
Description of the Gaṇas’ Former Merits (Jaya–Vijaya’s Prior Deeds and Liberation)
ধর্মদত্ত জিজ্ঞাসা করলেন—ভগবান বিষ্ণুর দ্বারপাল জয়–বিজয় কেন এমন বিশেষ রূপ ধারণ করেছিলেন। গণেরা বলল, পূর্বজন্মে তারা কঠোর বৈষ্ণব সাধনায় নিবিষ্ট ছিল—ইন্দ্রিয়সংযম, ধর্মাচরণ, বিষ্ণুব্রত পালন এবং অষ্টাক্ষর মন্ত্রের নিরন্তর জপ; এর ফলেই তারা হরির প্রত্যক্ষ দর্শন পেয়েছিল। মরুত্তের যজ্ঞে আমন্ত্রিত হয়ে তারা ধন লাভ করে, কিন্তু ভাগবণ্টনে কলহ বাধে; পরস্পরের শাপে বিজয় কুমির এবং জয় হাতি (মাতঙ্গ) হয়। তারা বিষ্ণুর শরণ নিলে ভগবান ভক্তের বাক্যের অচ্যুততা রক্ষা করে বলেন—শাপফল ভোগের পর তারা আবার তাঁর ধামে প্রত্যাবর্তন করবে। গণ্ডকী তীরে পুনর্জন্মে স্মৃতি অটুট থাকে; কার্তিক স্নানের সময় কুমির হাতিটিকে ধরলে হরি আবির্ভূত হয়ে সুদর্শনে উদ্ধার করেন এবং সায়ুজ্য/সারূপ্যসদৃশ নৈকট্য দান করে বৈকুণ্ঠে নিয়ে যান। সেই স্থান ‘হরিক্ষেত্র’ নামে প্রসিদ্ধ হয়। শেষে একাদশী-ব্রত, প্রভাতস্নান, ব্রাহ্মণ–গো–বৈষ্ণব সেবা ও আহারসংযমের বিধান বলা হয়েছে; আজীবন ভক্তি ও ব্রতাচরণে বিষ্ণুর পরম পদ লাভ হয়—এই ফলশ্রুতি ঘোষিত।
No shlokas available for this adhyaya yet.