Adhyaya 18
Vishnu KhandaVasudeva MahatmyaAdhyaya 18

Adhyaya 18

এই অধ্যায়ে স্কন্দের বর্ণনায় গভীর তত্ত্বোপদেশ প্রকাশিত হয়। ভগবান নারদকে বলেন—প্রাপ্ত দর্শন নিত্য-একান্তিক ভক্তি, দীনতা ও অহংকার-শূন্যতার ফল; এবং এর সহায়ক নীতিশৃঙ্খলা হল অহিংসা, ব্রহ্মচর্য, স্বধর্ম পালন, বৈরাগ্য, আত্মজ্ঞান, সৎসঙ্গ, অষ্টাঙ্গ-যোগ ও ইন্দ্রিয়সংযম। বাসুদেব নিজেকে নানা স্তরে পরিচয় দেন—কর্মফলদাতা ও অন্তর্যামী রূপে; বৈকুণ্ঠে লক্ষ্মীসহ চতুর্ভুজ প্রভু হিসেবে পার্ষদবেষ্টিত; এবং শ্বেতদ্বীপের ভক্তদের সময়ে সময়ে দর্শনদানকারী হিসেবে। এরপর অবতার-তত্ত্বের ধারাবাহিকতা বলা হয়—ব্রহ্মার সৃষ্টি, বিশ্বশাসনের জন্য শক্তি-প্রদান, এবং ভবিষ্যৎ অবতারসমূহ: বরাহ, মৎস্য, কূর্ম, নরসিংহ, বামন, কপিল, দত্তাত্রেয়, ঋষভ, পরশুরাম, রাম, রাধা ও রুক্মিণীসহ কৃষ্ণ, ব্যাস, অধর্মিক শক্তিকে মোহিত করার কৌশলে বুদ্ধ, কলিতে ধর্মস্থাপনার জন্য এক জন্ম, এবং শেষে কল্কি। ভগবান প্রতিজ্ঞা করেন—যখনই বেদাশ্রিত ধর্ম ক্ষয় পাবে, তখনই তিনি পুনঃপ্রকাশ করবেন। বরপ্রার্থনায় নারদ চিরকাল ভগবৎগুণগানের আগ্রহ চান; ভগবান তাঁকে বীণা দান করে বদরীতে উপাসনার নির্দেশ দেন এবং বলেন—সৎসঙ্গ ও শরণাগতি বন্ধনমোচনের প্রধান উপায়। শেষে নারদ শ্বেতদ্বীপ অতিক্রম করে মেরু ও গন্ধমাদন হয়ে বিস্তৃত বদরী অঞ্চলের দিকে ভক্তিযাত্রা করেন।

Shlokas

No shlokas available for this adhyaya yet.