यह सोपान ‘धर्म-विजय’ का द्वार है: साधक के भीतर ‘अहं-लंका’ (अभिमान, भय, काम-क्रोध) पर सेतु-बंध के द्वारा विवेक-मार्ग बनता है। यहाँ भक्ति केवल भाव नहीं रहती—वह संगठन, अनुशासन, और ‘नाम-सेतु’ बनकर जीव को भवसागर से पार उतारती है।
লঙ্কাকাণ্ডের রস-কেন্দ্র বীর ও অদ্ভুত, কিন্তু তার অধিষ্ঠান করুণা ও শান্তিতে স্থিত। এই খণ্ডে তুলসী ‘রণ’কে কেবল বাহ্য যুদ্ধ হতে দেন না—এ সাধক-চিত্তে ওঠা তমোগুণ, রজোগুণ ও অহংকারের সংঘর্ষ। সেতুবন্ধ (নীল-নল) শাস্ত্রীয় দৃষ্টিতে লীলা, কিন্তু সোপান-তর্কে তা ‘নাম’ ও ‘কৃপা’র সেতু: জাম্ববানের উপদেশ, হনুমানের উক্তি, আর রামের আদেশ—তিনে মিলে সাধনার ত্রিবেণী। রামেশ্বর-স্থাপনে শিব-বিষ্ণু-ঐক্যের তত্ত্ব প্রকাশ পায়: রাম শিব-পূজা করেন, আর শিব রাম-ভক্তিকে পরম মানেন; এতে নির্গুণ-সগুণের সেতুও নির্মিত হয়। রাবণ-মন্দোদরী সংলাপে নীতি-শাস্ত্রের প্রবেশ: অহংকারের অন্ধত্ব ও বিবেক-অস্বীকারই পতনের কারণ। এইভাবে লঙ্কাকাণ্ড মানস-যাত্রায় ‘নির্ণয়’ ও ‘প্রবেশ’-এর ধাপ—সেতু পার হয়ে সাধক এখন নির্ণায়ক সমর (আত্ম-শুদ্ধি)-এর নিকটে পৌঁছায়।
No verses available for this prakarana yet.
Read Ramcharitmanas in the Vedapath app
Scan the QR code to open this directly in the app, with audio, word-by-word meanings, and more.