Guṇa-vibhāga: The Three Modes and the Path Beyond Them
शमो दमस्तितिक्षेक्षा तप: सत्यं दया स्मृति: । तुष्टिस्त्यागोऽस्पृहा श्रद्धा ह्रीर्दयादि: स्वनिर्वृति: ॥ २ ॥ काम ईहा मदस्तृष्णा स्तम्भ आशीर्भिदा सुखम् । मदोत्साहो यश:प्रीतिर्हास्यं वीर्यं बलोद्यम: ॥ ३ ॥ क्रोधो लोभोऽनृतं हिंसा याच्ञा दम्भ: क्लम: कलि: । शोकमोहौ विषादार्ती निद्राशा भीरनुद्यम: ॥ ४ ॥ सत्त्वस्य रजसश्चैतास्तमसश्चानुपूर्वश: । वृत्तयो वर्णितप्राया: सन्निपातमथो शृणु ॥ ५ ॥
śamo damas titikṣekṣā tapaḥ satyaṁ dayā smṛtiḥ tuṣṭis tyāgo ’spṛhā śraddhā hrīr dayādiḥ sva-nirvṛtiḥ
মন ও ইন্দ্রিয়সংযম, সহিষ্ণুতা, বিবেক, তপস্যা, সত্য, দয়া, স্মৃতি, সন্তোষ, ত্যাগ, নিরাসক্তি, গুরুভক্তি-শ্রদ্ধা, অনুচিত কর্মে লজ্জা, দান, সরলতা, বিনয় ও আত্মতৃপ্তি—এগুলি সত্ত্বগুণের লক্ষণ। কামনা, প্রবল উদ্যোগ, ধৃষ্টতা, লাভেও অসন্তোষ, অহংকার, ভৌতিক উন্নতির প্রার্থনা, নিজেকে অন্যের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ভাবা, বিষয়সুখ, যুদ্ধের তাড়না, প্রশংসা শুনতে ভালোবাসা, অন্যকে বিদ্রূপ, নিজের বীর্য প্রদর্শন ও শক্তির দোহাই দিয়ে কর্মকে ন্যায্য করা—এগুলি রজোগুণের লক্ষণ। অসহনীয় ক্রোধ, লোভ, শাস্ত্রবিরুদ্ধ বাক্য, হিংসা, পরজীবী জীবন, ভণ্ডামি, ক্লান্তি, কলহ, শোক, মোহ, বিষাদ, অতিনিদ্রা, মিথ্যা আশা, ভয় ও আলস্য—এগুলি তমোগুণের প্রধান লক্ষণ। এখন এই তিন গুণের সংমিশ্রণ শোনো।