
The Greatness of Tulasī and Śālagrāma
এই অধ্যায়ে তুলসী ও শালগ্রামের মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। কলিযুগে এদেরকে বিষ্ণুর সান্নিধ্যের বহনযোগ্য আশ্রয়রূপে মান্য করে বলা হয়েছে—তুলসীর প্রতিটি অঙ্গ স্বভাবতই পবিত্র; দর্শন, স্পর্শ ও সেবনে পাপক্ষয় হয়। বিশেষত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় তুলসী-কাঠের মহিমা প্রকাশিত—চিতায় সামান্য তুলসী-কাঠ মিশলেও মহাপাপ নাশ হয়; মৃত ব্যক্তি যমের অধিকার থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুদূতদের দ্বারা নীত হয় এবং শেষে হরির সান্নিধ্য লাভ করে। তুলসী-কাঠ দিয়ে হোম, ধূপ, নৈবেদ্য, দীপদান ও চন্দনলেপকে যজ্ঞসম ফলদায়ক বলা হয়েছে। গৃহ ও মন্দিরপরিসরে তুলসী রোপণ, দর্শন, স্পর্শ এবং তার সুবাসে দিকসমূহ শুদ্ধ হয়; তুলসীগন্ধবাহী বায়ুও পবিত্রকারী। তুলসীমূলের মাটি ও ছায়া শ্রাদ্ধাদি পিতৃকর্মকে পবিত্র করে। উপসংহারে শালগ্রামপূজাকে শ্রেষ্ঠ তীর্থসম, সর্বপাপহর ও পরম শুদ্ধিকারক বলা হয়েছে।
No shlokas available for this adhyaya yet.