
এই অধ্যায়ে রাজসভা থেকে মন্দির-পরিসর পর্যন্ত এক কূটনৈতিক-ধর্মীয় ধারায় পদ্মাবতী–শ্রীনিবাসের বিবাহকথা আচার ও প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে রানি ধরনী আগত দিব্য পরিচারিকা বকুলমালিকার পরিচয় ও উদ্দেশ্য জিজ্ঞাসা করে অনুসন্ধান-প্রথা ও বিশ্বাসযোগ্যতার নিয়ম স্থির করেন। বকুলমালিকা ভেঙ্কটাদ্রিতে শ্রীনিবাসের বিচরণ, অরণ্য-প্রসঙ্গ এবং স্বামীতীর্থে রাজা শঙ্খের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বলেন; সেখানে তপস্যা ও মন্দির-স্থাপনকে বৈধ ভক্তিমার্গ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। শ্রীনিবাস পথ-নির্দিষ্ট নির্দেশ দেন—বিশেষত বিষ্বক্সেনকে সম্মান ও স্বামিপুষ্করিণীতে স্নান—যাতে তীর্থভূগোল ও অনুমোদিত আচারের যোগ ঘটে। এরপর রাজকীয় সিদ্ধান্তপর্ব। আকাশরাজ মন্ত্রীদের সঙ্গে পুরোহিত-জ্যোতিষাধিকারী বৃহস্পতির পরামর্শে বিবাহের শুভক্ষণ নির্ধারণ করেন—বৈশাখ মাসে উত্তরফাল্গুনী নক্ষত্রে। তারপর সর্বজনীন উৎসব: বিশ্বকর্মার নগরসজ্জা, ইন্দ্রের পুষ্পবৃষ্টি এবং অন্যান্য দেবতার মঙ্গল-উপহার—সমবেত শুভব্যবস্থার চিত্র ফুটে ওঠে। শেষে বকুলমালিকা ও শুক-দূত শ্রীনিবাসের কাছে ফিরে পদ্মাবতীর নিবেদন পৌঁছে দেন; শ্রীনিবাস মালা প্রেরণ করে সম্মতি জানান, এবং দেবাগমনের জন্য রাজকীয় আতিথ্য ও বিবাহ-প্রস্তুতি শুরু হয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.