Adhyaya 4
Vishnu KhandaVasudeva MahatmyaAdhyaya 4

Adhyaya 4

এই অধ্যায়ে দুইটি সংযুক্ত প্রবাহ দেখা যায়। প্রথমে নারদ বলেন—উপদেশ শ্রবণে তিনি তৃপ্ত, তবু ভগবানের পূর্ব/পরম রূপ দর্শন করতে চান। নারায়ণ জানান, সেই রূপ দান, যজ্ঞ, বৈদিক ক্রিয়া বা কেবল তপস্যায় লাভ্য নয়; একান্ত ভক্তদের কাছেই তা প্রকাশিত হয়। অনন্য-ভক্তি, জ্ঞান, বৈরাগ্য ও স্বধর্মনিষ্ঠার কারণে নারদকে যোগ্য বলে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁকে ‘শ্বেতদ্বীপ’ নামক অন্তর্লীন শ্বেত দ্বীপে যেতে বলা হয়। দ্বিতীয় অংশে স্কন্দ নারদের যোগগমন ও ক্ষীরসাগরের উত্তরে দীপ্তিময় শ্বেতদ্বীপের বর্ণনা দেন—শুভ বৃক্ষ, উদ্যান, নদী, পদ্ম, পাখি ও পশুতে পরিপূর্ণ। সেখানকার অধিবাসীরা মুক্ত, নিষ্পাপ, সুগন্ধিময়, চিরযৌবনসম্পন্ন, শুভলক্ষণচিহ্নিত; কখনও দ্বিভুজ, কখনও চতুর্ভুজ; ষড়ূর্মি-রহিত এবং কালের ভয়াতীত। সাবর্ণি প্রশ্ন করেন—এমন সত্তারা কীভাবে হন, তাঁদের অবস্থা কী? স্কন্দ বলেন, তাঁরা ‘অক্ষর’ পুরুষ—পূর্ব কল্পে একাগ্র বাসুদেব-সেবায় ব্রহ্মভাব প্রাপ্ত; কাল ও মায়ার অধীন নন এবং প্রলয়ে অক্ষরধামে প্রত্যাবর্তন করেন। যারা মায়াবশে ‘ক্ষর’ রূপে জন্মায়, তারাও অহিংসা, তপ, স্বধর্মপালন, বৈরাগ্য, জ্ঞান, বাসুদেব-মহিমাবোধ, নিত্যভক্তি, মহৎ-সঙ্গ, মোক্ষ-সিদ্ধিতেও অনাসক্তি এবং হরির জন্ম-কর্মের পারস্পরিক শ্রবণ-কীর্তনে সেই অবস্থায় পৌঁছতে পারে। শেষে মানুষের পক্ষেও এই সিদ্ধি বোঝাতে বিস্তৃত পুরাণকথার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

Shlokas

No shlokas available for this adhyaya yet.