
Remembrance of Vishnu (The Greatness of Smaraṇa and Bhakti)
পার্বতী জিজ্ঞাসা করেন—অনন্ত বাসুদেবের এমন কোন স্মরণ আছে, যাতে মোহ আর ফিরে না আসে? মহাদেব বলেন, অবিচ্ছিন্ন স্মরণই প্রকৃত স্মরণ—যেমন তৃষ্ণার্ত জলকে, শীতে কাতর অগ্নিকে, আর প্রেমিক প্রিয়তমাকে সর্বদা মনে রাখে, তেমনই ভগবানের নাম-রূপ-গুণ হৃদয়ে নিরন্তর স্থির রাখতে হবে। এরপর ভক্তির কারণ ব্যাখ্যা করা হয়—সৎসঙ্গ থেকেই ভক্তি জাগে, আর ভক্তিই পরম সাধন। জনার্দনের প্রতি যে-কোনো ভাব, এমনকি বৈরভাবও, শেষ পর্যন্ত তাঁর ধামে পৌঁছানোর কারণ হতে পারে। ধন, বিদ্যা বা স্বর্গফলদায়ী যজ্ঞকর্মের চেয়ে নামস্মরণ ও অন্তরের ভাবকে শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে; অজামিলের দৃষ্টান্তে নামের মহিমা প্রকাশ পায়। শেষাংশে বিষ্ণুতত্ত্বের সর্বব্যাপিতা, মন ও কর্মের বন্ধন-পর্যালোচনা এসে উপসংহার দেয়—স্মরণ ও ভক্তি পাপক্ষয় করে, ভয়হীনতা দেয় এবং বৈকুণ্ঠপ্রাপ্তি ঘটায়।
No shlokas available for this adhyaya yet.