
প্রথম অধ্যায়ে শৌনক সূতকে জিজ্ঞাসা করেন—ধর্ম, জ্ঞান, বৈরাগ্য ও যোগসাধনা বহু ইতিহাসে প্রসিদ্ধ হলেও বাধা-বিপত্তি ও দীর্ঘ সময়ের কারণে অধিকাংশ মানুষের পক্ষে তা কঠিন। তাই তিনি এমন এক ‘সুকর উপায়’ চান, যা সাধারণ লোকও পালন করতে পারে এবং নানা সামাজিক অবস্থার মধ্যেও কল্যাণকর হয়। সূত জানান, পূর্বে ঋষি সাবর্ণিও স্কন্দকে (গুহা/কার্ত্তিকেয়) একই প্রশ্ন করেছিলেন। স্কন্দ হৃদয়ে বাসুদেবকে ধ্যান করে বলেন—দেবতার সঙ্গে স্পষ্ট সম্পর্ক রেখে করা সামান্য পুণ্যকর্মও মহৎ ও নির্বিঘ্ন ফল দেয়; দেবকর্ম, পিতৃকর্ম ও স্বধর্মও ভগবৎ-সম্বন্ধে দ্রুত সিদ্ধ হয়, আর অন্যথায় কঠিন সাংখ্য, যোগ, বৈরাগ্য প্রভৃতি পথ ভক্তির আশ্রয়ে সহজ হয়। এরপর সাবর্ণি প্রশ্নকে সূক্ষ্ম করেন—অনেক দেবতা ও পূজাপদ্ধতি ক্ষণস্থায়ী ফল দেয়; তাই তিনি এমন দেবতার কথা জানতে চান যিনি নির্ভয়, অক্ষয় ফলদাতা, ভয়নাশক ও ভক্তবৎসল, এবং তাঁর একটি সহজ, প্রামাণ্য পূজাবিধিও চান। অধ্যায়ের শেষে স্কন্দ প্রসন্নচিত্তে উত্তর দিতে প্রস্তুত হন।
No shlokas available for this adhyaya yet.