
এই অধ্যায়ে সূত মুনি ভেঙ্কটাদ্রি/ভেঙ্কটাচলের মহিমা আরও বিস্তারে বর্ণনা করেন। বলা হয়েছে—পৃথিবীর ও দিব্যলোকের সকল তীর্থই ভেঙ্কট পর্বতের অন্তর্গত; তাই এই ক্ষেত্র সর্বতীর্থময়, এক পবিত্র ক্ষুদ্র-বিশ্বের ন্যায়। দেবতার রূপ শাস্ত্রসম্মত বৈষ্ণব প্রতীকে উজ্জ্বল—শঙ্খ-চক্রধারী, পীতাম্বরধারী, কৌস্তুভভূষিত—যিনি রক্ষাকারী এবং বেদ-প্রতিষ্ঠিত পবিত্রতার আধার। এরপর বার্ষিক সেবায় নানা অঞ্চলের ভক্তসমাগম ও ভাদ্রপদ-উৎসবের প্রেক্ষাপটে দর্শন-সেবাকে শুদ্ধিদায়ক বলা হয়েছে। বিশেষভাবে ব্রহ্মোৎসবের কথা আসে—কন্যা মাসে ব্রহ্মা ধ্বজারোহণ (পতাকা উত্তোলন) বিধান প্রতিষ্ঠা করেন, এবং সেই মহোৎসবে মানুষ, দেব, গন্ধর্ব, সিদ্ধ ও বিদ্বান দ্বিজেরা একত্র হন। গঙ্গা যেমন নদীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, বিষ্ণু যেমন দেবদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ—এমন তুলনায় ভেঙ্কটকে ক্ষেত্রসমূহের ‘উত্তমোত্তম’ ঘোষণা করা হয়েছে। শেষে ফলশ্রুতিতে বলা হয়—ভক্তিভরে এই মাহাত্ম্য শ্রবণ করলে বিষ্ণুলোকে উচ্চ পদ লাভ হয়; পাশাপাশি শ্রীস্বামী-পুষ্করিণীকে প্রধান তীর্থ রূপে উল্লেখ করে তার নিকটে লক্ষ্মীসহ দেবতার বরদানকারী উপস্থিতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
No shlokas available for this adhyaya yet.