
Rahu’s Return from Kailasa (Jalandhara’s Embassy to Shiva)
যুধিষ্ঠিরের প্রশ্নে নারদ জালন্ধরের প্রসঙ্গ বলেন। তিনি শিবের তপস্বী ‘দারিদ্র্য’কে সামনে এনে জালন্ধরকে উসকান, আর জানান—কৈলাসের প্রকৃত ধন হলো পার্বতী/গৌরীর অতুল দীপ্তি। ক্রুদ্ধ সিন্ধুজ জালন্ধর দূতরূপে রাহু/স্বর্ভানু (সৈংহিকেয়)কে কৈলাসে পাঠায়। দ্বারে নন্দী রাহুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শিবসভায় নিয়ে যান। সেখানে শিব ভয়ংকর-তেজোময় বহুমুখ রূপে বিরাজমান, কিন্তু দেবী তাঁর পাশে দৃশ্যমান নন। রাহু জালন্ধরের উদ্ধত বার্তা পৌঁছে দেয়—গৌরীকে দাবি ও শিবের বশ্যতা প্রত্যাশা—তবু বিপরীতার্থক বাক্যে শিবের পরাত্পরত্বও স্তব করে। শিব নীরব থাকেন; নন্দী তাঁর অভিপ্রায় বুঝে দূতকে বিদায় দেন। মাঝখানে কীর্তিমুখের আবির্ভাব ও আত্মভক্ষণ-ক্ষুধার বিস্ময়কর কাহিনি আছে, যা দেবনিয়ন্ত্রণে সংযত ভক্তির দৃষ্টান্ত। শেষে রাহু ফিরে জানায়—সে গৌরীসদৃশ মোহিনী রূপ ধারণ করে সংবাদ দিয়েছে।
No shlokas available for this adhyaya yet.