
এই অধ্যায়ে শ্রীভেঙ্কটাচলে অবস্থিত কটাহতীর্থের মহিমা বহু-বক্তার ধর্মতাত্ত্বিক সংলাপে বর্ণিত। ঋষিগণ ত্রিলোকে এর খ্যাতির কারণ জানতে চান; নারদকে প্রামাণ্য কর্তৃপক্ষ হিসেবে আহ্বান করা হয়, এবং বলা হয় মহাদেবও এর পূর্ণ গৌরব অবগত। গঙ্গা প্রভৃতি পবিত্র নদী ও অন্যান্য তীর্থ নিজেদের শুদ্ধির জন্য কটাহতীর্থে আশ্রয় নেয়—এভাবে তীর্থ-মর্যাদার শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে সতর্ক করা হয়—এ মহিমাকে কেবল ‘অর্থবাদ’ বলে অবজ্ঞা করা আধ্যাত্মিকভাবে বিপজ্জনক। এরপর তীর্থজল পান-ক্রম নির্দেশিত: অষ্টাক্ষর মন্ত্র বা বিষ্ণুর নামসমূহ (ত্রিবিধ নামোচ্চারণসহ) উচ্চারণ করে পান শ্রেয়; মন্ত্রবিহীন পান করলে প্রায়শ্চিত্ত-বাক্য বলা উচিত। শেষে দৃষ্টান্তে ব্রাহ্মণ কেশব ব্যসন ও হিংসায় পতিত হয়ে ব্রহ্মহত্যা-দোষে আক্রান্ত হয় এবং পাপরূপিণী শক্তি তাকে তাড়া করে। ভারদ্বাজের উপদেশে সে স্বামিপুষ্করিণীতে স্নান, বরাহ-পূজা, শ্রীনিবাস/ভেঙ্কটেশ দর্শন ও কটাহতীর্থ-পান করে; ফলে ব্রহ্মহত্যা বিনষ্ট হয় এবং ভেঙ্কটেশ স্বয়ং দিব্যপ্রমাণ দেন। উপসংহারে কাহিনিটি ইতিহাসসমর্থিত ও বিশ্বস্ত পরম্পরায় প্রাপ্ত বলে ঘোষিত।
No shlokas available for this adhyaya yet.