
Origin of Ekādaśī and the Slaying of Mura; Greatness of Mahādvādaśī and Ekādaśī Rules
এই অধ্যায়ে নারদের প্রশ্নে মহাদেবের প্রসঙ্গের পর যুধিষ্ঠিরের জিজ্ঞাসায় শ্রীভগবান একাদশী–দ্বাদশীর মাহাত্ম্য ও ব্রতবিধি বর্ণনা করেন। পুনর্বসু নক্ষত্রযুক্ত একাদশী ‘জয়া’, শ্রবণ নক্ষত্রযুক্ত শুক্ল-দ্বাদশী ‘বিজয়া’ এবং বিশেষত পুষ্যযোগে পাপনাশিনী দ্বাদশী ‘জয়ন্তী’ নামে খ্যাত—মহাদ্বাদশী ও একাদশীর শুভসংযোগের গৌরবও বলা হয়। উপবাস, নক্ত ও একভক্তের ভেদ, স্নান-শৌচের শুদ্ধি, আচরণসংযম, পূজা, দীপদান, রাত্রিজাগরণ, দান, উভয় পক্ষেই একাদশীর সমতা, এবং বেধ, ত্রিস্পৃশা দ্বাদশী ও পারণ-সময়ের সূক্ষ্ম নিয়ম নির্দেশিত হয়। এরপর উৎপত্তিকথা: মুর নামক অসুর দেবতাদের দুঃখ দেয়; ইন্দ্রাদি দেবগণ স্তোত্র করে বিষ্ণুর শরণ নেন। ভগবান মুরের সঙ্গে মহাযুদ্ধ করে এক গুহায় বিশ্রাম নিতে গেলে তাঁর দেহ থেকে এক দিব্য কন্যা প্রকাশিত হন—তিনি একাদশী-শক্তি—এবং মুরকে বধ করেন। ভগবান প্রসন্ন হয়ে বর দেন যে একাদশী-ব্রত পালনকারী ভক্তরা ধর্ম, ঐশ্বর্য, সমৃদ্ধি ও মোক্ষ লাভ করবে এবং তাদের পাপ বিনষ্ট হবে।
No shlokas available for this adhyaya yet.