
The Greatness and Procedure of Kāmadā Ekādaśī (in the Puruṣottama Month) with Nirjalā Emphasis
এই অধ্যায়ে একাদশী-ব্রতের অতুল মহিমা বর্ণিত হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণ যুধিষ্ঠিরকে বলেন—কলিযুগে একাদশী সর্বশ্রেষ্ঠ ব্রত; এটি পাপক্ষয় করে এবং ধর্ম-অর্থ-কাম-মোক্ষ—সবই প্রদান করে। যুধিষ্ঠির একাদশী-পালকদের বিষ্ণুরূপ দীপ্তি দেখে প্রশ্ন করেন, তবে কেন কারও কারও মধ্যে পাপরূপ লক্ষিত হয়; শ্রীকৃষ্ণ জানান—ভক্তিসহ শুদ্ধ বিধিতে পালন, বিশেষত নির্জলা (জলবর্জিত) নিয়ম, ব্রতকে পূর্ণ ফলদায়ী করে। দশমীতে সংযত আহার, একাদশীতে নন্দা-তিথিসংযুক্ত নির্জলা উপবাস, রাত্রিজাগরণ ও পুরুষোত্তমের পূজা, এবং দ্বাদশীতে ভদ্রা-তিথিসহ যথাবিধি পারণ—এই ব্রত-রীতি বলা হয়েছে। দশমী/একাদশী/দ্বাদশীতে বর্জনীয় আচরণও নির্দেশিত। শেষে পরমগতি লাভের প্রতিশ্রুতি এবং এই মাহাত্ম্য শ্রবণ-পাঠের ফল সহস্র গোদানের সমান পুণ্য বলা হয়েছে; প্রসঙ্গে পুলস্ত্যের নামোল্লেখ ও উপসংহারে উমাপতি-নারদ সংলাপের ইঙ্গিত আছে।
No shlokas available for this adhyaya yet.