Adhyaya 33
Vishnu KhandaVenkatachala MahatmyaAdhyaya 33

Adhyaya 33

এই অধ্যায়ে বেঙ্কটাচলমাহাত্ম্যের অন্তর্গত সুবর্ণমুখরী নদীর আবির্ভাব, নামকরণ এবং তার আচার-তাত্ত্বিক মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। ভরদ্বাজ বলেন—শক্রপ্রমুখ দেবগণ এবং ঋষি, সিদ্ধ, চারণ ও গন্ধর্বসমূহ অগস্ত্যের সঙ্গে চলমান এই নদীর মহিমা কীর্তন করেন। বায়ুদেব নদীর উৎপত্তি ও খ্যাতি ব্যাখ্যা করেন—অগস্ত্য মুনিই তাকে পৃথিবীতে আনেন, এবং সে ‘সুবর্ণমুখরী’ নামে প্রসিদ্ধ হয়ে নদীগণের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও সেবনীয় হবে। পরবর্তী অংশে বিস্তৃত মাহাত্ম্য—নদীর স্মরণ ও স্নান পাপ নাশ করে; অস্থি-বিসর্জন পরলোকে গতি লাভে সহায়ক; এবং তীরে সম্পাদিত দান, জপ, শ্রাদ্ধ প্রভৃতি কর্ম বহু গুণ ফল দেয়। ফলশ্রুতিতে স্বাস্থ্যলাভ, বিঘ্ননাশ, পিতৃকার্যের সিদ্ধি এবং গ্রহণ, সংক্রান্তি ইত্যাদি তিথিকালে বিশেষ পুণ্যের কথা বলা হয়েছে। শেষে অগস্ত্যোদয়ের দিনে বার্ষিক ব্রত নির্দেশিত—স্বর্ণের অগস্ত্য-মূর্তি নির্মাণ করে পূজা, দান, ব্রাহ্মণভোজন ও সমর্পণ করলে সঞ্চিত দোষ থেকে মুক্তি এবং স্থায়ী আধ্যাত্মিক কল্যাণ লাভ হয়।

Shlokas

No shlokas available for this adhyaya yet.