Adhyaya 32
Vishnu KhandaVasudeva MahatmyaAdhyaya 32

Adhyaya 32

অধ্যায় ৩২-এ বাসুদেব-কেন্দ্রিক উপদেশকে বক্তা–শ্রোতার সুসংবদ্ধ পরম্পরায় স্থাপন করা হয়েছে। স্কন্দ বলেন—নারদ ঈশানের স্তব করে শম্যাপ্রাসস্থিত ব্যাসাশ্রমে যান এবং জিজ্ঞাসুকে ‘একান্তিক ধর্ম’ শোনান। পরে এই বাণী ব্রহ্মার সভায় উপস্থাপিত হয়; দেবতা, পিতৃগণ ও ঋষিরা শিক্ষালাভ করেন, এবং ভাস্কর (সূর্য) পুনরায় সেই কথাই শোনেন যা নারদ পূর্বে নারায়ণের কাছ থেকে শুনেছিলেন। এরপর উপদেশের ধারাবাহিকতা চলে বালখিল্যদের মধ্যে, মেরুতে ইন্দ্রসহ দেবসমাজে, অসিতের মাধ্যমে পিতৃগণের কাছে, তারপর রাজা শান্তনু, ভীষ্ম এবং শেষে ভারতযুদ্ধ-সমাপ্তির পর যুধিষ্ঠির পর্যন্ত। এই মাহাত্ম্য শ্রবণে মোক্ষাভিমুখ পরম ভক্তি জন্মায়; বাসুদেবকে পরম কারণ এবং ব্যূহ ও অবতারের অন্তর্নিহিত উৎস বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ঘন ফলশ্রুতিতে একে পুরাণকথার সার, বেদ–উপনিষদের ‘রস’, এবং সাংখ্য–যোগ, পাঞ্চরাত্র ও ধর্মশাস্ত্রের নির্যাস বলা হয়েছে। এটি মনঃশুদ্ধি, অমঙ্গলনাশ এবং ধর্ম–কাম–অর্থ–মোক্ষ—উভয় লৌকিক ও পারমার্থিক ফল প্রদান করে; বর্ণাশ্রমানুসারে বিশেষ ফল, রাজা ও নারীদের জন্যও শুভফল উল্লেখ আছে। শেষে সূত পণ্ডিত শ্রোতাদের একমাত্র বাসুদেবের উপাসনায় আহ্বান করে গোলোকাধিপতি, তেজোময় ও ভক্ত্যানন্দবর্ধক বাসুদেবকে প্রণাম জানিয়ে সমাপ্ত করেন।

Shlokas

No shlokas available for this adhyaya yet.