
অধ্যায় ১৫‑এ শ্রীসূত বেণ্কট পর্বতের অতি পুণ্যদায়ক কৃষ্ণতীর্থের মাহাত্ম্য বর্ণনা করেন এবং একে পাপনাশক বলেন। নৈতিক পুনরুদ্ধারের কথা জোর দিয়ে বলা হয়েছে—কৃতঘ্ন, এবং পিতা‑মাতা ও গুরুর অবমাননাকারীরাও এখানে স্নান করলে শুদ্ধ হয়। এরপর কারণকথা: কৃষ্ণ নামক ঋষি (রামকৃষ্ণ প্রসঙ্গসহ) বেণ্কটাচলে বহু বছর অচল তপস্যা করেন। তাঁর দেহে বাল্মীকি/উইঢিবি ঢেকে যায়, প্রবল বৃষ্টি‑গর্জন হয়; বজ্রাঘাতে বাল্মীকির শিখর ভেঙে গেলে গরুড়ারূঢ়, শঙ্খ‑চক্র‑গদাধারী, বনমালাভূষিত বিষ্ণু/শ্রীনিবাস প্রকাশিত হন। ভগবান তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়ে বিশেষ স্নান‑যোগ জানান—সূর্য মকরে থাকলে, পুষ্য নক্ষত্রযুক্ত পূর্ণিমায় কৃষ্ণতীর্থে স্নান করলে পাপমোচন ও অভীষ্টসিদ্ধি হয়। দেবতা, মানুষ ও দিকপালগণও শুদ্ধির জন্য সেখানে সমবেত হন; তীর্থটি ঋষির নামে প্রসিদ্ধ হবে। শেষে এই কাহিনি শ্রবণ‑পাঠে বিষ্ণুলোকপ্রাপ্তির ফলশ্রুতি দিয়ে অধ্যায় সমাপ্ত।
No shlokas available for this adhyaya yet.