
এই অধ্যায়ে পবিত্র উপাসনা‑ক্ষেত্র নির্মাণের জন্য ‘পীঠ‑পদ্ম‑মণ্ডল’‑এর সূক্ষ্ম বিন্যাস বর্ণিত। শুদ্ধিকর্মে ভূমি পরিশুদ্ধ করে পুরোহিত চার‑পদবিশিষ্ট পীঠ স্থাপন করেন এবং দিক‑সমর্থনসহ ধর্ম, জ্ঞান, বৈরাগ্য ও ঐশ্বর্য—এই প্রতীক তত্ত্বগুলির ন্যাস করেন। পরে মন, বুদ্ধি, চিত্ত, অহংকার এবং ত্রিগুণকে পীঠের কাঠামোর সঙ্গে ক্রমান্বয়ে সংযুক্ত করা হয়। তারপর বিমলা প্রভৃতি শক্তিগণকে যুগলরূপে, অলংকৃত ও বাদ্যসমন্বিত রূপে, দিকানুসারে প্রতিষ্ঠা করা হয়। পীঠের উপর ‘শ্বেতদ্বীপ’ ক্ষেত্র নির্মাণ করে অষ্টদল পদ্ম অঙ্কিত হয়—বৃত্তাকার বিভাগ, দ্বার এবং দিকভেদে রঙিন স্থাপত্যসহ। কেন্দ্রে রাধাসহ শ্রীকৃষ্ণ প্রতিষ্ঠিত হন; চারদিকে সঙ্কর্ষণ, প্রদ্যুম্ন ও অনিরুদ্ধের বিন্যাস, এবং পদ্মের আট নাড়িতে ষোলো অবতারমূর্তির নিয়মিত স্থাপন বর্ণিত। পরবর্তী অংশে পার্ষদ, অষ্ট সিদ্ধি, ব্যক্তরূপে বেদ‑শাস্ত্র, সহধর্মিণীসহ ঋষিযুগল স্থাপিত হয়। বাহ্যবৃত্তে দিকপাল ও গ্রহগণ নিজ নিজ দিশায় স্থিত হন; শেষে বাসুদেবের অঙ্গদেবতা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিমারূপ স্থাপনের দ্বারা বিধান সম্পূর্ণ হয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.