Adhyaya 10
Vishnu KhandaAyodhya MahatmyaAdhyaya 10

Adhyaya 10

এই অধ্যায়ে সূতের বর্ণনার মধ্যে অগস্ত্য ও ব্যাসের উপদেশমূলক সংলাপের দ্বারা অযোধ্যা-যাত্রার বিধি ও তীর্থ-মাহাত্ম্য প্রকাশিত হয়েছে। শুরুতে অযোধ্যার রক্ষাকারী বীরের স্মরণ, বিষ্ণুভক্তা রাক্ষসী সুরসাকে রক্ষার্থে প্রতিষ্ঠা, এবং রক্ষা ও কাম্যফলদায়ী দেবস্থানসমূহে পূজা-উৎসবের নিয়ম বলা হয়। পরে পশ্চিমদিকে পিণ্ডারক প্রভৃতি স্থানের উল্লেখ এবং বিঘ্ননাশের জন্য বিঘ্নেশ্বর পূজার নির্দেশ আছে। এরপর দিকসীমা নির্ধারণ করে ‘জন্মস্থান’-এর পরিচয় দিয়ে তার পরম উদ্ধারক মাহাত্ম্য বলা হয়—মাত্র দর্শনেই মহাদান-তপস্যার চেয়েও অধিক ফল; নবমীর ব্রতধারী স্নান ও দানে ‘জন্মবন্ধন’ থেকে মুক্ত হয় বলে ঘোষিত। তারপর সরযূ নদীর বিস্তৃত মাহাত্ম্য—তার দর্শন অন্যত্র দীর্ঘবাস ও প্রসিদ্ধ ক্রিয়ার ফলসম, এবং অযোধ্যা-স্মরণকে শক্তিশালী মুক্তিসাধন বলা হয়েছে। সরযূকে জলরূপ ব্রহ্ম ও সদা মোক্ষদায়িনী রূপে বর্ণনা করা হয়। এরপর ‘মানসতীর্থ’ তত্ত্ব—সত্য, ক্ষমা, ইন্দ্রিয়সংযম, দয়া, সত্যবচন, জ্ঞান ও তপ—এগুলি অন্তরের তীর্থ; মনের শুদ্ধিই প্রকৃত স্নান, অন্তঃশুদ্ধি ছাড়া বাহ্য আচরণ নিষ্ফল—এই উপদেশ দেওয়া হয়েছে। শেষে যাত্রাক্রম সুসংবদ্ধভাবে বলা হয়—ভোরে ওঠা, প্রধান কুণ্ডে স্নান, ক্রমানুসারে দেবদর্শন, এবং একাদশী, অষ্টমী/চতুর্দশী, অঙ্গারক-চতুর্থী প্রভৃতি তিথির সময়নির্দেশ। নিয়মিত পালন করলে শুভফল লাভ ও পুনরাবৃত্তি (পুনর্জন্ম) নিবারণ হয় বলে প্রতিপাদিত।

Shlokas

No shlokas available for this adhyaya yet.