Adhyaya 9
Vishnu KhandaAyodhya MahatmyaAdhyaya 9

Adhyaya 9

অগস্ত্য মুনি অযোধ্যা-অঞ্চলের তীর্থগুলির ধারাবাহিক বর্ণনা ও তাদের আচারবিধি নির্দিষ্ট করেন। অধ্যায়ের শুরুতে জটাকুণ্ডের নিকটে অগ্নেয় দিকে অবস্থিত গয়াকূপকে শ্রাদ্ধের মহাফলদায়ক স্থান বলা হয়েছে—এখানে স্নান, সামর্থ্য অনুযায়ী দান এবং পিণ্ডদানসহ শ্রাদ্ধ (তিল ও পায়স দিয়ে, অথবা বিকল্প হিসেবে পিণ্যাকা ও গুড় প্রভৃতি) করলে পিতৃগণ তৃপ্ত হন এবং দেবতাগণও প্রসন্ন হন; পিতৃদের বিষ্ণুলোক-প্রাপ্তি ফলশ্রুতি হিসেবে ঘোষিত। অমাবস্যা যদি সোমবারের সঙ্গে যুক্ত হয় তবে ‘অনন্ত’ ফল, আর সোমবারে এখানে করা শ্রাদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী ফলদায়ক বলে বলা হয়েছে। এরপর পূর্বদিকে পিশাচমোচন তীর্থের কথা আসে—স্নান-দান-শ্রাদ্ধে পিশাচদোষ নিবারণ/উপশম হয়; মার্গশীর্ষ শুক্ল চতুর্দশীতে বিশেষ ব্রত নির্দেশিত। নিকটবর্তী মানসতীর্থ মন-দেহ-বাক্যের দোষ শোধনকারী; প্রৌষ্ঠপদী কালে, বিশেষত পূর্ণিমায়, যাত্রার বিধান আছে। পরে দক্ষিণে তমসা নদীর মাহাত্ম্য—মহাপাপ-নাশিনী, বনবেষ্টিত তট, মাণ্ডব্য প্রভৃতি ঋষিদের আশ্রমে পবিত্র; এখানে স্নান-দান-শ্রাদ্ধে কাম ও অর্থসিদ্ধি, এবং মার্গশীর্ষ শুক্ল পঞ্চদশীতে বিশেষ আচারের উল্লেখ আছে। শেষে সীতাকুণ্ড (শ্রী দুগ্ধেশ্বরের নিকটে) ভাদ্রপদ শুক্ল চতুর্থীর যাত্রা, ক্ষেত্ররক্ষক ভৈরবের মার্গশীর্ষ কৃষ্ণ অষ্টমীর বার্ষিক উৎসব-অর্ঘ্য, ভরতকুণ্ডে ভরতের রামধ্যান ও প্রতিষ্ঠা-স্মৃতি সহ স্নান ও পিতৃশ্রাদ্ধ, এবং জটাকুণ্ডে রাম-সহচর পূজা ও চৈত্র কৃষ্ণ চতুর্দশীর বার্ষিক যাত্রা বর্ণিত। উপসংহারে তীর্থ-পরিক্রমার ক্রম—প্রথমে রাম-সীতা পূজা, পরে ভরতকুণ্ডে লক্ষ্মণ পূজা, তারপর নির্দিষ্ট স্নানবিধি অনুসারে ধারাবাহিক তীর্থযাত্রা।

Shlokas

No shlokas available for this adhyaya yet.