
অধ্যায় ১৮-এ সূত মুনি শ্রীনিবাস/ভেঙ্কটেশ্বরের মোক্ষদায়িনী মহিমার তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন। এখানে স্থানভিত্তিক মুক্তিতত্ত্ব প্রকাশিত—ভেঙ্কটেশ্বরের একবার দর্শনেই মুক্তি ও বিষ্ণু-সাযুজ্য লাভ হয় বলে বলা হয়েছে; যুগতুলনার মাধ্যমে কলিযুগে পুণ্যের ফল তৎক্ষণাৎ প্রাপ্তির কথা বিশেষভাবে উচ্চারিত। ভেঙ্কটাচলকে সর্বতীর্থময় ক্ষেত্র রূপে দেখানো হয়েছে, যেখানে বহু তীর্থের শক্তি একত্রে নিহিত এবং দেব, মুনি ও পিতৃগণ প্রতীকভাবে বিরাজমান। বাহ্য আচার অপেক্ষা স্মরণ ও স্তবকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে অষ্টবিধ ভক্তির বর্ণনা করা হয়েছে—ভক্তদের প্রতি স্নেহ, পূজায় তৃপ্তি, ব্যক্তিগত সেবা, ভগবানের মাহাত্ম্য শ্রবণে আগ্রহ, এবং নিরন্তর স্মরণ ইত্যাদি। পবিত্র কেন্দ্রকে অবহেলা বা বিদ্বেষ করলে অকল্যাণ হয়—এমন সতর্কবাণী আছে। ফলশ্রুতিতে পাপক্ষয়, যমযন্ত্রণা থেকে রক্ষা, বিষ্ণুলোকপ্রাপ্তি এবং ভক্তিভরে এই অধ্যায় শ্রবণ-পাঠের মহাফল প্রতিশ্রুত।
No shlokas available for this adhyaya yet.