Adhyaya 11
Vishnu KhandaVenkatachala MahatmyaAdhyaya 11

Adhyaya 11

এই অধ্যায়ে স্বামিপুষ্করিণীকে মহাশুদ্ধিদায়ক তীর্থরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। সূত বলেন—কাশ্যপের স্বামিপুষ্করিণীতে স্নান গুরুতর নৈতিক কলুষও নাশ করে। ঋষিরা কাশ্যপের দোষ ও আকস্মিক মুক্তির কারণ জানতে চাইলে সূত রাজা পরীক্ষিতকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট উপাখ্যান বলেন। শিকারে গিয়ে পরীক্ষিত নীরবতাব্রতী এক ঋষিকে দেখেন; উত্তর না পেয়ে ক্রুদ্ধ হয়ে তাঁর কাঁধে মৃত সাপ রেখে দেন। ঋষিপুত্র শৃঙ্গী শাপ দেন—সপ্তম দিনে তক্ষকের দংশনে রাজার মৃত্যু হবে। নানা রক্ষাব্যবস্থা সত্ত্বেও তক্ষক ছল করে ব্রাহ্মণসদৃশদের সঙ্গে এসে ফলের মধ্যে কৃমিরূপে লুকিয়ে শাপ সত্য করে। বিষনাশক মন্ত্রবিদ্যা-চিকিৎসক কাশ্যপ রাজাকে বাঁচাতে এগোলে তক্ষক শক্তিপরীক্ষা ও ধনলোভ দেখিয়ে তাঁকে ফিরিয়ে দেয়। পরে ‘সমর্থ হয়েও রক্ষা করেননি’—এই কারণে কাশ্যপ লোকনিন্দিত হন। প্রতিকার জানতে তিনি শাকল্য মুনির কাছে গেলে মুনি বলেন—বিষপীড়িত প্রাণকে বাঁচানোর ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সাহায্য না করা মহাদোষ, যার সামাজিক ফলও ভয়ংকর। প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে বেঙ্কটাদ্রি গিয়ে সংকল্পসহ স্বামিপুষ্করিণীতে স্নান, বরাহস্বামিন ও পরে শ্রীনিবাসের পূজা এবং নিয়মানুবর্তিতা করতে বলা হয়; এতে কাশ্যপের স্বাস্থ্য, মর্যাদা ও সম্মান পুনরুদ্ধার হয়। শেষে ফলশ্রুতি শ্রদ্ধাভরে শ্রবণকারীদের উচ্চ গতি প্রতিশ্রুত করে।

Shlokas

No shlokas available for this adhyaya yet.