
The Episode of Nigamabodha (Liberation at the Sacred Ford)
কালীন্দী-মাহাত্ম্যের প্রসঙ্গে মহাদেব পার্বতীকে বলেন—ইন্দ্রপ্রস্থের নিকটে এক মহাতীর্থ আছে, যেখানে স্নান-সেবা করলে অপরিমেয় পুণ্য লাভ হয়। সেই তীর্থে এক রাক্ষস গোরক্ষা-রূপ ধর্মকর্ম করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করে; পরে দিব্য বিমানে আরোহন করে সে দিব্য গতি প্রাপ্ত হয়। এতে তীর্থের মহিমা ও ধর্মের উদ্ধারশক্তি—অপরের ক্ষেত্রেও—প্রকাশ পায়। এরপর কথায় একনিষ্ঠ হরিভক্তির মাহাত্ম্য বলা হয়: ব্রহ্মা-শিব-ইন্দ্রপদ লাভের বাসনা ত্যাগ করে পুরুষোত্তমের উপাসনায় স্থিত থাকা এবং তীর্থে বাস করাই শ্রেয়। শিবশর্মা নিজের পূর্বজন্মের কাহিনি বলেন—বিষ্ণুধ্যানে নিমগ্ন থাকায় দুর্বাসার শাপে পুনর্জন্ম হয়; অনুতাপে সন্তুষ্ট হয়ে দুর্বাসা বর দেন যে এই তীর্থে মৃত্যু হলে পুনর্জন্মের বন্ধন ছিন্ন হবে। শেষে শ্রদ্ধাভরে শ্রবণকেও মহাযজ্ঞসম পুণ্যদায়ক বলা হয়েছে, এবং সেখানে প্রাণীও মরলে চতুর্ভুজ রূপ লাভ করে—এ কথাও ঘোষিত।
No shlokas available for this adhyaya yet.