
Account and Glory of Śrīśaila (Śrīśaila Māhātmya)
যুধিষ্ঠির নারদকে জিজ্ঞাসা করেন—পবিত্র শ্রীশৈল পর্বত কোথায়, তার তীর্থ কী, অধিষ্ঠাত্রী দেবতা কে, এবং কোন কোন দিক থেকে তার খ্যাতি বিস্তৃত। নারদ শ্রীশৈলকে পাপনাশক, পরম পুণ্যদায়ক ও মুক্তিদায়িনী তীর্থপর্বত বলে মহিমা বর্ণনা করেন। অধ্যায়ে শ্রীশৈলের তপস্যাময় পবিত্র পরিবেশ ফুটে ওঠে—পুষ্পভরা বন, পাখির কলরব, আশ্রম, নদী ও সরোবর। সেখানে নিয়মনিষ্ঠ ঋষি-সমাজ নানা তপস্যা করেন; কেউ শিবধ্যানে নিমগ্ন, কেউ বিষ্ণুভক্তিতে রত—তবু শ্রীশৈলের অসাধারণ উদ্ধারশক্তি সর্বোচ্চ বলে প্রতিপন্ন। মল্লিকার্জুন সেখানে নিত্য বিরাজমান—শিখরের মাত্র দর্শনেই মুক্তি লাভ হয় বলা হয়েছে। ‘পাতাল’ নামে গঙ্গার উপস্থিতি, স্নান ও দর্শনের পুণ্য, এবং সিদ্ধপুর নামক দিব্য নগরীর বর্ণনা দিয়ে শেষে মোক্ষকামীদের শ্রীশৈল দর্শনে গমন করতে উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
No shlokas available for this adhyaya yet.