बालकाण्ड
উত্তরকাণ্ডের সমগ্র ভাব-প্রবাহ ‘বিরহ-সমাধান’ থেকে ‘শান্ত-তত্ত্ব’-এর দিকে অগ্রসর হয়। শুরুতে অযোধ্যা ও ভরত-এর দীর্ঘ বিরহ রাম-আগমনের ‘লিটার্জিক্যাল’ উৎকর্ষে গলে যায়—করুণা থেকে হর্ষ/আনন্দের দিকে। তারপর রাজ্যাভিষেক বাহ্য উৎসব না থেকে ‘চিত্তাভিষেক’ হয়ে ওঠে: রাম-সীতার শোভা (ভক্তি-শৃঙ্গার) ও সেবক-ত্রাণ (দাস্য)-এর সঙ্গে শান্ত-রস ঘনীভূত হয়। মধ্য-উত্তরে অদ্ভুতের উত্থান (মায়া/ব্রহ্মাণ্ড-দর্শন, ভক্তি-প্রতাপ) সাধককে বিস্ময় থেকে বৈরাগ্যের দিকে ফিরিয়ে দেয়। শেষে কলিযুগ-বর্ণনা, অধম-লক্ষণগুলির তালিকা, এবং ‘বিনু X ন Y’-এর মতো সূত্র শান্ত-রসকে নীতি-উপদেশের ধার দেয়—করুণা (ভ্রান্ত জীবের প্রতি দয়া) ও বৈরাগ্য (অসার জগত থেকে বিরতি)-এর সঙ্গে কাহিনির উপসংহার ‘ভক্তি-চিন্তামণি’-র স্থৈর্যে সম্পন্ন হয়।
37 prakaranas with 760 verses.
Content is loading — please check back soon.