
অধ্যায়ের শুরুতে ঋষিরা সূতকে জিজ্ঞাসা করেন—দান কাকে দেওয়া উচিত এবং কোন সময়/কোন শর্তে দান ফলপ্রদ হয়। সূত ব্রাহ্মণকে প্রধান দানপাত্র বলে স্থাপন করলেও বলেন, কেবল শীল‑আচার‑সংযমসম্পন্ন ব্যক্তিই দান গ্রহণের যোগ্য। বেদ‑ধর্মবিদ্বেষী, কপট, হিংস্র, পবিত্র বিদ্যার বাণিজ্যকারী, নিত্য ভিক্ষুক ইত্যাদি বহু শ্রেণির লোককে অপাত্র বলে দীর্ঘ তালিকা দেওয়া হয়েছে; তাদের কাছে দান করলে তা ‘নিষ্ফল’ হয়। এরপর অভিবাদনের শিষ্টাচার বলা হয়—কোন পরিস্থিতিতে কাকে প্রণাম করা অনুচিত, এবং বিধিহীন/অবিবেচিত প্রণামে পূর্বপুণ্য ক্ষয় হয়। পরে আকাশগঙ্গা/বিয়দ্গঙ্গার মাহাত্ম্য নারদ‑সনৎকুমার সংলাপের অন্তর্গত কাহিনিতে বর্ণিত। পুণ্যশীল নামে এক সদাচারী ব্রাহ্মণ প্রতি বছর শ্রাদ্ধ করেন, কিন্তু ভুল করে ‘বন্দ্যাপতি’কে শ্রাদ্ধের পুরোহিত করেন; ফলে তাঁর মুখ গাধার মতো বিকৃত হয়। তিনি অগস্ত্যের শরণ নেন; অগস্ত্য দোষ নির্ণয় করে শ্রাদ্ধ‑নিমন্ত্রণের কঠোর বিধান বলেন—সন্তানযুক্ত, শুদ্ধাচারী গৃহস্থ ব্রাহ্মণ; না পেলে নিকট আত্মীয়, অথবা নিজেই কর্ম। প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে বেঙ্কটাচলে গমন, প্রথমে স্বামিপুষ্করিণীতে স্নান এবং পরে তীর্থবিধি মেনে আকাশগঙ্গা/বিয়দ্গঙ্গায় স্নানের নির্দেশ; যথাবিধি স্নানে বিকৃতি তৎক্ষণাৎ দূর হয়, এবং সূত পরম্পরার প্রমাণ পুনরুচ্চার করেন।
No shlokas available for this adhyaya yet.