
এই অধ্যায়ে ঋষিরা সূতকে জিজ্ঞাসা করেন—শ্রী স্বামী পুষ্করিণী/স্বামী-তীর্থের এমন কী মাহাত্ম্য যে কেবল স্মরণেই মুক্তি দেয়। সূত বলেন, যারা এই তীর্থের স্তব করে, কাহিনি বলে-শোনে বা এখানে স্নান করে, তারা নামসহ উল্লিখিত আটাশটি নরকে পতিত হয় না। এরপর অধ্যায়ে নরকগুলির নামক্রমে উল্লেখ করা হয় এবং কিছু অধর্মকে নির্দিষ্ট দণ্ডস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়—পরধন ও পরস্ত্রী/পরসম্পর্ক হরণ, পিতা-মাতা ও বিদ্বানদের প্রতি বিদ্বেষ, বৈদিক পথ লঙ্ঘন, জীবহিংসা ও প্রাণীদের কষ্ট দেওয়া, কামাচার-দোষ, পাখণ্ডী মতের দ্বারা ধর্মবিঘ্ন, অশুচি আচরণ, পশুহত্যা, এবং যজ্ঞ-কর্মে ভণ্ডামি ইত্যাদি। প্রতিটি দৃষ্টান্তের পরে পুনরায় আশ্বাস দেওয়া হয়—স্বামী-তীর্থে স্নান করলে সেই পতন রোধ হয়। শেষে ফলশ্রুতি জানায়, এই তীর্থস্নান মহাযজ্ঞ ও মহাদানের সমতুল্য ফল দেয়, গুরুতর পাপও তৎক্ষণাৎ শুদ্ধ করে এবং জ্ঞান, বৈরাগ্য, চিত্তপ্রসন্নতা প্রভৃতি গুণ জাগায়। অতিশয়োক্তি ভেবে নিন্দা না করতে সতর্ক করা হয়—অবিশ্বাস আধ্যাত্মিক বিপদের কারণ। দর্শন, স্পর্শ, স্তব, নমস্কার ও স্নান—সব মিলিয়ে এই তীর্থ মৃত্যু-ভয় নাশ করে এবং ভুক্তি-মুক্তি প্রদান করে।
No shlokas available for this adhyaya yet.