठकैः पद्मं पीठं पङ्क्त्यावहिर्भवेत् द्वाभ्यान्तु वीथिका तस्माद् द्वाभ्यां द्वाराणि दिक्षु च इन्द्रादींश् च द्वितीयायां पद्मे षोडशके तथा सामाथर्वाणमाकाशं वायुं तेजस् तथा जलं

ছত্রিশ কোষ্ঠ দিয়ে পীঠ-রূপ পদ্ম বিন্যাস করবে এবং বাইরে সারিবদ্ধ সীমারেখা থাকবে। এরপর দুই কোষ্ঠে বীথিকা (পরিক্রমা-পথ) হবে, এবং দিকগুলিতে দুই কোষ্ঠ করে দ্বার নির্ধারিত হবে। দ্বিতীয় পদ্মের ষোড়শ ভাগে ইন্দ্র প্রভৃতি দেবতাদের স্থাপন করবে; তদ্রূপ সাম ও অথর্ব (বেদ) এবং তত্ত্ব—আকাশ, বায়ু, তেজ (অগ্নি) ও জল—বিন্যস্ত করবে।

Verse 4

वर्तुलं भ्रामयित्वा तु पद्मक्षेत्रं पुरोदितम् पद्मार्धे भामयित्वा तु भागं द्वादशमं वहिः पृठिवीञ्च मनश् चैव श्रोत्रं त्वक् चक्षुरर्चयेत् रसनाञ्च तथा घ्राणं भूर्भुवश् चैव षोडशं

বৃত্তাকার রূপ অঙ্কন করে পূর্বোক্ত পদ্মক্ষেত্র বিন্যাস করবে। তারপর অর্ধ-পদ্মে বাইরে দ্বাদশ ভাগ চিহ্নিত করবে। পৃথিবী ও মন; তদ্রূপ শ্রোত্র, ত্বক, চক্ষু; এবং রসনা ও ঘ্রাণ—এগুলির সঙ্গে ভূঃ ও ভুবঃ—এই সকলকে ষোড়শ ভাগে অর্চনা করবে।

Verse 5

विभज्य भ्रामयेच्छेषं चतुःक्षेत्रन्तु वर्तुलं प्रथमं कर्णिकाक्षेत्रं केशराणां द्वितीयकम् महर्जनस्तपः सत्यं तथाग्निष्टोममेव च अत्यग्निष्टोमकं चोक्थं षोडशीं वाजपेयकं

বিভাগ করে অবশিষ্ট অংশকে ঘুরিয়ে চার ক্ষেত্রবিশিষ্ট বৃত্তাকার বিন্যাস করবে। প্রথমটি কর্ণিকা-ক্ষেত্র (মধ্যাংশ) এবং দ্বিতীয়টি কেশর-ক্ষেত্র (পাপড়ি-অংশ)। সেখানে মহঃ, জনঃ, তপঃ, সত্য; তদ্রূপ অগ্নিষ্টোম; এবং অত্যগ্নিষ্টোম, উক্থ্য, ষোড়শী ও বাজপেয়—এই নাম/যজ্ঞচিহ্নগুলি বিন্যস্ত করবে।

Verse 6

तृतीयं दलसन्धीनां दलाग्राणां चतुर्थकम् प्रसार्य कोणसूत्राणि कोणदिङ्मध्यमन्ततः अतिरात्रञ्च सम्पूज्य तथाप्तोर्याममर्चयेत् मनो बुद्धिमहङ्कारं शब्दं स्पर्शञ्च रूपकं

পদ্মদলের সন্ধিস্থলে তৃতীয় বিন্দু এবং দলের অগ্রভাগে চতুর্থ বিন্দু চিহ্নিত করবে। কোণ থেকে তির্যক সূত্ররেখা প্রসারিত করে, কোণদিক হতে মধ্য দিয়ে অন্ত পর্যন্ত নিয়ে যাবে। তারপর বিধিপূর্বক অতিরাত্র যাগ এবং তদ্রূপ আপ্তোর্যাম যাগের পূজা করবে। মন, বুদ্ধি, অহংকার এবং শব্দ-স্পর্শ-রূপ তন্মাত্রারও অর্চনা করবে।

Verse 7

निधाय केशराग्रे तु दलसन्धींस्तु लाञ्छयेत् पातयित्वाथ सूत्राणि तत्र पत्राष्टकं लिखेत् रसं गन्धञ्च पद्मेषु चतुर्विंशतिषु क्रमात् प्रत्यग्निष्टोमकमिति ख, चिह्नितपुस्तकपाठः ज्योतिष्टोमकमिति ङ, चिह्नितपुस्तकपाठः जीवं मनोधिपञ्चाहं प्रकृतिं शब्दमात्रकं

কেশরের অগ্রভাগে চিহ্ন স্থাপন করে দলে-সন্ধিগুলি চিহ্নিত করবে। তারপর সূত্রগুলি নামিয়ে সেখানে অষ্টদল পদ্ম-রূপ অঙ্কন করবে। ক্রমানুসারে চব্বিশটি পদ্মে ‘রস’ ও ‘গন্ধ’ শব্দ লিখবে। (কিছু চিহ্নিত পাণ্ডুলিপিতে ‘প্রত্যগ্নিষ্টোমকম’, অন্যত্র ‘জ্যোতিষ্টোমকম’ পাঠ পাওয়া যায়।) এরপর ‘জীব’, ‘মনোধিপ’, ‘পঞ্চাহ’, ‘প্রকৃতি’ ও ‘শব্দমাত্রক’—এই মন্ত্রতত্ত্বগুলি স্থাপন করবে।

Verse 8

दलसन्ध्यन्तरालन्तु मानं मध्ये निधाय तु दलाग्रं भ्रामयेत्तेन तदग्रं तदनन्तरं वासुदेवादिमूर्तीञ्च तथा चैव दशत्मकं मनः श्रोत्रं त्वचं प्रार्च्य चक्षुश् च रसनं तथा

দলসন্ধির মধ্যবর্তী ফাঁকের কেন্দ্রে ‘মান’ বিন্দু স্থাপন করে তা দিয়ে দলের অগ্রভাগ পর্যন্ত ঘোরাবে। সেই অগ্র থেকে অব্যবহিত পরেই বাসুদেবাদি মূর্তিগুলির পূজা করবে। তদ্রূপ ‘দশাত্মক’ সমষ্টিরও যথাবিধি অর্চনা করবে—মন, শ্রোত্র (শ্রবণ), ত্বক (স্পর্শ), চক্ষু এবং রসনা (স্বাদ)।

Verse 9

तदन्तरालं तत्पार्श्वे कृत्वा वाह्यक्रमेण च केशरे तु लिखेद्द्वौ द्वौ दलमध्ये ततः पुनः घ्राणं वाक्पाणिपादञ्च द्वात्रिंशद्वारिजेष्विमान् चतुर्थावरणे पूज्याः साङ्गाः सपरिवारकाः

তার পার্শ্বে মধ্যবর্তী ফাঁকগুলি বিন্যস্ত করে এবং বাহ্যক্রমে অগ্রসর হয়ে, কেশরে দুই-দুই করে (নাম/চিহ্ন) লিখবে; তারপর আবার দলের মধ্যভাগে। এই—ঘ্রাণ, বাক্, পাণি ও পাদ—কে বত্রিশটি পদ্ম-খণ্ডে স্থাপন করবে। চতুর্থ আবরণে এদের অঙ্গসহ এবং পরিবারসহ পূজা করতে হবে।

Verse 10

पद्मलक्ष्मैतत् सामान्यं द्विषट्कदलमुच्यते कर्णिकार्धेन मानेन प्राक्संस्थं भ्रामयेत् क्रमात् पायूपस्थौ च सम्पूज्य मासानां द्वादशाधिपान् पुरुषोत्तमादिषड्विंशान् वाह्यावरणके यजेत्

এটাই পদ্মলক্ষণ-এর সাধারণ বিধান—একে দ্বিষট্কদল, অর্থাৎ বারো দলে যুক্ত বলা হয়। কর্ণিকার অর্ধমান নিয়ে পূর্বস্থানে আরম্ভ করে ক্রমানুসারে (স্থাপন/চিহ্ন) ঘোরাবে। পায়ু ও উপস্থে যথাবিধি পূজা করে, বাহ্য আবরণে মাসগুলির দ্বাদশ অধিপতি এবং পুরুষোত্তমাদি ষড়্বিংশতি (মোট ছাব্বিশ) দেবতার যজন করবে।

Verse 11

तत्पार्श्वे भ्रमयोगेन कुण्डल्यः षड् भवन्ति हि एवं द्वादश मत्स्याः स्युर्द्विषट्कदलकञ्च तैः चक्राब्जे तेषु सम्पूज्या मासानां पतयः क्रमात् अष्टौ प्रकृतयः षड्वा पञ्चाथ चतुरो ऽपरे

তার পার্শ্বে ভ্রম-বিন্যাসের পদ্ধতিতে ছয়টি কুণ্ডলী গঠিত হয়। তদ্রূপ বারোটি মৎস্য-আকৃতি এবং বারো পাপড়ির সমষ্টি উৎপন্ন হয়। সেই চক্র-কমলে মাসগুলির অধিপতিদের ক্রমানুসারে যথাবিধি পূজা করতে হয়। এই বিন্যাসকে কেউ আট প্রকৃতি, কেউ ছয়, অন্যেরা পাঁচ এবং কেউ চার বলেও বর্ণনা করেন।

Verse 12

पञ्चपत्राभिसिद्ध्यर्थं मत्स्यं कृत्वैवमब्जकम् व्योमरेखावहिः पीठन्तत्र कोष्टानि मार्जयेत् रजः पातं ततः कुर्याल्लिखिते मण्डले शृणु कर्णिका पीतवर्णा स्याद्रेखाः सर्वाः सिताः समाः

পঞ্চ-পত্রীয় ক্রিয়ার সিদ্ধির জন্য প্রথমে মৎস্য-রূপ অঙ্কন করে তদনুসারে পদ্ম-আলেখ্য নির্মাণ করবে। ‘ব্যোম-রেখা’ চিহ্নিত পীঠে থাকা কোষ্ঠগুলো পরে পরিষ্কার করে মুছে নিতে হবে। তারপর অঙ্কিত মণ্ডলে রজঃ (চূর্ণ) ছিটিয়ে দেবে—শোনো—কর্ণিকা হবে পীতবর্ণ, আর সব রেখা সমানভাবে শ্বেত হবে।

Verse 13

त्रीणि कोणेषु पादार्थं द्विद्विकान्यपराणि तु चतुर्दिक्षु विलिप्तानि गात्रकाणि भवन्त्युत द्विहस्ते ऽङ्गुष्टमात्राः स्युर्हस्ते चार्धसमाः सिताः पद्मं शुक्लेन सन्धींस्तु कृष्णेन श्यामतोथवा

তিন কোণে পাদের জন্য চিহ্ন অঙ্কন করবে; অন্যান্য চিহ্ন যুগল-যুগল করে করতে হবে। চার দিকেই লেপন/রঞ্জনে গাত্রক—অঙ্গসদৃশ উপাংশ—উৎপন্ন হয়। দ্বিহস্ত রূপে সেগুলি অঙ্গুষ্ঠ-পরিমাণ হবে; একহস্তে তার অর্ধেক, এবং শ্বেতবর্ণ। পদ্ম শ্বেত রঙে হবে; তার সংধি-রেখা কৃষ্ণ বা গাঢ় নীল রঙে অঙ্কিত হবে।

Verse 14

ततः पङ्क्तिद्वयं दिक्षु वीठ्यर्थन्तु विलोपयेत् द्वाराण्याशासु कुर्वीत चत्वारि चतसृष्वपि केशरा रक्तपीताः स्युः कोणान् रक्तेन पूरयेत् भूषयेद्योगपीठन्तु यथेष्टं सार्ववर्णिकैः

তারপর দিকগুলিতে ‘বীথি’ (পথ) তৈরির জন্য দুই সারি রেখা মুছে দেবে। চার দিকেই চারটি দ্বার নির্মাণ করবে। কেশর (তন্তু) হবে লাল ও হলুদ; কোণগুলো লাল রঙে পূর্ণ করবে। যোগপীঠকে ইচ্ছামতো সর্ববর্ণ রঞ্জকে অলংকৃত করবে।

Verse 15

द्वाराणां पार्श्वतः शोभा अष्टौ कुर्याद्विचक्षणः पङ्क्तिद्वयं द्वयं दिक्षु वीथ्यर्थं विनियोजयेदिति ङ, चिह्नितपुस्तकपाठः तत्पार्श्व उपशोभास्तु तावत्यः परिकीर्तिताः लतावितानपत्राद्यैर् वीथिकामुपशोभयेत् पीठद्वारे तु शुक्लेन शोभारक्तेन पीततः

দ্বারগুলির দুই পাশে বিচক্ষণ শিল্পী আটটি শোভা-উপাদান স্থাপন করবে। প্রতিটি দিকেই দুই-দুই সারি রেখা ‘বীথি’ (পথ) গঠন ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য নির্দিষ্ট করবে—এটি চিহ্নিত পুস্তক-পাঠ। পার্শ্বীয় উপশোভাও একই সংখ্যায় বলা হয়েছে। লতা-কার্য, বিতান-সজ্জা, পত্র-অলংকার প্রভৃতি দিয়ে বীথিকাকে শোভিত করবে। পীঠ-দ্বারে শ্বেত, শোভা-রক্ত ও পীত রঙে অলংকরণ করবে।

Verse 16

समीप उपशोभानां कोणास्तु परिकीर्तिताः चतुर्दिक्षु ततो द्वे द्वे चिन्तयेन्मध्यकोष्ठकैः उपशोभाञ्च नीलेन कोणशङ्ख्यांश् च वै सितान् भद्रके पूरणं प्रोक्तमेवमन्येषु पूरणं

উপশোভা-কোষ্ঠের সংলগ্ন কোণগুলিকেই ‘কোণ-বিভাগ’ বলা হয়েছে। চার দিকেই মধ্যবর্তী কোষ্ঠসহ দুইটি করে বিভাগ কল্পনা করতে হবে। উপশোভা-কোষ্ঠ নীল রঙে পূরণ করবে এবং কোণ-সংখ্যাঙ্কিত বিভাগগুলি শ্বেত রঙে। ‘ভদ্রক’-এর পূরণবিধি যেমন বলা হয়েছে, তেমনই অন্যান্য নকশাতেও পূরণ করতে হবে।

Verse 17

चत्वारि वाह्यतो मृज्यादेकैकं पार्श्वयोरपि शोभार्थं पार्श्वयोस्त्रीणि त्रीणि लुम्पद्दलस्य तु त्रिकोणं सितरक्तेन कृष्णेन च विभूषयेत् द्विकोणं रक्तपीताभ्यां नाभिं कृष्णेन चक्रके

বাহির দিকে চারটি রেখা টানবে এবং দুই পার্শ্বে একটি করে রেখাও দেবে। শোভার্থে দুই পার্শ্বে তিনটি করে চিহ্ন/রেখা স্থাপন করবে। পদ্মদল-নকশার ত্রিভুজ অংশ শ্বেত ও লাল এবং কালো রঙে অলংকৃত করবে; দ্বি-ত্রিভুজ অংশ লাল ও হলুদে, আর চক্রের নাভি কালো রঙে রঞ্জিত করবে।

Verse 18

तद्वद्विपर्यये कुर्यादुपशोभां ततः परम् कोणस्यान्तर्वहिस्त्रीणि चिन्तयेद्द्विर्विभेदतः अरकान् पीतरक्ताभिः श्यामान् नेमिन्तु रक्ततः सितश्यामारुणाः कृष्णाः पीता रेखास्तु वाह्यतः

তদ্রূপ বিপরীত বিন্যাসেও পরে উপশোভা সম্পাদন করবে। কোণের ভিতরে ও বাইরে তিনটি করে রেখা—দ্বিবিধ ভেদে—কল্পনা করবে। ‘অরক’ অংশ হলুদ-লাল রঙে পূরণ করবে; শ্যাম অংশও তদ্রূপ; কিন্তু নেমি (পরিধি) হবে লাল। শ্বেত, শ্যাম, অরুণ ও কৃষ্ণ রঙ ব্যবহৃত হবে, আর বহিরতম রেখাগুলি হবে হলুদ।

Verse 19

एवं षोडशकोष्ठं स्यादेवमन्यत्तु मण्डलम् द्विषट्कभागे षट्त्रिंशत्पदं पद्मन्तु वीथिका शालिपिष्टादि शुक्लं स्याद्रक्तं कौसुम्भकादिकम् हरिद्रया च हारिद्रं कृष्णं स्याद्दग्धधान्यतः

এভাবে ষোলো-কোষ্ঠবিশিষ্ট মণ্ডল হয়; তদ্রূপ অন্যান্য মণ্ডলও আছে। যখন দ্বিগুণ ছয় ভাগে বিভক্ত করা হয়, তখন ছত্রিশ-পদ (ছত্রিশ ঘর) বিন্যাস হয়; আর পদ্ম-আকৃতি ‘বীথিকা’ নামে পরিচিত। চালের গুঁড়ো ইত্যাদি থেকে শ্বেত, কুসুম্ভ ইত্যাদি থেকে লাল, হলুদ (হারিদ্র) হলুদে, এবং পোড়া শস্য থেকে কৃষ্ণ রঙ প্রস্তুত হবে।

Verse 20

एका पङ्क्तिः प्राभ्यां तु द्वारशोभादि पूर्ववत् द्वादशाङ्गुलिभिः पद्ममेकहस्ते तु मण्डले शमीपत्रादिकैः श्यामं वीजानां लक्षजाप्यतः चतुर्लक्षैस्तु मन्त्राणां विद्यानां लक्षसाधनम्

সম্মুখে একটি পংক্তি (অলংকরণ) নির্মাণ করবে; এবং দ্বার-শোভা প্রভৃতি পূর্ববৎ বিন্যস্ত করবে। মণ্ডলে বারো অঙ্গুল পরিমিত পদ্ম অঙ্কন করবে এবং এক হস্ত পরিসরে স্থাপন করবে। শমীপাতা ইত্যাদি দিয়ে শ্যাম (গাঢ়) রঙ করবে। বীজ-অক্ষরের জপ এক লক্ষ; মন্ত্রের সিদ্ধি চার লক্ষ জপে; আর বিদ্যার সাধন এক লক্ষ জপে সম্পন্ন হয়।

Verse 21

द्विहस्ते हस्तमात्रं स्याद्वृद्ध्या द्वारेण वाचरेत् अपीठञ्चतुरस्रं स्याद्विकरञ्चक्रपङ्कजम् अयुतं बुद्धिविद्यानां स्तोत्राणाञ्च सहस्रकम् पूर्वमेवाथ लक्षेण मन्त्रशुद्धिस् तथात्मनः

দুই হাতে সম্পন্ন ক্রিয়ায় মাপ হবে এক হস্ত। বৃদ্ধি করতে ‘দ্বার-ন্যায়’ অনুসারে মন্ত্র জপ করতে হবে। পীঠ হবে চতুষ্কোণ, এবং চক্র-পদ্মে বিধি অনুযায়ী আরা/পাপড়ির সংখ্যা থাকবে। বুদ্ধি ও বিদ্যা-সিদ্ধির জন্য দশ হাজার জপ, আর স্তোত্রের জন্য এক হাজার জপ নির্দিষ্ট। কিন্তু সর্বপ্রথম এক লক্ষ জপে মন্ত্রশুদ্ধি এবং তদ্রূপ আত্মশুদ্ধি হয়।

Verse 22

पद्मार्धं नवभिः प्रोक्तं नाभिस्तु तिसृभिः स्मृता अष्टाभिर्द्वारकान् कुर्यान्नेमिन्तु चतुरङ्गुलैः तथापरेण लक्षेण मन्त्रः क्षेत्रीकृतो भवेत् पूर्वमेवासमो होमो वीजानां सम्प्रकीर्तितः

পদ্মের অর্ধাংশের মাপ নয় অঙ্গুল বলা হয়েছে; নাভি (মধ্য) তিন অঙ্গুল স্মৃত। আট (অঙ্গুল) মাপে দ্বারকা (খোলা অংশ/পাপড়ি) নির্মাণ করবে, আর নেমি (পরিধি) হবে চার অঙ্গুল। এরপর আরেক লক্ষণ (নির্দিষ্ট চিহ্ন/মানদণ্ড) দ্বারা মন্ত্র ‘ক্ষেত্রীকৃত’—অর্থাৎ অভিষিক্ত ক্ষেত্ররূপে প্রতিষ্ঠিত—হয়। বীজাক্ষরের জন্য অসম (অনিয়মিত) হোম পূর্বেই বর্ণিত হয়েছে।

Verse 23

त्रिधा विभज्य च क्षेत्रमन्तर्द्वाभ्यामथाङ्कयेत् पञ्चान्तस्वरसिद्ध्यर्थं तेष्वस्फाल्य लिखेदरान् पूर्वसेवा दशांशेन मन्त्रादीनां प्रकीर्तिता परश् चर्ये तु मन्त्रे तु मासिकं व्रतमाचरेत्

ক্ষেত্রকে তিন ভাগে বিভক্ত করে, তারপর ভিতরের দুইটি রেখা দিয়ে চিহ্নিত করবে। পাঁচ অন্ত্য-স্বরের সিদ্ধির জন্য, ভূমিতে আঘাত না করে, সেই বিভাগগুলিতে আরা/রেখা অঙ্কন করবে। মন্ত্রাদি বিষয়ে পূর্বসেবা এক-দশাংশ হিসেবে বলা হয়েছে। আর মন্ত্রের পুরশ্চরণে মাসিক ব্রত পালন করতে হবে।

Verse 24

इन्दीवरदलाकारानथवा मातुलाङ्गवत् पद्मपत्रायतान्वापि लिखेदिच्छानुरूपतः भुवि न्यसेद्वामपादं न गृह्णीयात् प्रतिग्रहम् एवं द्वित्रिगुणेनैव मध्यमोत्तमसिद्धयः

ইন্দীবর (নীলপদ্ম) পাপড়ির ন্যায়, অথবা মাতুলাঙ্গ (বিজোরা) সদৃশ, কিংবা পদ্মপত্রের মতো দীর্ঘাকারে—ইচ্ছানুসারে অঙ্কন করবে। ভূমিতে বাম পা বিধিমতে স্থাপন করবে এবং প্রতিগ্রহ (দান/উপহার) গ্রহণ করবে না। এভাবে দ্বিগুণ বা ত্রিগুণ করলে মধ্যম ও উত্তম সিদ্ধি লাভ হয়।

Verse 25

भ्रामयित्वा वहिर् नेमावरसन्ध्यन्तरे स्थितः भ्रामयेदरमूलन्तु सन्धिमध्ये व्यवस्थितः मन्त्रध्यानं प्रवक्ष्यामि येन स्यान्मन्त्रजं फलम् स्थूलं शब्दमयं रूपं विग्रहं वाह्यमिष्यते

নেমির বাইরে ও অবর-সন্ধির মধ্যবর্তী অন্তরালে অবস্থান করে, তাকে বাহিরমুখে ঘোরাবে; তারপর সন্ধির মধ্যভাগে স্থিত হয়ে আর-মূল (আরার মূল) স্থানে ঘোরাবে। আমি মন্ত্র-ধ্যান ব্যাখ্যা করব, যার দ্বারা মন্ত্রজাত ফল উৎপন্ন হয়। বাহ্য বিগ্রহকে শব্দময় স্থূল রূপ বলে মানা হয়।

Verse 26

परिमार्जिता इति घ, चिह्नितपुस्तकपाठः द्विधा इति ख, चिह्नितपुस्तकपाठः पञ्चान्तरस्त्वसिद्ध्यर्थमिति ख, चिह्नितपुस्तकपाठः पञ्चोत्तरस्तु सिद्ध्यर्थमिति ङ, चिह्नितपुस्तकपाठः अरमध्ये स्थितो मधमरणिं भ्रामयेत् समम् एवं सिद्ध्यन्तराः सम्यक् मातुलाङ्गनिभाः समाः सुक्ष्मां ज्योतिर्मयं रूपं हार्दं चिन्तामयं भवेत् चिन्तया रहितं यत्तु तत् परं प्रकीर्तितम्

‘পরিমার্জিতা’—এমন পাঠ এক চিহ্নিত পাণ্ডুলিপিতে; ‘দ্বিধা’—অন্যটিতে; ‘পাঁচ অন্তর অসিদ্ধির জন্য’—একটিতে; আর ‘পাঁচের অতিরিক্ত (পাঁচ) সিদ্ধির জন্য’—অন্যটিতে। অরণির মধ্যভাগে স্থিত হয়ে মধ্য-অরণিকে সমভাবে ঘোরাতে হবে। তাতে মধ্যবর্তী সিদ্ধিগুলি যথাযথভাবে উৎপন্ন হয়, মাতুলাঙ্গ (বিজোরা) ফলের ন্যায় সমরূপ। হৃদয়ে সূক্ষ্ম, জ্যোতির্ময়, চিন্তাময় রূপ উদিত হয়; কিন্তু যা চিন্তাহীন, তাকেই পরম বলে কীর্তিত।

Verse 27

विभज्य सप्तधा क्षेत्रं चतुर्दशकरं समम् द्विधा कृते शतं ह्य् अत्र षण्नवत्यधिकानि तु वराहसिंहशक्तीनां स्थूलरूपं प्रधानतः चिन्तया रहितं रूपं वासुदेवस्य कीर्तितम्

ক্ষেত্র (পবিত্র যন্ত্রক্ষেত্র) সাত ভাগে বিভক্ত করে, তাকে চৌদ্দ করের সম মাপে স্থাপন করে, তারপর দ্বিখণ্ডিত করলে এখানে একশত—এবং অতিরিক্ত ছিয়ানব্বই—হয়। প্রধানত এটি বরাহ ও নরসিংহ শক্তির স্থূল (বাহ্য) রূপ বলে কীর্তিত; আর বাসুদেবের রূপ চিন্তাকল্পনা-রহিত বলে ঘোষিত।

Verse 28

कोष्टकानि चतुर्भिस्तैर् मध्ये भद्रं समालिखेत् परितो विसृजेद्वीथ्यै तथा दिक्षु समालिखेत् इतरेषां स्मृतं रूपं हार्दं चिन्तामयं सदा स्थूलं वैराजमाख्यातं सूक्ष्मं वै लिङ्गितं भवेत्

সেগুলি দিয়ে চারটি কোষ্টক (খণ্ড) অঙ্কন করে, তাদের মধ্যভাগে শুভ ‘ভদ্র’ রূপ আঁকতে হবে। চারদিকে একটি পরিক্রমাপথ (বীথি) ফাঁকা রেখে, দিকগুলিতেও বিভাজনচিহ্ন অঙ্কন করতে হবে। অন্যদের রূপ ‘হার্দ’—সদা চিন্তাময়—বলে স্মৃত। স্থূল রূপকে ‘বৈরাজ’ বলা হয়, আর সূক্ষ্ম রূপ সত্যই ‘লিঙ্গিত’ (সংকেতিত/লক্ষণযুক্ত)।

Verse 29

कमलानि पुनर्वीथ्यै परितः परिमृज्य तु द्वे द्वे मध्यमकोष्ठे तु ग्रीवार्थं दिक्षु लोपयेत् चिन्तया रहितं रूपमैश्वरं परिकीर्तितम् हृत्पुण्डरीकनिलयञ्चैतन्यं ज्योतिरव्ययम्

পুনরায় বীথির জন্য চারদিকে পদ্মচক্র অঙ্কন করে, পরিধি মসৃণ করবে। মধ্য কোষ্টকে ‘গ্রীবা’ (কণ্ঠ-রচনা) করার জন্য দিকগুলিতে দুই-দুই চিহ্ন লোপ করবে। যে রূপ চিন্তাহীন, তাকেই ঐশ্বর (ঈশ্বরীয়) রূপ বলা হয়েছে—হৃদয়-পদ্মে নিবাসী, শুদ্ধ চৈতন্য, অব্যয় জ্যোতি।

Verse 30

चत्वारि वाह्यतः पश्चात्त्रीणि त्रीणि तु लोपयेत् ग्रीवापार्श्वे वहिस्त्वेका शोभा सा परिकीर्तिता वीजं वीजात्मकं ध्यायेत् कदम्बकुसुमाकृतिं कुम्भान्तरगतो दीपो निरुद्धप्रसवो यथा

বাহির দিক থেকে পরে চারটি অংশ লোপ করবে, এবং তিনটি-তিনটি করেও লোপ করবে। গ্রীবার পার্শ্বে বাহিরে একটি রেখা/চিহ্ন অবশিষ্ট থাকে—তাকেই শোভা বলা হয়েছে। বীজ (মন্ত্র)কে বীজ-স্বরূপই ধ্যান করবে, কদম্ব-পুষ্পাকৃতি—যেমন ঘটের ভিতরে স্থাপিত প্রদীপ, যার শিখার প্রকাশ রুদ্ধ।

Verse 31

विमृज्य वाह्यकोणेषु सप्तान्तस्त्रीणि मार्जयेत् मण्डलं नवभागं स्यान्नवव्यूहं हरिं यजेत् संहतः केवलस्तिष्ठेदेवं मन्त्रेश्वरो हृदि अनेकशुषिरे कुम्भे तावन्मात्रा गभस्तयः

ভূমি মুছে বাহ্য কোণসমূহ শুদ্ধ করবে; ভিতরে সাতটি রেখা ও বাইরে তিনটি চিহ্ন মার্জন করবে। মণ্ডলকে নয় ভাগে বিভক্ত করে নবব্যূহে হরির পূজা করবে। এভাবে সংযত ও একাকী অবস্থায় মন্ত্রেশ্বর হৃদয়ে অধিষ্ঠিত হন। বহু ছিদ্রযুক্ত কুম্ভে রশ্মি ছিদ্রের পরিমাপ অনুযায়ীই প্রকাশ পায়।

Verse 32

पञ्चविंशतिकव्यूहं मण्डलं विश्वरूपगं द्वात्रिंशद्धस्तकं क्षेत्रं भक्तं द्वात्रिंशता समं प्रसरन्ति वहिस्तद्वन्नाडीभिर्वीजरश्मयः अथावभासतो दैवीमात्मीकृत्य तनुं स्थिताः

মণ্ডল পঁচিশ বিভাগের ব্যূহে বিন্যস্ত এবং তা বিশ্বরূপ। ক্ষেত্র বত্রিশ হস্ত পরিমিত, বত্রিশ সমান ভাগে বিভক্ত। সেখান থেকে বীজশক্তির রশ্মি বাইরে প্রসারিত হয়; তদ্রূপ নাড়ীর মাধ্যমে বীজরশ্মিও বিস্তৃত হয়। পরে তারা দীপ্ত হয়ে দিব্য দেহকে আত্মসাৎ করে অবস্থান করে।

Verse 33

एवं कृते चतुर्विंशत्यधिकन्तु सहस्रकं कोष्ठकानां समुद्दिष्टं मध्ये शोडशकोष्ठकैः हृदयात् प्रस्थिता नाड्यो दर्शनेन्द्रियगोचराः अग्नीषोमात्मके तासां नाड्यौ नासाग्रसंस्थिते

এভাবে করলে চব্বিশ হাজারের অধিক কোষ্ঠক বর্ণিত হয়, মধ্যভাগে ষোলো কোষ্ঠকসহ। হৃদয় থেকে নাড়ীগুলি প্রসূত হয়, যা ইন্দ্রিয়ের দ্বারা প্রত্যক্ষ-গোচর হয়। তাদের মধ্যে অগ্নি ও সোম-স্বভাব দুই নাড়ী নাসার অগ্রভাগে অবস্থিত।

Verse 34

भद्रकं परिलिख्याथ पार्श्वे पङ्क्तिं विमृज्य तु ततः षोडशभिः कोष्टैर् दिक्षु भद्राष्टकं लिखेत् सम्यग्गुह्येन योगेन जित्वा देहसमीरणम् जपध्यानरतो मन्त्री मन्त्रलक्षणमश्नुते

প্রথমে ভদ্রক অঙ্কন করে তার পার্শ্ববর্তী পংক্তি সম্যকভাবে মুছে শুদ্ধ করবে। তারপর ষোলো কোষ্ঠকে দিকসমূহে ভদ্রাষ্টক লিখবে। যথাযথ গুহ্য যোগে দেহস্থিত প্রাণবায়ুকে জয় করে, জপ ও ধ্যানে রত মন্ত্রসাধক মন্ত্রের লক্ষণ—অর্থাৎ সিদ্ধি ও কার্যক্ষমতা—লাভ করে।

Verse 35

ततोपि पङ्क्तिं सम्मृज्य तद्वत् षोडशभद्रकं लिखित्वा परितः पङ्क्तिं विमृज्याथ प्रकल्पयेत् संशुद्धभूततन्मात्रः सकामो योगमभ्यसन् अणिमादिमवाप्नोति विरक्तः प्रविलङ्घ्य च देवात्मके भूतमात्रान्मुच्यते चेन्द्रियग्रहात्

তারপর আবার পংক্তি পরিষ্কার করে, তদ্রূপ ষোলো-ভদ্রক অঙ্কন করবে; চারদিকে পংক্তি মুছে শুদ্ধ করে পরবর্তী বিধান স্থাপন করবে। ভূত ও তন্মাত্রা শুদ্ধ হলে, ফলকামনায় যোগাভ্যাসকারী সাধক অণিমা প্রভৃতি সিদ্ধি লাভ করে। কিন্তু যে বৈরাগ্যবান, সে এই অর্জনও অতিক্রম করে, দেবাত্মক ভূতমাত্রা ও ইন্দ্রিয়গ্রহণের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়।

Verse 36

द्वारद्वादशकं दिक्षु त्रीणि त्रीणि यथाक्रमं षड्भिः परिलुप्यान्तर्मध्ये चत्वारि पार्श्वयोः

চার দিকের মধ্যে দ্বাদশ দ্বার-স্থান যথাক্রমে প্রতি দিকে তিনটি করে স্থাপন করবে। ছয়টি স্থান পরিত্যাগ করে অন্তর্মধ্য ও দুই পার্শ্বে চারটি দ্বার-স্থান নির্ধারণ করবে।

Verse 37

चत्वार्यन्तर्वहिर्द्वे तु शोभार्थं परिमृज्य तु उपद्वारसिद्ध्यर्थं त्रीण्यन्तः पञ्च वाह्यतः

শোভা বৃদ্ধির জন্য ভিতরের চার অংশ ও বাইরের দুই অংশ মসৃণ করে পরিশোধন করবে। উপদ্বার (সহায়ক দ্বার) সিদ্ধির জন্য ভিতরে তিনটি ও বাইরে পাঁচটি অংশ প্রস্তুত করবে।

Verse 38

दिक्षु तत्राष्टकं लिखेदिति ख, ग, घ, चिह्नितपुस्तकपाठः परिमृज्य तथा शोभां पूर्ववत् परिकल्पयेत् वहिः कोणेषु सप्तान्तस्त्रीणि कोष्ठानि मार्जयेत्

সেখানে দিকসমূহে ‘অষ্টক’ লিখবে—খ, গ, ঘ চিহ্নিত পাণ্ডুলিপিতে এ পাঠ আছে। তা মুছে-পরিষ্কার করে পূর্ববৎ অলংকরণ স্থির করবে। বাইরে কোণায় সাতটি এবং ভিতরে তিনটি কোষ্ঠ পরিষ্কার করবে।

Verse 39

पञ्चविंशतिकव्यूहे परं ब्रह्म यजेत् कजे मध्ये पूर्वादितः पद्मे वासुदेवादयः क्रमात्

পঞ্চবিংশতি ব্যূহ-বিন্যাসে পরব্রহ্মের পূজা করবে। পদ্ম-যন্ত্রের মধ্যভাগে, পূর্বদল থেকে আরম্ভ করে, বাসুদেব প্রভৃতি দেবতাকে ক্রমানুসারে স্থাপন করে আরাধনা করবে।

Verse 40

वराहं पूजयित्वा च पूर्वपद्मे ततः क्रमात् व्यूहान् सम्पूजयेत्तावत् यावत् षड्विंशमो भवेत्

পূর্ব পদ্মাসনে বরাহের পূজা করে, তারপর ক্রমানুসারে ব্যূহসমূহকে সম্পূর্ণভাবে আরাধনা করবে; যতক্ষণ না ষড়বিংশ (ছাব্বিশতম) স্থান/দেবতা সম্পন্ন হয়, ততক্ষণ পূজা অব্যাহত রাখবে।

Verse 41

यथोक्तं व्यूहमखिलमेकस्मिन् पङ्कजे क्रमात् यष्टव्यमिति यत्नेन प्रचेता मन्यते ऽध्वरं

প্রচেতার মতে, একটিমাত্র পঙ্কজ-যন্ত্রে শাস্ত্রোক্ত বিধান অনুসারে সমগ্র ব্যূহকে ক্রমান্বয়ে বিন্যস্ত করে যত্নসহকারে যজ্ঞ সম্পাদন করা উচিত।

Verse 42

सत्पन्तु मूर्तिभेदेन विभक्तं मन्यते ऽच्युतं चत्वारिंशत् करं क्षेत्रं ह्य् उत्तरं विभजेत् क्रमात्

হে অচ্যুত! সত্পন্থুর মতে, মূর্তি-ভেদের অনুসারে বিভাজন করা হয়; তারপর চল্লিশ কর পরিমিত ক্ষেত্রকে উত্তর দিক থেকে ক্রমান্বয়ে ভাগ করতে হবে।

Verse 43

एकैकं सप्तधा भूयस्तथैवैकं द्विधा पुनः चतुःषष्ट्युत्तरं सप्तशतान्येकं सहस्रकं

প্রতিটি একককে আবার সাতগুণ করা হয়; তদ্রূপ একককে পুনরায় দ্বিগুণ করা হয়। এভাবে সাতশো চৌষট্টি হয়, এবং সর্বমোট এক সহস্র সম্পূর্ণ হয়।

Verse 44

कोष्ठकानां भद्रकञ्च मध्ये षोडशकोष्ठकैः पार्श्वे वीथीं ततश्चाष्टभद्राण्यथ च वीथिका

কোষ্ঠকগুলির মধ্যে মধ্যস্থলে একটি ভদ্রক স্থাপন করবে; পার্শ্বে ষোলোটি কোষ্ঠক বিন্যস্ত করবে; তারপর একটি বীথি (পথ) দেবে, এবং পরে আটটি ভদ্রক ও একটি বীথিকা (ক্ষুদ্র পথ) করবে।

Verse 45

षोडशाब्जान्यथो वीथी चतुर्विंशतिपङ्कजं वीथीपद्मानि द्वात्रिंशत् पङ्क्तिवीथिकजान्यथ

বীথির পরিমাপ ষোলো ‘অব্জ’ (পদ্ম-একক)। চতুর্বিংশতি প্রকারে চব্বিশ পঙ্কজ-একক। বীথি-পদ্মের পরিমাপ বত্রিশ; এবং পঙ্ক্তি-বীথিকার পদ্ম-এককও তদনুরূপ নির্দিষ্ট।

Verse 46

चत्वारिंशत्ततो वीथी शेषपङ्क्तित्रयेण च द्वारशोभोपशोभाः स्युर्दिक्षु मध्ये विलोप्य च

তদনন্তর চল্লিশটি বীথি (পথ/সড়ক) স্থাপনীয়। অবশিষ্ট তিন সারি দ্বারা দ্বারগুলির প্রধান ও গৌণ অলংকার দিকসমূহে বিন্যস্ত হবে, এবং বিদিশার মধ্যাংশ বর্জিত থাকবে।

Verse 47

द्विचतुःषड्द्वारसिद्ध्यै चतुर्दिक्षु विलोपयेत् पञ्च त्रीण्येककं वाह्ये शोभोपद्वारसिद्धये

দুই, চার বা ছয় দ্বারযুক্ত পরিকল্পনার সিদ্ধির জন্য চার দিকেই (নির্দিষ্ট অংশ) বর্জন করতে হবে। সৌন্দর্যবর্ধক উপদ্বারের সিদ্ধির জন্য বাহির দিকে পাঁচ, তিন বা এক (একক) বর্জনীয়।

Verse 48

उभे इति ङ, चिह्नितपुस्तकपाठः यष्टव्यमिति यज्ञेन इति ग, घ, चिह्नितपुस्तकद्वयपाठः यष्टव्यमिति मन्त्रेण इति ङ, चिह्नितपुस्तकपाठः प्रचेता मन्यते ध्रुवमिति ख, चिह्नितपुस्तकपाठः ह्युत्तममिति ङ, चिह्नितपुस्तकपाठः द्वाराणां पार्श्वयोरन्तः षड् वा चत्वारि मध्यतः द्वे द्वे लुम्पेदेवमेव षड् भवन्त्युपशोभिकाः

দ্বারের উভয় পার্শ্বফলকের ভিতরে ছয়টি উপশোভিকা স্থাপন/উৎকীর্ণ করা উচিত; অথবা মধ্যভাগে চারটি রেখে, দুই-দুই করে লোপ (অবকাশ) দিতে হবে। এভাবেই ছয়টি উপশোভিকা সম্পন্ন হয়।

Verse 49

एकस्यां दिशि सङ्ख्याः स्युः चतस्रः प्रिसङ्ख्यया

একটি দিকের ক্ষেত্রে নিয়মিত গণনায় সংখ্যা চার বলে গ্রহণ করতে হবে।

Verse 50

एकैकस्यां दिशि त्रीणि द्वाराण्यपि भवन्त्युत पञ्च पञ्च तु कोणेषु पङ्क्तौ पङ्क्तौ क्रमात् मृजेत् कोष्टकानि भवेदेवं मर्त्येष्ट्यं मण्डलं शुभं

প্রত্যেক দিকেই তিনটি করে দ্বার থাকে। কোণসমূহে পাঁচটি করে (কোষ্ঠক) থাকবে; সারি-সারি করে ক্রমানুসারে কোষ্ঠকগুলি চিহ্নিত/পরিশোধিত করতে হবে। এভাবে কোষ্ঠকযুক্ত শুভ ‘মর্ত্যেষ্ঠ্য’ মণ্ডল সম্পন্ন হয়।

Frequently Asked Questions

It is a consecrated ritual field for mantra-sādhana, combining precise geometric layout, deity/element placements, and disciplined japa-dhyāna to produce mantra-lakṣaṇa (effective potency) and yogic purification.

Compartment counts (16/36/24/32 and larger enumerations), lotus-zone architecture (karṇikā, keśara, vīthikā, dvāra), exact measures (aṅgula/hasta/kara), pigment sources and color codes, and procedural steps for wiping/marking/omitting cells to form passages and door-sites.

It correlates the mandala’s rays and divisions with nāḍīs arising from the heart, teaches contemplation from gross sound-formed imagery to subtle heart-luminosity, and culminates in the aiśvara form described as free from conceptual thought.

Bīja-japa is set at one lakh; mantras at four lakhs; a vidyā at one lakh; additionally, ten thousand for intellectual/knowledge attainments and one thousand for hymns—preceded by one lakh for mantra-śuddhi and self-purification.