
অধ্যায়ের শুরুতে ঋষিগণ সুবর্ণমুখরী নদী ও তার সঙ্গে যুক্ত তীর্থসমূহের উৎপত্তি ও মাহাত্ম্য বিস্তারিত জানতে চান। সূত প্রণাম করে ভরদ্বাজের বর্ণিত কাহিনি বলেন এবং মহাভারত-সম্পর্কিত প্রসঙ্গে প্রবেশ করেন—ইন্দ্রপ্রস্থে পাণ্ডবদের বাস ও দ্রৌপদীকে কেন্দ্র করে গৃহ-নিয়ম। শর্ত ছিল, কোনো ভাই যদি অন্য ভাইয়ের গৃহে দ্রৌপদীকে দেখে ফেলে, তবে তাকে এক বছর তীর্থযাত্রা করতে হবে। এরপর এক ব্রাহ্মণের চুরি হওয়া গরু উদ্ধার করতে গিয়ে অর্জুনকে অস্ত্রাগারে প্রবেশ করতে হয়, যেখানে দ্রৌপদী ও যুধিষ্ঠির উপস্থিত; ফলে শর্ত কার্যকর হয়। যুধিষ্ঠির বলেন, ব্রাহ্মণ-রক্ষা ও সম্পত্তি-রক্ষার জন্য কাজটি ধর্মসঙ্গত; কিন্তু অর্জুন প্রতিজ্ঞা-রক্ষা অপরিহার্য মনে করেন, নচেৎ সুনাম ও ধর্ম—উভয়েরই ক্ষয় হবে। রাজানুমতি নিয়ে তিনি সহচর ও সম্পদসহ যাত্রা করেন এবং গঙ্গা, প্রয়াগ, কাশী, দক্ষিণ সমুদ্র, পুরী/পুরুষোত্তম, সিংহাচল, গোদাবরী প্রভৃতি বহু তীর্থ দর্শন করেন। শেষে তিনি শ্রীপর্বত ও বেঙ্কটাচলে পৌঁছে শিখরে হরির পূজা করেন এবং সুবর্ণমুখরী নদী দর্শন করেন। বলা হয়, কুম্ভসম্ভব ঋষি অগস্ত্য এই নদীকে সেখানে আনয়ন/প্রকাশ করেছিলেন; তাই তপস্বীর প্রামাণ্যে নদী ও তীর্থের পবিত্রতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.