
এই অধ্যায়ে বহুবক্তার স্তোত্রচক্রে বাসুদেবের পরমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ব্রহ্মা, শঙ্কর, ধর্ম, প্রজাপতি, মনু, ঋষি এবং ইন্দ্র, অগ্নি, মরুত, সিদ্ধ, রুদ্র, আদিত্য, সাধ্য, বসু, চারণ, গন্ধর্ব-অপ্সরা, সমুদ্র, দিব্য পরিচারক, আর সাবিত্রী, দুর্গা, নদীসমূহ, পৃথিবী, সরস্বতী প্রভৃতি ব্যক্ত শক্তি—সকলেই পরস্পর-পরিপূরক যুক্তিতে বাসুদেবকে সর্বোচ্চ নিয়ন্তা রূপে স্তব করেন। মূল ভাব হলো—স্থায়ী ভোগ ও মুক্তির নির্ণায়ক ভক্তি; ভক্তিহীন কেবল পুণ্যনির্ভর যাগ-যজ্ঞ সীমিত ফল দেয়। বাসুদেব মায়া ও কালের অতীত, এবং তাঁর সংযোগে সমাজের প্রান্তিক বলে গণ্য সত্তারাও উচ্চ মর্যাদা লাভ করে—এই অন্তর্ভুক্তির বাণীও স্পষ্ট। পরবর্তী অংশে দৃশ্য ফল প্রকাশ পায়—বাসুদেব দেবগণকে স্বীকৃতি দিয়ে শ্রীকে তাঁদের প্রতি কৃপাদৃষ্টি দিতে নির্দেশ দেন; ফলে ত্রিলোকে পুনরায় সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠিত হয়। সমুদ্র-নিধি থেকে দান ও ঐশ্বর্যের প্রবাহ ছড়িয়ে পড়ে। শেষে ফলশ্রুতি—এই কাহিনি শ্রবণ-পাঠে গৃহস্থের সমৃদ্ধি এবং সন্ন্যাসীর অভীষ্টসিদ্ধি হয়; ভক্তি, জ্ঞান ও বৈরাগ্য পরিপক্ব হয়।
No shlokas available for this adhyaya yet.