
এই অধ্যায়ে ব্রহ্মা–কেশব সংলাপের মাধ্যমে বৈষ্ণব দেহ-সংস্কার ও পবিত্রীকরণের বিধান বলা হয়েছে। ব্রহ্মা পুণ্ড্র (তিলক)-এর প্রকার জানতে চাইলে তুলসী-মৃৎ এবং গোপীচন্দন/হরিচন্দন প্রভৃতি উপাদানের সঙ্গে যুক্ত ত্রিবিধ পুণ্ড্রের বর্ণনা দেওয়া হয়। এরপর বিশেষ করে দ্বারাবতী-সম্পর্কিত গোপীচন্দনের মাহাত্ম্য বিস্তারে কীর্তিত—এটি বহনযোগ্য পবিত্র উপায়, যা শুদ্ধি, রক্ষা ও পুণ্যবৃদ্ধি করে; মন্ত্র, সময় বা বিধিতে ঘাটতি থাকলেও এর ধারণ পাপদোষ দগ্ধ করে ফল বৃদ্ধি করে। কপালের তিলক থেকে অগ্রসর হয়ে শরীরে নারায়ণের আয়ুধ-লাঞ্ছন (শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্ম এবং মৎস্য-কূর্মাদি অবতারচিহ্ন) ধারণকে পরিচয়-প্রযুক্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে—পাপনাশক, অশুভ শক্তিনিবারক এবং আচার-অধিকারদায়ক। আঙুল-অনুসারে প্রয়োগের মতো সূক্ষ্ম নির্দেশ, এবং ঊর্ধ্বপুণ্ড্র ও চক্রলাঞ্ছনধারীদের পবিত্রতা ও সম্মান প্রদানের সামাজিক বিধানও আছে। শেষে চিহ্নিত ভক্তদের নিন্দা নিষিদ্ধ করে, নিন্দা হলে ভক্তিভরে প্রণামাদি সংশোধনী আচরণ নির্দেশ করা হয়েছে।
No shlokas available for this adhyaya yet.
Read Skanda Purana in the Vedapath app
Scan the QR code to open this directly in the app, with audio, word-by-word meanings, and more.