
অর্জুন আরও শুনতে আগ্রহী হয়ে নদীতীরের তীর্থসমূহ, তাদের সঙ্গমস্থান এবং সেখানে স্নান ও পূজার বিশেষ ফল জানতে চান। ভরদ্বাজ ক্রমান্বয়ে বলেন—প্রথমে অগস্ত্যতীর্থ, যা গুরুতর পাপকেও শুদ্ধ করে; তারপর অগস্ত্যপ্রতিষ্ঠিত অগস্ত্যেশ্বর লিঙ্গ, যেখানে নদীতে স্নান করে পূজা করলে যজ্ঞসম মহাপুণ্য লাভ হয়। মকরসংক্রান্তির সময়কে শুভ স্নানকাল বলে উল্লেখ করে সেই ঋতুতে অগস্ত্যেশ্বর দর্শনের বিশেষ মাহাত্ম্য বলা হয়েছে। এরপর দেব–ঋষি–পিতৃ তীর্থত্রয়ের কথা আসে; সেখানে স্নান ও বিধিপূর্বক তর্পণে ‘ঋণত্রয়’ মোচনের কথা বলা হয়েছে। পরে নদীর গতিধারা ও সঙ্গম মানচিত্রিত হয়—সুবর্ণমুখরীর সঙ্গে বেণার সঙ্গম, এবং সুবর্ণমুখরীর সঙ্গে ব্যাঘ্রপদার সঙ্গম; প্রতিটি সঙ্গম পুণ্যবর্ধক। শেষে শঙ্খতীর্থ ও শঙ্খঋষি প্রতিষ্ঠিত শঙ্খেশের বর্ণনা দিয়ে দর্শন, স্নান ও তীর্থজল পানকে একত্রে ভক্তিময় তীর্থযাত্রারূপে দেখানো হয়েছে, যা বৃষভাচল অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.