
স্কন্দ নারদের সঙ্গে প্রাচীন তপস্বী যুগল নর ও নারায়ণের সাক্ষাতের কাহিনি বলেন। তাঁদের দেহে শ্রীবৎস-চিহ্ন, পদ্ম ও চক্রের লক্ষণ, জটা এবং অপূর্ব তেজের বর্ণনা আছে। নারদ বিনয়ে কাছে গিয়ে প্রদক্ষিণ করেন ও সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করেন; দুই ঋষি প্রাতঃকর্ম সমাপ্ত করে পাদ্য-অর্ঘ্য দিয়ে তাঁকে সম্মান করে আসনে বসান—এটি শাস্ত্রসম্মত আতিথ্য ও নীতিশিষ্টাচারের আদর্শ। এরপর নারায়ণ ব্রহ্মলোকে পরমাত্মা-দর্শনের কথা জিজ্ঞাসা করেন। নারদ জানান, অক্ষরধামে বাসুদেবের দর্শন তিনি কেবল ভগবৎকৃপায় পেয়েছেন এবং তাঁদের সেবার জন্যই প্রেরিত। নারায়ণ বলেন, এমন দর্শন অতি দুর্লভ; একান্তিক ভক্তিতেই সর্বকারণ প্রভুর প্রাপ্তি হয়—তিনি গুণাতীত, নিত্যশুদ্ধ, এবং রূপ-রং-আয়ু-অবস্থা ইত্যাদি জড়বিভাগের অতীত। শেষে নারদকে ধর্মসম্মত একাগ্র তপস্যা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়—তপস্যায় শুদ্ধি হয় এবং তবেই প্রভুর মহিমা পূর্ণভাবে বোঝা যায়। তপই সিদ্ধির হৃদয়; তীব্র তপ ছাড়া ভগবান ‘বশ’ হন না। স্কন্দ বলেন, নারদ আনন্দচিত্তে তপস্যার সংকল্প করেন।
No shlokas available for this adhyaya yet.