
The Greatness of Sacred Ash (Vibhūti) and the Saving Power of Śiva Worship
শিব রামকে পাপ-নাশক কাহিনি শোনান। ইক্ষ্বাকু নামে এক পণ্ডিত কিন্তু ভোগাসক্ত ব্রাহ্মণ যজ্ঞ, দান, বেদ-অধ্যাপন ও পুরাণ-শ্রবণ ত্যাগ করে। মৃত্যুর পরে সে যমের সভায় উপস্থিত হয়; দীর্ঘ নরকযন্ত্রণার সতর্কবার্তা পেয়ে প্রায়শ্চিত্তের জন্য অল্প সময়ের জন্য দেহে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সে শিবভক্ত ঋষি জাবালির শরণ নেয়। জাবালি বলেন—অল্পায়ুতে দীর্ঘ তপস্যা-কঠোর ব্রত দুষ্কর; তাই শ্রেষ্ঠ উপায় শিবলিঙ্গ-পূজা, নিত্য পুরাণ-শ্রবণ এবং বিভূতি (ভস্ম) ধারণ। কাহিনিতে মন্দর পর্বতের দিব্য নগরী ও শিবের যোগসভা রূপকে আসে, যেখানে যম-নিয়ম, প্রাণায়াম, ধ্যান ও সমাধি সেবকস্বরূপ বর্ণিত। ইক্ষ্বাকু আট দিন ভক্তিভরে পূজা করে প্রাণ শিবে অর্পণ করে দেহত্যাগ করে। শৈব দূতেরা যমদূতদের সঙ্গে বিতর্ক করে তাকে উদ্ধার করে; শিব ফল দেন, তবে পূর্বে লিঙ্গ-নিন্দার দোষের স্মারক হিসেবে দেহে একটি চিহ্ন রেখে দেন। শেষে এই অধ্যায় শ্রবণ-পাঠের মহাপুণ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
No shlokas available for this adhyaya yet.