
Instruction on Knowledge (Mantra of Lakṣmī–Nārāyaṇa and the Path of Surrender)
এই অধ্যায়ে সংসার-বন্ধন ছিন্ন করার শ্রেষ্ঠ উপায় হিসেবে “মন্ত্ররত্ন” বর্ণিত হয়েছে, যা লক্ষ্মী–নারায়ণ মন্ত্ররূপে প্রতিষ্ঠিত। শৌনকের প্রশ্নে সূত বলেন—বসিষ্ঠ রাজা দিলীপকে এই গূঢ় উপদেশ দিয়েছিলেন। এরপর বর্ণনা পরম্পরায় গভীর হয়: যোগিগণ ব্রহ্মাকে প্রশ্ন করেন; ব্রহ্মা জানান, তিনি স্বয়ং নারায়ণের কাছ থেকে এই রহস্য লাভ করেছেন; আর নারদ তা মহর্ষিদের কাছে প্রচার করেন। এখানে অধিকার নির্ধারিত হয় বর্ণের দ্বারা নয়, একান্ত ভক্তি ও সম্পূর্ণ শরণাগতির দ্বারা। অবিশ্বাসী, অহংকারী, লোভী বা অসংযমী ব্যক্তিকে এই মন্ত্রোপদেশ না দেওয়ার বিধান আছে। বৈষ্ণব-চিহ্ন ধারণ, যোগ্য গুরু নির্বাচন, পূজা, হোম (১০৮/১০০৮), ন্যাস-মুদ্রা, চক্র-শঙ্খ চিহ্নাঙ্কন, অভিষেক ও মন্ত্রোপদেশসহ দীক্ষা-প্রক্রিয়া বলা হয়েছে। শেষে সিদ্ধান্ত—নারায়ণেই একমাত্র আশ্রয়; তাঁর শরণ নিলেই মুক্তি।
No shlokas available for this adhyaya yet.