
অধ্যায়টি পুরাণীয় বর্ণনাভঙ্গিতে শুরু হয়। সন্ধ্যার নিত্যকর্ম সম্পন্ন করে অর্জুন শ্রদ্ধাভরে ঋষি ভারদ্বাজের কাছে এসে এক মহান নদীর উৎপত্তি এবং সেখানে স্নান ও দানের ফলে যে পুণ্য লাভ হয়—তার উপদেশ প্রার্থনা করেন। ভারদ্বাজ অর্জুনের বংশ, শীল ও গুণের প্রশংসা করে বলেন, মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করলে এই দিব্য আখ্যান পাপজনিত দুঃখ দূর করে এবং চিত্তকে শুদ্ধ করে। এরপর প্রসঙ্গ গিয়ে পৌঁছায় শঙ্করের বিবাহোৎসবে। দেবগণসহ সকলের সমাবেশে পৃথিবী ভারাক্রান্ত হয়ে অস্থির হয়ে ওঠে। এই অসাম্য দেখে মহাদেব বিশ্বরক্ষায় নিবেদিত, দিব্য শক্তি থেকে উদ্ভূত অগস্ত্যকে দক্ষিণদিকে গমন করতে আদেশ দেন। অগস্ত্য বিন্ধ্য পর্বত অতিক্রম করে দক্ষিণে গেলে পৃথিবী পুনরায় ভারসাম্য লাভ করে, এবং দেবগণ তাঁর প্রশংসা করেন। পরে অগস্ত্য সূর্য-নির্মিতের মতো দীপ্ত এক মহাপর্বত দর্শন করেন, তাতে আরোহণ করে এক সুন্দর সরোবরের উত্তর তীরে আশ্রম স্থাপন করেন। তিনি বিধিপূর্বক পিতৃ, দেব, ঋষি ও বাস্তুদেবতাদের পূজা করেন এবং তপস্যার দ্বারা জগতের স্থিতি রক্ষার আদর্শ স্থাপন করেন। এইভাবে অধ্যায়টি সংলাপ, তীর্থ-উৎপত্তি ও লোককল্যাণকারী তপস্যার নৈতিক মডেলকে একত্রে বুনে দেয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.