
এই অধ্যায়ে দেব-আগমনের পর কাহিনি অন্তর্মুখী আকুলতায় মোড় নেয়। শ্রীনিবাস রত্নখচিত মণ্ডপে প্রবেশ করে পদ্মাবতীর সৌন্দর্যস্মরণে নিমগ্ন হন এবং মোহাচ্ছন্ন তন্ময় অবস্থায় স্থির হয়ে যান। তখন বকুলমালিকা সুসজ্জিত নৈবেদ্য-উপহার নিয়ে এসে তাঁর দেহ-মনগত লক্ষণ দেখে প্রশ্ন করে এবং সেই অবস্থার ব্যাখ্যা করে। শ্রীনিবাস উত্তরে পদ্মাবতীর পূর্বযুগীয় যোগসূত্র বলেন—বেদবতী/সীতার প্রসঙ্গ এবং পরবর্তী যুগে মিলনের প্রতিশ্রুতি—যাতে বর্তমান প্রেম ধর্ম-প্রতিজ্ঞা ও দैব অভিপ্রায়ের ধারাবাহিকতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর তিনি বকুলমালিকাকে যাত্রাপথ নির্দেশ দেন: নৃসিংহ-গুহা, অগস্ত্যাশ্রম ও সুবর্ণমুখরী তীরে অগস্ত্যেশ-লিঙ্গ, তারপর বন-সরোবর অতিক্রম করে নারায়ণপুরী/আকাশরাজার নগরী। পথে বৃক্ষ-পক্ষী-পশুর সমৃদ্ধ বর্ণনা এক পবিত্র মানচিত্রের মতো ভূমিকে ধর্মের সঙ্গে বেঁধে দেয়। শেষে বকুলমালিকা যাত্রা শুরু করে পদ্মাবতীর সখীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে, পরবর্তী সংলাপের সূচনা হয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.