Adhyaya 36
Vishnu KhandaVenkatachala MahatmyaAdhyaya 36

Adhyaya 36

এই অধ্যায়ে সংলাপরূপে ভারদ্বাজ ভগবান বিষ্ণুর বরাহ-অবতারের কাহিনি বলেন। প্রলয়জলে নিমজ্জিত বসুমতী না থাকলে জীবসমূহের ভার ধারণ অসম্ভব—এ কথা বুঝে ভগবান পাতালদেশে ডুবে থাকা পৃথিবীকে দেখেন এবং যজ্ঞময় বরাহদেহ ধারণ করেন; যেখানে বৈদিক ছন্দ, অগ্নি ও যজ্ঞোপকরণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে প্রতীকরূপে স্থাপিত। বরাহ জলে প্রবেশ করে অন্ধকার দূর করেন, রসাতলকে দমন করেন এবং দন্তে পৃথিবী তুলে আনেন; ঋষিগণ স্তব করেন, আর সমুদ্রের গর্জনকে মঙ্গলধ্বনি ও আহুতি-সদৃশ রূপকে বর্ণনা করা হয়। পরে অর্জুন প্রশ্ন করেন—প্রলয়ে পৃথিবী কীভাবে স্থিত থাকে এবং সপ্ত পাতালের নীচে তার আধার কী। ভারদ্বাজ নাড়িকা, দিন, মাস, বছর ইত্যাদি কালমান, যুগ-মন্বন্তর বিন্যাস এবং শ্বেতবরাহ-কল্পে মনুদের ক্রম ব্যাখ্যা করেন। প্রলয়ের ধারায় প্রথমে খরা/তাপ, তারপর বহু বছরের বর্ষা, বিশ্বপ্লাবন, বিষ্ণুর নাভিকমলে ব্রহ্মার যোগনিদ্রা এবং পরে ভগবানের আদেশে নবসৃষ্টি—এসব বলা হয়। শেষে উল্লেখ আছে যে এই কল্পে বিষ্ণু শ্বেত বরাহরূপে অবতীর্ণ হয়ে পরে বেঙ্কটাচলে এসে স্বামিপুষ্করিণীর নিকটে বাস করেন; ব্রহ্মার প্রার্থনায় তিনি দিব্যরূপ গ্রহণ করেন এবং প্রত্যক্ষ দর্শন দুর্লভ হয়—তখন অর্জুন ভক্তি ও কাহিনি-শ্রবণে মানুষের জন্য ভগবৎপ্রাপ্তির উপায় জানতে চান।

Shlokas

No shlokas available for this adhyaya yet.