
শ্রী সূত পাপনাশন-তীর্থের পাপবিনাশী মহিমা একটি দৃষ্টান্ত-কাহিনির মাধ্যমে প্রকাশ করেন। ভদ্রমতি নামে এক বিদ্বান কিন্তু দরিদ্র ব্রাহ্মণ দারিদ্র্যের সামাজিক অপমান ও মানসিক যন্ত্রণা বর্ণনা করে—শাস্ত্রজ্ঞান ও সদাচার থাকলেও সম্পদের অভাবে লোকসম্মান ক্ষীণ হয়। তাঁর পতিব্রতা ও নীতিবোধসম্পন্ন স্ত্রী কামিনী নারদের উপদেশ ও পিতৃ-দৃষ্টান্ত স্মরণ করিয়ে বেঙ্কটাচলে তীর্থযাত্রার পরামর্শ দেন—সংকল্পসহ স্নান, শ্রীনিবাসের দর্শন এবং ভূমিদান করা। এরপর ভূমিদানকে শ্রেষ্ঠ দান বলে তার তুলনামূলক ফল, মহাযজ্ঞসম পুণ্য এবং যোগ্য পাত্রে (শ্রোত্রিয়, অহিতাগ্নি) দান করলে মহাপাপ নাশের শক্তি ব্যাখ্যা করা হয়। সুঘোষ নামে এক দাতা ভদ্রমতিকে মাপজোক করে একখণ্ড জমি দান করে জনার্দনের উদ্দেশে নিবেদন করেন; এই দানের ফলে সুঘোষের পরলোকগতি শুভ হয় বলে কাহিনি জানায়। ভদ্রমতি পরিবারসহ বেঙ্কটাচলে গিয়ে স্বামী-সরসে স্নান করেন, বেঙ্কটেশ্বরের দর্শন লাভ করেন এবং পাপনাশন-তীর্থে ভূমিদান সম্পন্ন করেন। বিধির প্রভাবে শঙ্খ-চক্র-গদাধারী বিষ্ণু প্রকাশ হয়ে তাঁর স্তোত্র গ্রহণ করেন এবং সংসারসুখ ও চূড়ান্ত মুক্তির আশ্বাস দেন; শেষে সূত তীর্থ ও দানের মাহাত্ম্য পুনরায় ঘোষণা করেন।
No shlokas available for this adhyaya yet.