
The Greatness of Yoginī Ekādaśī (Āṣāḍha Krishna Paksha)
যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করেন—আষাঢ় কৃষ্ণপক্ষে কোন একাদশী হয়। ভগবান যোগিনী একাদশীকে সর্বোত্তম ব্রত বলে জানান, যা মহাপাপ নাশ করে এবং মুক্তিদায়ক ফল প্রদান করে। এর মাহাত্ম্য পুলস্ত্য ঋষি ভীষ্মকে একটি পুরাণকথার মাধ্যমে বোঝান। কুবেরের (ধনদ) শিবপূজার জন্য ফুল আনার দায়িত্বে থাকা হেমমালী স্ত্রী-আসক্তিতে সময়মতো ফুল আনতে ব্যর্থ হয়। কুবের ক্রুদ্ধ হয়ে তাকে আঠারো প্রকার কুষ্ঠ, বিচ্ছেদ ও নির্বাসনের শাপ দেন। শিবারাধনার অবশিষ্ট পুণ্যপ্রভাবে স্মৃতি অটুট থাকায় সে হিমালয়ে গিয়ে ঋষি মার্কণ্ডেয়ের শরণ নেয়, সত্য স্বীকার করে উপায় প্রার্থনা করে। মার্কণ্ডেয় তাকে যোগিনী-ব্রতের বিধান দেন। বিধিপূর্বক ব্রত পালনে হেমমালীর কুষ্ঠ দূর হয় এবং শাপ প্রশমিত হয়। শেষে বলা হয়—এই ব্রতের পুণ্য ৮৮,০০০ ব্রাহ্মণকে ভোজন করানোর সমান, আর এই কাহিনি শ্রবণ-পাঠও পাপমুক্তি দেয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.