
এই অধ্যায়ে শ্রীনারায়ণ চার আশ্রম—ব্রহ্মচারী, গৃহস্থ, বানপ্রস্থ ও যতি—এর বিভাগ করে বিশেষভাবে সংস্কার-পরিশুদ্ধ দ্বিজ ব্রহ্মচারীর ধর্ম নিরূপণ করেন। গুরুর গৃহে বাস করে বেদাধ্যয়ন, শৌচ, ইন্দ্রিয়সংযম, সত্যভাষণ, বিনয় প্রভৃতি গুণ, এবং প্রাতঃ-সায়ং হোম, নিয়ত ভিক্ষা-সংগ্রহ, ত্রিকাল সন্ধ্যা ও নিত্য বিষ্ণুপূজার বিধান বলা হয়েছে। গুরুর আদেশ পালন, আহারে সংযম, স্নান-ভোজন-হোম-জপের সময় মৌন, সাজসজ্জা ও প্রদর্শনে সংযত থাকা, এবং মদ্য-মাংসাদি বর্জন—এসবকে ব্রহ্মচর্যের শুদ্ধি ও সংযমের সহায়ক বলা হয়েছে। নারীদের প্রতি কামভাব জাগায় এমন দৃষ্টি, স্পর্শ, কথোপকথন বা চিন্তা থেকে কঠোর বিরত থাকার নির্দেশ আছে; তবে গুরুপত্নীর প্রতি যথোচিত সম্মান ও শিষ্টাচার বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। অধ্যয়নশেষে জীবনের পরবর্তী পথ—সংন্যাস গ্রহণ বা শৃঙ্খলাবদ্ধ ছাত্রজীবন অব্যাহত রাখা—উপদেশিত হয়েছে। কলিযুগে কিছু আজীবন-ব্রহ্মচারী ব্রতের অযোগ্যতার উল্লেখ করে, প্রাজাপত্য, সাবিত্র, ব্রাহ্ম ও নৈষ্ঠিক—এই চার প্রকার ব্রহ্মচর্যের কথা বলে সামর্থ্য অনুযায়ী গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
No shlokas available for this adhyaya yet.