
Narration of the Primeval-Aeon Ramayana
এই অধ্যায়ে সূত বলেন—গৌতমী তীরে শ্রীराम সন্ধ্যাবন্দনা করে সভা আহ্বান করেন, সেখানে ‘ভিন্নভাবে রচিত রামায়ণ’ নিয়ে বিতর্ক ওঠে। তখন ব্রহ্মার বংশপরম্পরায় প্রাপ্ত ‘প্রাচীন রামায়ণ’ বর্ণনার অনুমতি পেয়ে জাম্ববান কাহিনি শুরু করেন। তিনি দশরথের অভিযান, একাদশী-দ্বাদশী ব্রত ও পূজার মাহাত্ম্য, পুত্রকামেষ্টি যজ্ঞ এবং চার রাজপুত্রের জন্ম-নামকরণ বলেন। ব্রহ্মরাক্ষসের প্রায়শ্চিত্তে গঙ্গাস্নান ও বিল্বপত্রে শিবপূজার বিধান, এবং বশিষ্ঠের উপদেশও বর্ণিত। শিক্ষা ও বিবাহ-ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মুহূর্ত-বিতর্কে নারদ-গার্গ্য-বিদেহরাজের কথোপকথনের পর সূর্যের ‘দেশানুসারী নিয়ম’ দ্বারা সিদ্ধান্ত স্থির হয়। জনক শিবের কাছে বর প্রার্থনা করেন; আজগব ধনুকের প্রতিজ্ঞা অনুযায়ী রামের ধনুকভঙ্গে সীতাবিবাহ সম্পন্ন হয়। পরে বনবাস, বালীবধে ধর্মবিচার ও তারার সংলাপ, সুগ্রীব-হনুমানের সঙ্গে লঙ্কা-অভিযানের পরিকল্পনা, হনুমানের দূতকর্ম, লঙ্কাযুদ্ধ, শিবস্তোত্র, সমুদ্র পারাপারে আজগবের উপায়, রাবণবধ, বিভীষণের নীতিবাক্য ও রাজ্যাভিষেক সংক্ষেপে বলা হয়। শ্রবণ-পাঠে পাপনাশ ও মুক্তিলাভের ফলও ঘোষিত।
No shlokas available for this adhyaya yet.