
এই অধ্যায়ে সূত প্রাচীন এক কাহিনি বলেন—বৈবস্বত মন্বন্তরের কৃতযুগে নারায়ণাদ্রিতে ধরিত্রী দেবী বরাহ ভগবানের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করেন, কোন মন্ত্রে তিনি প্রসন্ন হন এবং কোন সাধনায় সর্বাঙ্গীন ফল—সমৃদ্ধি, রাজঐশ্বর্য, সন্তানলাভ ও সংযমী সাধকের জন্য পরমে ভগবৎপদ—প্রাপ্ত হয়। বরাহ ভগবান এক ‘অতিগুপ্ত’ মন্ত্র প্রকাশ করেন এবং বলেন, এটি কেবল ভক্ত ও সংযত ব্যক্তিকেই প্রদানযোগ্য। এরপর মন্ত্রের পরিচয় দেওয়া হয়—“ওঁ নমঃ শ্রীবরাহায় ধরন্যুদ্ধরণায় চ”; ঋষি: সঙ্কর্ষণ, দেবতা: বরাহ, ছন্দ: পঙ্ক্তি, বীজ: শ্রী-বীজ। সদ্গুরুর কাছ থেকে প্রাপ্ত সাধকের জন্য চার লক্ষ জপ নির্দিষ্ট, তারপর মধু-ঘৃতযুক্ত পায়স দিয়ে হোমের বিধান। ধ্যানে বরাহের স্ফটিকসম দীপ্তি, পদ্মরক্ত নয়ন, বরাহমুখে সৌম্যতা, চার বাহুতে চক্র-শঙ্খ-অভয়-মুদ্রা ও পদ্ম, রক্ত-সোনালি বস্ত্রাভরণ এবং শेषাদি বিশ্বাধার-চিহ্নসহ রূপ বর্ণিত। ফলশ্রুতিতে বলা হয়—প্রতিদিন ১০৮ বার জপে কাম্য সিদ্ধি হয় এবং শেষে মুক্তি লাভ হয়। পরে দৃষ্টান্তে বলা হয়—ধর্ম নামক মনু দেবতুল্য অবস্থা লাভ করেন, শাপে পতিত ইন্দ্র স্বর্গ পুনরুদ্ধার করেন, ঋষিরা উচ্চ গতি পান, আর শ্বেতদ্বীপে জপ করে অনন্ত পৃথিবীর আধার হন। শেষে ধরিত্রী শ্রীনিবাসের বেঙ্কটে আগমন ও সেখানে চিরবাস সম্পর্কে প্রশ্ন করেন।
No shlokas available for this adhyaya yet.